• মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এক দিকে প্রত্যাবর্তন, অন্য দিকে পতন… ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ, ছাড় পাবেন যারা ৫৯ ঋণখেলাপি ও ‘ব্যাংক ডাকাত’কে মনোনয়ন দিয়ে কীভাবে দুর্নীতি ঠেকাবে বিএনপি: জামায়াত আমির পাবনায় জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে জখম আজ রাত ১২টা থেকে বিকাশ-নগদে ১ হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না আইন ও বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ: এনবিআর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট নেটদুনিয়ায় ঝড় তুলেছে মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিকের ট্রেলার এক ক্লিকেই জেনে নিন ভোটার নম্বর ও কেন্দ্র, ইসির ৪ সহজ পদ্ধতি ইরানের সঙ্গে ‘খুবই ভালো’ আলোচনা হয়েছে, চুক্তি করতে তারা মরিয়া: ট্রাম্প কারাবন্দি অবস্থায় সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যু

পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে পাঁচ বছর দেশে আসেননি, ফিরলেন লাশ হয়ে

Reporter Name / ৪০১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০২৩

পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে পাঁচ বছর আগে মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন আলমগীর হোসেন আকন্দ (৪৮)। স্বজনদের প্রতি ভালোবাসা ও মমত্ববোধ থাকলেও সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে একবারের জন্যও দেশে আসা হয়নি তাঁর। পাঁচ বছর পর তিনি দেশে ফিরলেন লাশ হয়ে।

আলমগীর হোসেন আকন্দের বাড়ি নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের খামারপাথুরিয়া গ্রামে। সংসারে স্ত্রী দুই ছেলে ও এক মেয়ে আছে। সন্তানদের মধ্যে হাসান আকন্দ স্নাতক ও অন্য সন্তানেরা মাধ্যমিক পর্যায়ে পড়ালেখা করে। বাবার পাঠানো টাকায় সংসার ও পড়ালেখার খরচ চলত তাঁদের।

স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় হিট স্ট্রোকে মারা যান আলমগীর। মালয়েশিয়ায় কর্মরত সহকর্মীদের মাধ্যমে খবরটি পেয়েছিল আলমগীরের পরিবার। লাশ পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন তাঁর স্ত্রী-সন্তানেরা। মৃত্যুর ২৩ দিন পর একটি বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সে লাশ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে আলমগীরের স্ত্রী সামসুন্নাহার (৪২) বলেন, মধ্যবিত্ত পরিবার তাঁদের। সংসারে সচ্ছলতা ও ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে শেষ সম্বল দুই বিঘা জমি বিক্রি করে মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন ছেলের বাবা। সেখানে কঠোর পরিশ্রম করতেন তিনি। তাঁর পাঠানো টাকায় সংসার ও পড়ালেখার খরচ চলত। তাঁর মৃত্যুতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি। এখন সংসার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারণ, তিনি ছিলেন সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষ।

চাপিলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান বলেন, আলমগীরের লাশ বাড়িতে আনার পর স্ত্রী-সন্তানদের আহাজারি থামছে না। স্বজনদের সহায়তায় স্থানীয় একটি কবরস্থানে তাঁর লাশ দাফনের প্রস্তুতি চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category