• বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন

বিশাল ব্যয় অল্প গ্যাসে

Reporter Name / ৬৩ Time View
Update : রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৩

গত ৫ বছরে দেশে শুধু এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৮৫ হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা। যদিও এই সময়ে দেশের পুরো গ্যাস ক্রয় ব্যবদ ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। অথচ মোট গ্যাসের মাত্র ২৪ শতাংশ পাওয়া গেছে এই এলএনজি থেকে। কিন্তু ব্যয় করতে হয়েছে ৭৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ গ্যাসের সমান দাম। এরপরও ব্যয়বহুল এই আমদানি বাড়াতে মরিয়া হয়ে উঠেছে সরকার।

আগামী দিনে আরও তিনগুণ এলএনজি আমদানি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের পর এলএনজি আমদানি ১০.৫০ মিলিয়ন টন পার ইয়ার (এমটিপিএ) ছাড়ানোর ব্যবস্থা চূড়ান্ত। এই আমদানির জন্য প্রথমবারের মতো আইটিএফসি থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়ার চুক্তি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অতি ব্যয়বহুল এই এলএনজি-নির্ভরতা দেশকে বড় বিপদের দিকে নিয়ে যাচ্ছে? অথচ দেশে গ্যাস সরবরাহের বেশির ভাগই আসে স্থানীয়ভাবে উত্তোলনের মাধ্যমে। এর মধ্যে শুধু মার্কিন কোম্পানি শেভরন উত্তোলন করছে মোট গ্যাসের ৫০ শতাংশ আর স্থানীয় কোম্পানিগুলো থেকে পাওয়া যাচ্ছে ২৬ শতাংশ। শেভরনের গ্যাস ক্রয়ে বছরে ব্যয় মাত্র ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ অর্থ। আর স্থানীয় কোম্পানিগুলোর পেছনে বছরে ব্যয় হয় ৫ শতাংশের কিছু বেশি। এরপরও জ্বালানি বিভাগ দৌড়াচ্ছে ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানির দিকে। ইতোমধ্যে কাতার এনার্জি কোম্পানি থেকে প্রতিবছর অতিরিক্ত ২৪ কার্গো এলএনজি আমদানির চুক্তি করেছে। আগামী ১৫ বছর এই কোম্পানি থেকে এলএনজি কিনবে সরকার।

এছাড়া ওকিউ ট্রেডিং লিমিটেড থেকেও আগামী ১০ বছর মেয়াদি প্রতিবছর দেড় এমটিপিএ গ্যাস বাড়ানোর চুক্তি করা হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ২০২৬ সালে প্রথম বছরে চারটি এলএনজি কার্গো, ২০২৭ ও ২০২৮ সালে প্রতিবছর ১৬টি এলএনজি কার্গো এবং ২০২৯ থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর ২৪টি কার্গো সরবরাহ করবে।

মহেশখালীতে স্থাপন করা হচ্ছে তৃতীয় এফএসআরইউ (ফ্লোটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট)। সামিট অয়েল অ্যান্ড শিপিং কোম্পানি লিমিটেড (এসওএসসিএল) এটি স্থাপন করবে। এর ধারণক্ষমতা হবে ৬০০ এমএমসিএফডি। এ নিয়ে সামিটের সঙ্গে নেগোসিয়েশন সম্পন্ন হয়েছে। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, সরকারের অনুমোদন পেলে টার্মশিট স্বাক্ষর করা হবে। ২০২৬ থেকে ১৫ বছরের জন্য ১.৫ এমটিপিএ এলএনজি পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জির স্থাপিত এফএরআরইউ-এর ক্ষমতা আরও ১০০ এমএমসিএফডি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের পর এই কোম্পানি থেকে ১.৫ এমটিপিএ এলএনজি পাওয়া যাবে। কক্সবাজারের মহেশখালীতে ১০০০ এমএমসিএফডি ক্ষমতাসম্পন্ন স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে ভূমির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে ফিজিবিলিটি স্টাডি সম্পন্ন করা হয়েছে। ডিসেম্বর থেকে এ বিষয়ে নেগোসিয়েশন শুরু হবে।

এছাড়া মালয়েশিয়া থেকেও ২৫০ এমএমসিএফডি এলএনজি আমদানির বিষয়ে নেগোসিয়েশন শুরু করেছে সরকার। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে এটি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আর ক্রস বর্ডার পাইপলাইনের মাধ্যমে এইচ এনার্জির কাছ থেকে ২৫০ এমএমসিএফডি গ্যাস আমদানির বিষয়েও সরকার নেগোসিয়েশন চূড়ান্ত করেছে। এসব খাত থেকে ৪.০ এমটিপিএ (মিলিয়ন টন পার ইয়ার) এলএনজি আসবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সাবেক সদস্য মকবুল-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, সরবরাহে স্বল্প অবদান রাখা এলএনজি আমদানি করতে গিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছে জ্বালানি বিভাগ। নতুন করে আরও বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এতে আর্থিক ঝুঁকিতে পড়েছে জ্বালানি খাত। আবার দুই দশকেরও বেশি সময় স্থানীয় গ্যাস উত্তোলন ও অনুসন্ধানে বিনিয়োগ ছিল যৎসামান্য।

তিনি বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্থানীয় গ্যাস খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। বিদেশ থেকে আমদানি করা তেল-গ্যাসে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সম্ভব নয় বলেই তিনি এমনটি করেছিলেন। কিন্তু আমরা সে নীতির উলটোপথে হেঁটেছি। আর তা করতে গিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ এলএনজি কিনতে গিয়ে খরচ করে ফেলেছি। যে পরিমাণ অর্থ আমদানিতে ব্যয় করা হচ্ছে, তা দেশে বিনিয়োগ করা হলে দুই বছরের মধ্যে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে আনা সম্ভব।

দেশে গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় চলমান সংকটের পেছনে এলএনজি আমদানি অনেকাংশেই দায়ী বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই এলএনজি-নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠা না গেলে সামনের দিনগুলোয় বিপত্তির মাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

সূত্র জানায়, গ্যাস সরবরাহের বেশির ভাগই আসে স্থানীয়ভাবে উত্তোলনের মাধ্যমে। যদিও এ বাবদ ব্যয়কৃত অর্থের সিংহভাগ চলে যাচ্ছে এলএনজিতে। ২০১৮ সালে দেশে এলএনজি আমদানি শুরুর পর থেকে গত চার অর্থবছরে গ্যাস সরবরাহে জ্বালানি বিভাগের মোট অর্থ ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত ব্যয়কৃত এ অর্থের ৭৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ খরচ হয়েছে এলএনজি আমদানিতে। দেশে গ্যাস উত্তোলনকারী বিদেশি কোম্পানিগুলোকে (আইওসি) দিতে হয়েছে ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। আর স্থানীয়ভাবে গ্যাস উত্তোলনকারী তিন দেশি কোম্পানির পেছনে ব্যয় হয়েছে ৫ শতাংশের কিছু বেশি।

বর্তমানে দৈনিক গড়ে গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন থেকে ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ২০১৮ সাল থেকে দেশে এলএনজি আমদানি শুরু হয়। পেট্রোবাংলার হিসাব অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত এলএনজি আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৮৫ হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা, যা গ্যাস সরবরাহ বাবদ মোট ব্যয়ের ৭৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ। স্থানীয় পর্যায়ে গ্যাসের উত্তোলনে নিয়োজিত রয়েছে বিদেশি দুটি কোম্পানি শেভরন ও তাল্লো। এ দুই কোম্পানিকে ২০২১-২২ পর্যন্ত চার অর্থবছরে গ্যাস সরবরাহের জন্য অর্থ দেওয়া হয়েছে ১৯ হাজার ২০৮ কোটি টাকা, যা ব্যয়কৃত অর্থের ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

এছাড়া গ্যাস উত্তোলনে নিয়োজিত আছে স্থানীয় তিনটি কেম্পানি। এ তিনটি হলো বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (বিজিএফসিএল), সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফসিএল) এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। এ তিন কোম্পানিকে চার অর্থবছরে দেশে গ্যাস সরবরাহের জন্য পরিশোধ করা হয়েছে ৫ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা, যা এ বাবদ ব্যয়কৃত অর্থের ৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।

চার অর্থবছরে স্থানীয়ভাবে উত্তোলনকৃত গ্যাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৬১, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৬৩, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৬৫ এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে ৬৩ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ দিয়েছে আইওসিগুলো। অপরদিকে ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত ২৫২টি এলএনজিবাহী কার্গো দেশে এসেছে। এর মধ্যে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এলএনজি আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ১১ হাজার ৮১২ কোটি টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রায় ১৭ হাজার ৫০৩ কোটি, ২০২০-২১ অর্থবছরে ১৭ হাজার ৬৯২ কোটি এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩৮ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেন, ‘স্থানীয় গ্যাস কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে দেশে যে গ্যাস উত্তোলন হচ্ছে, সেটি পরিচালন ব্যয় মাত্র। বিদেশি বিনিয়োগ পেলে দেশে আরও বেশি গ্যাস পাওয়া যেত। কম মূল্যে গ্যাস উত্তোলন করে বিপুল পরিমাণ অর্থ; বিশেষত ডলার সাশ্রয় করা যেত। কিন্তু আমরা সেটি করতে পারিনি। উলটো এলএনজির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি।

এলএনজি আমদানি ফান্ডে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন : পেট্রোবাংলার এই ঋণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকৃত বৈদেশিক মুদ্রার মজুতও কিছুটা কমবে। কারণ, আইএমএফ-এর তথ্য অনুযায়ী, এ ধরনের ঋণ বা বিনিয়োগে অর্থায়ন করা অংশ রিজার্ভ থেকে বাদ দেওয়া হয়। জানা যায়, এলএনজি আমদানির জন্য পেট্রোবাংলার এটিই প্রথম ঋণ নেওয়া। ৬ মাস মেয়াদে পেট্রোবাংলা এই ঋণ নিচ্ছে। এর সুদহার হবে এসওএফআর রেটের সঙ্গে ২ শতাংশ।

আইটিএফসি নিজস্ব তহবিল থেকে এই অর্থ পেট্রোবাংলাকে দিচ্ছে না। একটি সিন্ডিকেট ফিন্যান্সিংয়ের আওতায় কো-ফিন্যান্স ব্যবস্থায় এ অর্থায়ন করা হচ্ছে, যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার মজুত থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে অংশ নিচ্ছে।

এ বিষয়ে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার বলেছেন, পেট্রোবাংলা আইটিএফসি থেকে ঋণ নিতে চেয়েছে। এরপর জ্বালানি বিভাগ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সেটি নিশ্চিত করেছে।

জানা যায়, বর্তমানে পেট্রোবাংলা এলএনজি আমদানির জন্য সরবরাহকারীদের টাকা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। পেট্রোবাংলার এই খাতে এখন বকেয়ার পরিমাণ প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. এম শামসুল আলম বলেন, ঋণ করে জ্বালানি কেনা কোনো সমাধান নয়। এই ঋণ সুদসহ পরিশোধ করতে হবে। এটি কোনো না কোনোভাবে জনসাধারণের ওপরই চাপবে। এর চেয়ে জরুরি হলো অপচয়, অনিয়ম বন্ধ করা। অভ্যন্তরীণ গ্যাস উত্তোলন ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব দেওয়া।

পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এলএনজি আমদানির পাশাপাশি সরকার দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উত্তোলনের নানা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছেন। এর মধ্যে ২০২৫ সালের মধ্যে মোট ৪৬টি কূপ খনন, উন্নয়ন ও ওয়ার্কওভার সম্পন্ন করা হবে। এজন্য সময়ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণোয়ন ও ডিপিপি প্রণোয়ন নিশ্চিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে মনিটরিং ও নির্দিষ্ট সময় পরপর সমন্বয় সভা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৯টি কূপ খনন, উন্নয়ন ও ওয়ার্কওভার সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, ভোলা জেলায় ইলিশা নামে দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। এই কূপের প্রাথমিক মজুত ২০০ বিসিএফ নির্ধারণ করা হয়েছে। ৪৬টি কূপের মধ্যে রাশিয়ান কোম্পানি গ্যাজপ্রম ২টি, বাপেক্স ১টি কূপ খনন এবং বিজিএফসিএল ১টি ওয়ার্কওভার সম্পন্ন করেছে। এর মাধ্যমে ৪৮ এমএমসিএফডি গ্যাসের উৎপাদন নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া ২০২৪ সালের মধ্যে বাপেক্সের রিগগুলোর শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। কোম্পানির নিজস্ব ৫টি রিগ দিয়ে ১৮টি কূপ খননের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩টি অনুসন্ধান, ৫টি উন্নয়ন ও ১০টি ওয়ার্কওভার কূপ রয়েছে। বাকি কূপগুলোর মধ্যে ১৬-১৮টি বিদেশি সংস্থা, যাদের বাংলাদেশে খননের অভিজ্ঞতা ও রিগ আছে, তাদের দিয়ে খনন করা হবে।

এজন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি আইনে প্রক্রিয়াকরণের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ইতোমধ্যে ভোলা এলাকার গ্যাজপ্রমের মাধ্যমে ৫টি কূপ খননের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এছাড়া বাপেক্সকে শক্তিশালী করার জন্য ১টি নতুন রিগ কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category