• সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
তরমুজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরা চরফ্যাশনে ৬ হাজার ৪৩৭ একর জমিতে মালয়েশিয়ায় দুই বাংলাদেশি পেলেন ‘সিআইপি’ মর্যাদা পাঁচ বছরে প্রায় ৯ লাখ ভারতীয় নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন তফসিলে সাময়িক স্বস্তি হলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া ইনকিলাব মঞ্চের সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশের ডাক সুদানে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী হতাহতের ঘটনায় জাতিসংঘের নিন্দা রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি পুতিন-হাসিনা বৈঠকের কিচ্ছা: ভারতে বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচারের ধুম  সারা দেশে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ, ওসমান হাদি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সালাহ রেকর্ড গড়েই কি লিভারপুল অধ্যায় ‘শেষ’ করলেন?

বেল্ট বা বাইন্ডার অপারেশনের পর কি ব্যবহার করা যায়

Reporter Name / ৩৯২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ মে, ২০২৩

গর্ভবতী মায়ের সন্তান গর্ভে থাকাকালীন যেমন তার যত্ন নিতে হয় তেমনি সন্তান জন্মদানের পরে তার অনেক সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। স্বাভাবিক প্রসবের চেয়ে সিজারিয়ান করলে যত্ন নেয়া অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। গর্ভধারণের পরবর্তী ওজন এত সহজে কমে না।

বিশেষ করে সিজারিয়ান হলে পেটের মেদ কমিয়ে পূর্বের অবস্থায় যেতে অনেক সময় লাগে। তবে বিকল্প উপায়ে সিজারিয়ান পরবর্তী পেটের মেদ কমানো যায়। জেনে নেয়া যাক, সিজারের পর বেল্ট ব্যবহার করে কতটুকু উপকার পাওয়া যায়।

* অপারেশনের পর অজ্ঞানের ইফেক্ট চলে যাওয়ার পর পরই রোগীরা বেল্ট ব্যবহার করতে পারেন।

* পেটে যে কোনো ধরনের অপারেশনের পর যেমন সিজারিয়ান সেকশন অথবা জরায়ুর যে কোনো অপারেশনের পর বেল্ট ব্যবহার করা যেতে পারে ।

* অপারেশনের জায়গায় ব্যথা কম হয়।

* কাটা জায়গায় পানি জমা বা ইডিমা হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।

* রোগী সহজেই নড়াচড়া করতে পারে এবং আরাম অনুভব করে।

* হাঁচি-কাশিজনিত ঝাঁকুনি কাটা জায়গায় কম লাগে।

* যে কোনো অপারেশনের পর ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত এ বেল্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। এর থেকে বেশি দিন ব্যবহার করা ঠিক নয়।

* কখনো এ ধরনের কোনো প্রমাণ মেলেনি যে, বেল্ট ব্যবহার করলে পেটের চর্বি কমে যায়। সে জন্য বেশি দিন বেল্ট ব্যবহার করা ঠিক নয়।

* শুধু চলাফেরা করার সময় বেল্ট ব্যবহার করতে হবে, শুয়ে থাকার সময় বেল্ট ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই।

* বেল্ট এমনভাবে বাঁধতে হবে যেন এটা সুন্দরভাবে ফিট হয় খুব বেশি টাইট করে বাঁধা যাবে না। এতে করে রক্ত চলাচলে অসুবিধা হতে পারে।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ডিপার্টমেন্ট অব্স অ্যান্ড গাইনি, মেডিকেল কলেজ ফর উইমেন অ্যান্ড হসপিটাল, উত্তরা, ঢাকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category