• সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
তরমুজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরা চরফ্যাশনে ৬ হাজার ৪৩৭ একর জমিতে মালয়েশিয়ায় দুই বাংলাদেশি পেলেন ‘সিআইপি’ মর্যাদা পাঁচ বছরে প্রায় ৯ লাখ ভারতীয় নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন তফসিলে সাময়িক স্বস্তি হলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া ইনকিলাব মঞ্চের সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশের ডাক সুদানে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী হতাহতের ঘটনায় জাতিসংঘের নিন্দা রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি পুতিন-হাসিনা বৈঠকের কিচ্ছা: ভারতে বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচারের ধুম  সারা দেশে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ, ওসমান হাদি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সালাহ রেকর্ড গড়েই কি লিভারপুল অধ্যায় ‘শেষ’ করলেন?

ভূমধ্যসাগরের তলদেশে ৭০০০ বছরের পুরোনো রাস্তার সন্ধান

Reporter Name / ৩৯২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ মে, ২০২৩

প্রত্নতাত্ত্বিকরা ভূমধ্যসাগরের তলদেশে ৭০০০ বছরের পুরোনো একটি রাস্তা আবিষ্কার করেছেন। ইতিহাসবিদরা ধারণা করছেন, এই রুট সম্ভবত কোরকুলার উপকূলের ক্রোয়েশিয়ান দ্বীপকে হাভার সংস্কৃতির নিমজ্জিত প্রাগৈতিহাসিক শহরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।

ক্রোয়েশিয়ার জাদার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা সংরক্ষিত কাঠের রেডিওকার্বন পরীক্ষা করে জানিয়েছেন, সম্ভবত খ্রিস্টের প্রায় ৪,৯০০ বছর আগে সেখানে বসতি ছিল। আর ৭০০০ বছর আগে ভ্রমণের জন্য এই পথগুলো ব্যবহার করা হয়েছিল।

হাভার সভ্যতায় বসবাসকারীরা পশুপালক ও কৃষক ছিল। উপকূল বরাবর ও সংলগ্ন দ্বীপগুলোতে ছোট, প্রত্যন্ত গ্রামে বসবাস করত তারা। আনুমানিক ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে নিওলিথিক যুগে এই অঞ্চলে মানুষের বসতি প্রথম গড়ে ওঠে বলে জানা যায়।

নিওলিথিক বন্দোবস্তেও রাস্তাটি অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই এলাকার সবচেয়ে ভালো-সংরক্ষিত হাভার সংস্কৃতির সাইটগুলোর মধ্যে একটি হলো সোলাইন। যা প্রাচীন এই কৃষি বসতিগুলোর সামাজিক কাঠামো ও তাদের রুটিন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিশদ প্রদান করেছে।

যদিও অনুসন্ধানটি সমুদ্রের তলদেশে করা হয়েছিল। তদন্তটি করকুলা দ্বীপের ভেলা লুকাতে গ্র্যাডিনা উপসাগরের কাছাকাছি করা হয়। সেখানে নিওলিথিক নিদর্শন যেমন- ফ্লিন্ট ব্লেড, মিলের টুকরো ও পাথরের অক্ষগুলোও আবিষ্কৃত হয়েছিল।

সোলাইন সাইটের মধ্যে যা আকর্ষণীয় তা হলো, এর সোপান ক্ষেত্রগুলোর বিশাল ব্যবস্থা। যা কংক্রিট বিল্ডিং ছাড়াও কৃষির জন্য নিযুক্ত ছিল।

প্রতিবেদন থেকে ধারণা মিলেছে, ক্ষেত্রগুলোকে দ্বীপের পাথুরে, পাহাড়ি ভূখণ্ড ব্যবহার করার জন্য পরিকল্পনা করা হয়। যা পাথরের দেওয়াল ও সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে শক্তিশালী হয়েছিল ও পরবর্তী সময়ে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category