• শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
Headline
মান্দায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে জমি দখলের অভিযোগ: চরম ভোগান্তিতে কৃষক ও এলাকাবাসী থানকুনি পাতা: ১০টি জাদুকরী ভেষজ গুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা ইরানে অবিস্ফোরিত বোমা নিষ্ক্রিয়কালে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: আইআরজিসির ১৪ সদস্য নিহত ঢাকা বার নির্বাচন: নিরঙ্কুশ আধিপত্যে সব পদে জয়ী বিএনপিপন্থি ‘নীল প্যানেল’ রিয়ালে ফেরার গুঞ্জনে মুখ খুললেন মরিনহো শিরোনাম: আসিফ মাহমুদকে কটাক্ষ করে নীলার স্ট্যাটাস: ‘আহারে ব্রো, লাইফটাই স্পয়েল হয়ে গেল!’ জেল থেকে ফিরে সিদ্দিকুর রহমানের নতুন জীবনের বার্তা তেহরানকে দমাতে পেন্টাগনের নতুন ছক: মাঠে নামছে ভয়ংকর ‘ডার্ক ঈগল’ ‘ইরান চুক্তি চায়, তবে আমি সন্তুষ্ট নই’—ট্রাম্প; অন্যদিকে হুমকি বন্ধের শর্তে কূটনীতিতে আগ্রহী তেহরান বাংলাদেশে হামে মৃত্যু বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা: অব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতিকে দুষছেন বিশেষজ্ঞরা

রামপুরায় একই সিলিং ফ্যানের হুকে ঝুলছিল স্বামী–স্ত্রীর লাশ

Reporter Name / ৩৮৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৩

রাজধানীর পূর্ব রামপুরার তিতাস রোডের একটি বাসার সিলিং ফ্যানের হুকে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকা স্বামী-স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন মাটিকাটা শ্রমিক জুয়েল মিয়া (২৮) ও তাঁর স্ত্রী নাসরিন আক্তার (২২)। পুলিশ বলেছে, প্রাথমকি তদন্তে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রামপুরা থানার পুলিশ জানায়, জুয়েল মিয়া তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে তিতাস রোডের একটি টিনশেড ঘরের একটি ছোট্ট কক্ষে ভাড়া থাকতেন। নাসরিন বাসাবাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। জুয়েলের গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রাম এবং নাসরিনের কিশোরগঞ্জে।

রামপুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মাওলা বলেন, নাসরিনের ভাই টিটু খন্দকার তাঁর পাশের ঘরেই থাকতেন। গতকাল তিনি জানালা দিয়ে দেখতে পান, নাসরিন ও তাঁর স্বামীর লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে। এরপর তিনি ঘটনাটি পুলিশকে জানান। পরে রামপুরা থানার পুলিশ ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অপরাধ শনাক্তকরণ একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে জানালা দিয়ে জুয়েল ও তাঁর স্ত্রীকে সিলিং ফ্যানের হুকের সঙ্গে ঝুলতে দেখে। পরে সেখান থেকে ওই দম্পতির লাশ নামিয়ে এনে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। সিআইডির অপরাধ শনাক্তকরণ দল ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে।

রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, এই দম্পতির একটি ছেলে সন্তান ছিল। সে সাত মাস আগে মারা গেছে। এ ছাড়া তাঁদের আর্থিক সংকট ছিল। এ কারণে স্বামী-স্ত্রী দুজনে একসঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মৃত্যুর আলামতে সেই ধরন স্পষ্ট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category