• শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ভোটারদের আস্থা ফেরাতে ১ লাখ সেনা মোতায়েন, টহল চলবে কেন্দ্রের আঙিনায় ইসলামাবাদে জুমার নামাজ চলাকালে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: নিহত ১৫, বাড়ছে হতাহত ক্ষমতায় গেলে বিচার ব্যবস্থা সবার জন্য সমান হবে: জামায়াত আমির জাপানের সঙ্গে ঐতিহাসিক ইপিএ স্বাক্ষর: শুল্কমুক্ত সুবিধা পেল ৭,৩৭৯ বাংলাদেশি পণ্য আশুলিয়ায় মরদেহ পোড়ানোর মামলায় সাবেক এমপি সাইফুলের মৃত্যুদণ্ড মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার চড়া মূল্য: ৯ কোটির জেরে আইসিসির ক্ষতি ৬ হাজার কোটি! ৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট এখন দেশে ১৭ ঘণ্টার ব্যবধানে সারাদেশে আরেকটি ভূকম্পন অনুভূত, আফটারশকের শঙ্কা লিবিয়ায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত গাদ্দাফিপুত্র সাইফ আল-ইসলাম ১১ বছরের গৃহকর্মীকে নির্যাতন: বিমানের এমডি সাফিকুরের নিয়োগ বাতিল, দায়িত্বে ড. হুমায়রা

৪০-পার হলে কেন নিজের দিকে আলাদা নজর দেবেন

Reporter Name / ৪০৩ Time View
Update : শনিবার, ২০ মে, ২০২৩

চল্লিশের কোঠায় পা মানে আপনি জীবনের এক নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছেন। এ বয়সে পেশাজীবন, সংসার, সাফল্য তুঙ্গে। তারুণ্যের ছটফটানির দিন শেষ, আপনি স্থির হয়েছেন। গুছিয়ে এনেছেন সবকিছু, আর ঠিক এই সময়ই আকস্মিক হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক) সবকিছু এলোমেলা করে দিতে পারে। বয়স ৪০ পেরোনোর পর থেকেই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। তাই এটা সাবধানতার সময়, নিজের দিকে আলাদা করে নজর দেওয়ার সময়।

১. খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন। তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, ফাস্টফুড, গরু-খাসির মাংস, কলিজা, মগজ, কেক-পেস্ট্রি, কোমল পানীয় ইত্যাদির পরিমাণ সীমিত রাখুন। তাজা শাক-সবজি, ফলমূল, লাল চাল বা লাল আটার তৈরি খাবার, ভুট্টা-যব এবং সালাদ বেশি করে খান। লবণ খাওয়াও কমিয়ে দিন।

২. এতদিন সময় পাননি, এবার হাঁটতে শুরু করুন। বেশি না, প্রতিদিন ৩০ মিনিটই যথেষ্ট। অথবা সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট। হাঁটাহাটি ছাড়াও সাঁতার, সাইকেল চালনা, খেলাধুলা করতে পারেন। মোটকথা, এবার নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের অভ্যাস করুন, তাহলেই সুস্থ-সচল থাকতে পারবেন।

৩. ধূমপান ছাড়ার সিদ্ধান্তটা শুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। মনের জোর থাকলে নিশ্চয়ই পারবেন। পাশাপাশি তামাক, গুল, জর্দা ইত্যাদি সেবনের অভ্যাসও পুরোপুরি বাদ দিন।

৪. পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস সন্ধান করুন। বাবা-মা, ভাইবোন বা রক্ত-সম্পর্কের কারও মধ্যে ৫৫ বছরের কম বয়সি পুরুষ বা ৬৫ বছরের কম বয়সি নারীদের হৃদরোগ বা হার্টঅ্যাটাক হয়ে থাকলে সতর্ক হোন।

৫. নিজের ওজন সম্পর্কে সচেতন হোন। উচ্চতা অনুযায়ী ওজন বজায় রাখুন। কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা জরুরি। রক্তে শর্করা ও চর্বির মাত্রা দেখে নিন। রক্তচাপ মাপুন। সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। হেলা করবেন না।

৬. রাত জাগার অভ্যাস ছাড়ুন। হৃদরোগ এড়াতে সাত-আট ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন ঘুম জরুরি। বিছানায় যাওয়ার আগে রাত জেগে মোবাইল, ফেসবুক, কম্পিউটার বা গেমস নিয়ে ব্যস্ত থাকা উচিত নয়। রাতের খাওয়া ৯টার মধ্যে সেরে নিন।

৭. মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা কমান। বন্ধু-বান্ধব, পরিবার ও স্বজনের সঙ্গে সুন্দর সময় কাটান। ভালো শখের পরিচর্যা করুন। মাঝে-মধ্যে কাজে বিরতি নিয়ে বেড়িয়ে আসুন।

লেখক: অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল, ঢাকা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category