• বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৫৬ অপরাহ্ন

৬১ কোটি ডলার একদিনেই রিজার্ভ কমেছে

Reporter Name / ১৫৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ মে, ২০২৩

চলতি মে মাসের প্রথম ১২ দিনে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে রেমিট্যান্স কিছুটা নিুগতি থাকে। যে কারণে ওই সময়ে রেমিট্যান্স কমেছে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

চলতি মাসে মোট হিসাবে রেমিট্যান্স খুব একটা না বাড়লেও জুনে রেমিট্যান্স বাড়তে পারে। এদিকে বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবারে একদিনের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে ৬১ কোটি ডলার।

আমদানির দেনা পরিশোধ করায় রিজার্ভ কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিট্যান্স বিষয়ক হালনাগাদ এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, মে মাসের শুরু থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১২ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৭৭ কোটি ৩৯ লাখ ডলার। উল্লিখিত সময়ে ব্যাংকিং কার্য দিবস ছিল ৮ দিন। রোজা ও ঈদুল ফিতরের মাসে এপ্রিলে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৮ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। গত বছরের এপ্রিলে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০১ কোটি ডলার। সে তুলনায় রেমিট্যান্স গত মাসে কমেছে সাড়ে ১৬ শতাংশ। মার্চের তুলনায়ও রেমিট্যান্স কম এসেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। চলতি মাসেও কমতে পারে। কারণ ঈদের পর রেমিট্যান্স প্রবাহে নিুগতি থাকে।

এদিকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে মে মাসের শুরুর দিকে ডলারের দাম ১০৭ টাকা থেকে এক টাকা বাড়িয়ে ১০৮ টাকা করেছে। এর সঙ্গে প্রবাসীরা সরকার থেকে প্রণোদনা বাবদ আরও পাচ্ছে আড়াই শতাংশ। সব মিলে রেমিট্যান্সের প্রতি ডলারে প্রবাসীরা পাচ্ছেন ১১০ টাকা ৭০ পয়সা।

এদিকে হুন্ডিতে পাঠালে আরও বেশি দাম পাচ্ছেন। কার্ব মার্কেটে বা হুন্ডিতে প্রতি ডলারের দাম দেওয়া হচ্ছে ১১২ থেকে ১১৩ টাকা। বিদেশে প্রবাসীরা যেসব অঞ্চলে থাকেন ওইসব অঞ্চলে হুন্ডিবাজরা একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন। একই সঙ্গে দেশেও তাদের নেটওয়ার্ক রয়েছে। ফলে হুন্ডিবাজরা দ্রুত দেশে প্রবাসীর আত্মীয়স্বজনের কাছে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছেন।

এদিকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স কমায় দেশে ডলারের ওপর চাপ বাড়ছে। আমদানি ব্যয় মেটাতে রিজার্ভ থেকে ডলারের জোগান বাড়াতে হচ্ছে। এতে রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। মে মাসের শুরুতে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দেনা বাবদ ১১৮ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ ২ হাজার ৯৭৭ কোটি ডলারে নেমে এসেছিল।

বিশ্বব্যাংক থেকে বাজেট সহায়তা বাবদ আবার ৫০ কোটি ৭০ লাখ ডলার ছাড় হলে রিজার্ভ বেড়ে ৩ হাজার ৯৬ কোটি ডলারে ওঠে। তা আবার কমে ৩ হাজার ৩৫ কোটি ডলারে নেমে যায়। এক দিনের ব্যবধানে রিজার্ভ কমে যায় ৬১ কোটি ডলার। আশঙ্কা করা হচ্ছে, রেমিট্যান্স প্রবাহ এভাবে কমতে থাকলে রিজার্ভ অচিরেই আবার ২৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে আসতে পারে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category