বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও দায়মুক্তির এক প্রাতিষ্ঠানিক প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ বা অলস বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভাড়া। চুক্তির মারপ্যাঁচে আপাত-নিয়মতান্ত্রিক আইনি রূপ দেওয়া হলেও, অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা শুরু থেকেই
বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে এক চরম ও নজিরবিহীন তথ্য জালিয়াতির ঘটনা উন্মোচন হয়েছে। বেসরকারি খাতের এনআরবিসি (নন-রেসিডেনসিয়াল বাংলাদেশি কমার্শিয়াল) ব্যাংক তাদের হাজার কোটি টাকার ভয়াবহ লুটপাট, জালিয়াতি এবং অনিয়ম ধামাচাপা দিতে
তীব্র তারল্যসংকটে পড়া বেসরকারি খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-কে সংকট কাটিয়ে উঠতে আরও ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ সোমবার (১৫ জুন) ইসলামী
দেশের দরিদ্র, অতি-দরিদ্র এবং নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর মৌলিক সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতি বছর জাতীয় বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী (Social Safety Net) খাতে একটি বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়।
ভয়াবহ মূল্যস্ফীতির বাজারে দেশের লাখো মধ্যবিত্ত পরিবার, অসহায় বিধবা, গৃহিণী এবং অর্ধকোটিরও বেশি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ও পেনশনভোগীদের আয়ের প্রধান উৎসে বড় আঘাত হেনেছে সরকার। প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সঞ্চয়পত্রের
নেপাল থেকে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা আর সম্ভব হচ্ছে না। ভারতের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ট্রানজিট বা করিডোর অনুমোদন না মেলায় আগামী ১৫ই
জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেড বরাবরই নিজেদের লাভজনক প্রমাণ করতে কৃত্রিম মুনাফার খতিয়ান দেখায়। কিন্তু আড়ালে ঢাকা পড়ে থাকে তাদের পর্বতসম দেনার হিসাব। সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সংস্থাটি ২