বাংলাদেশে বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব এক চরম উদ্বেগজনক ও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি এখন আর সাধারণ প্রাদুর্ভাবের পর্যায়ে নেই, বরং এটি স্পষ্টতই মহামারির রূপ নিয়েছে। চলতি বছরের read more
দেশে শিশুদের অন্ধত্ব দূরীকরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার ‘ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন’ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী বছরে দুবার এই ক্যাম্পেইন হওয়ার
বাংলাদেশে শিশুদের সুরক্ষায় দেশব্যাপী হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অনেক অভিভাবকের মনেই একটি সাধারণ প্রশ্ন জাগছে—যেসব শিশু ইতোমধ্যেই এই টিকার দুটি ডোজ নিয়ে ফেলেছে, তাদের কেন আবারও
দেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ছে হাম। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগজনক তথ্য
সারাদেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব। কিন্তু এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও রোগ শনাক্তকরণের পুরো প্রক্রিয়াটি আটকে আছে মাত্র একটি ল্যাবে। ঢাকার জাতীয় জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের (IPH) ওপর পুরো দেশের নির্ভরতা একদিকে
দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব ক্রমশ মহামারির রূপ নিচ্ছে। রাজধানীসহ সারা দেশে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে এই অতি সংক্রামক রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। হঠাৎ রোগীর চাপে হাসপাতালগুলো চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। বিশেষ করে,
বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) বিশ্বজুড়ে একটি সফল মডেল হিসেবে বিবেচিত হলেও, বর্তমানে তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। কেন্দ্রীয় গুদামে ১০টি রোগ প্রতিরোধের টিকার মজুত সম্পূর্ণ শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।
রাজশাহী অঞ্চলে শিশুদের মধ্যে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে হামের প্রকোপ। চলতি মার্চ মাসে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অন্তত ১২ জন শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।