• মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা: চরম উৎকণ্ঠায় ৮০ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি, সতর্ক অবস্থানে সরকার মধ্যপ্রাচ্যের ১৪ দেশ ছাড়ার চূড়ান্ত আল্টিমেটাম: মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রতিবেশী হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান ও শফিকুর রহমান! হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি হাহাকার ও রেকর্ড স্বর্ণের দাম মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপ খেলার মাঠে: পাকিস্তান-ইংল্যান্ড ওয়ানডে বাতিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেতৃত্বে বসা শুধু প্রশাসনিক দক্ষতা নয়; অর্থনৈতিক প্রজ্ঞা ও নৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা প্রয়োজন। বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন গতি: বিশেষ ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ করছে সরকার পাক-আফগান যুদ্ধ: নেপথ্যে যে কারণ এনসিপির এক বছর ন্যাশনাল ব্যাংককে আরও ১০০০ কোটি টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

আবারও দেশের মূল্যস্ফীতি বেড়েছে

Reporter Name / ১৯০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

আবারও দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতিও বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ০৮ শতাংশ।
তবে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে হয়েছে ৯ দশমিক ০৮ শতাংশ, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ।
রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কঞ্জুমার প্রাইস ইনডেক্স প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, কয়েক মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ওঠানামার মধ্যে আছে। তবে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ঘরেই ঘোরাফেরা করছে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছিল ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ।
বিবিএস বলছে, গত নভেম্বর মাসে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম। দুই-তিন বছর ধরে অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সুদের হার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়। এনবিআরও তেল, আলু, পেঁয়াজ, ডিমসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যে শুল্ককর কমিয়ে দেয়। বাজারে নিত্যপণ্যের আমদানি প্রবাহ ঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এসব কার্যক্রমের তেমন প্রভাব পড়ছে না মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে।
বিবিএসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নভেম্বর মাসে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ। এই মাসে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ২৭ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এছাড়া খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে হয়েছে ৯ দশমিক ২৪ শতাংশ, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ।
এদিকে শহরে নভেম্বর মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৬১ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এছাড়া খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category