বিদেশ থেকে বেশি দামে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করা হলেও এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব সাধারণ ভোক্তাদের ওপর পড়বে না বলে আশ্বস্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে read more
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বমুখী দামে যখন দেশের সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম, ঠিক তখনই ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে এল বাসভাড়া বৃদ্ধির নতুন ঘোষণা। বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় এবং দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির
চলতি বৈশাখের শুরু থেকেই যেন আকাশ থেকে আগুন ঝরছে। মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহের কারণে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্তত ২০টি জেলার জনজীবন রীতিমতো ওষ্ঠাগত। আর প্রকৃতির এই রুদ্ররোষের সাথে পাল্লা দিয়ে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে শুরু করে রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকাগুলোর চিত্র এখন অনেকটাই এক। পেট্রোল পাম্পগুলোর সামনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি, চালকদের চোখেমুখে ক্লান্তির ছাপ আর দীর্ঘ অপেক্ষার পর ‘তেল নেই’ বা ‘সামান্য
প্রবাদ আছে, অঢেল ধনেও অঢেল মন থাকে না, আর শূন্য থলেতে তো ধুলো বাজে না! বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতির হালচাল যেন ঠিক এই শূন্য থলেটির মতোই। বাইরে থেকে রাষ্ট্রের জৌলুস যতই
গ্যাস ও জ্বালানি তেলের দামের আগুনে এমনিতেই পুড়ছে সাধারণ মানুষ। এর মধ্যেই নতুন দুঃসংবাদ হয়ে আসছে বিদ্যুতের বাড়তি বিল। ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর
একদিকে তীব্র তাপপ্রবাহের দাবদাহ, অন্যদিকে ভয়াবহ লোডশেডিং এবং দেশব্যাপী এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা তীব্র জ্বালানি সংকট—সব মিলিয়ে দেশের কৃষি খাতে এক নজিরবিহীন বিপর্যয় নেমে এসেছে। বিশেষ করে চলতি