• সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জাতিসংঘের বৈশ্বিক এআই উপদেষ্টা পরিষদ গঠন বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ম্যাচ কবে, কখন, কোথায় নুরের ওপর হামলা: পুলিশের ভূমিকা তদন্তে কমিটি করছে ডিএমপি সংস্কার না হলে নূরের পরিণতি আমাদের জন্যও অপেক্ষা করছে: হাসনাত ফিলিস্তিনি নেতাদের জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদান আটকে দিলো যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে নুরকে বিদেশে পাঠানো হবে আট উপদেষ্টা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ভজঘট অথবা, আট উপদেষ্টা দুর্নীতির বিষয়টি থেকে গেল নিস্পত্তিহীন। ডাকসুতে সংসদ নির্বাচনের রিহার্সাল না অন্য কিছু অথবা দাবি আদায়ের নামে জনদুর্ভোগ। ‘মব ভায়োলেন্স’ থামাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় সেনাবাহিনী: আইএসপিআর এবার আটা-ময়দা-ডালের দামও বাড়লো

মারা গেছেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি ক্রিকেটার

Reporter Name / ১২ Time View
Update : রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক ও দেশটির প্রথম পূর্ণ মেয়াদের কোচ বব সিম্পসন সিডনিতে ৮৯ বছর বয়সে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের ইতিহাসে বিশাল প্রভাব রেখেছেন সিম্পসন। ১৯৫৭ থেকে ১৯৭৮ পর্যন্ত তিনি খেলেছেন ৬২টি টেস্ট, যেখানে ৪৬.৮১ গড়ে করেছেন ৪ হাজার ৮৬৯ রান এবং নিয়েছেন ৭১ উইকেট। ছিলেন একজন দুর্দান্ত স্লিপ ফিল্ডার, তার নামের পাশে আছে ১১০টি ক্যাচ। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি তিনি লেগ স্পিনও করতেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার রান ছিল ২১,০২৯ এবং উইকেট ৩৪৯টি।

১৯৬৮ সালে প্রথম অবসর নেয়ার আগে ১১ বছরে ৫০টি টেস্ট খেলেন, যার মধ্যে ২৯টি ম্যাচেই তিনি অধিনায়ক ছিলেন। তবে সিম্পসন অবসরের পর ১৯৭৭ সালে ৪১ বছর বয়সে পুনরায় টেস্ট দলে ফেরেন। তখন ভারতের বিপক্ষে ঘরোয়া সিরিজ ও পূর্ণশক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অ্যাওয়ে সিরিজে দলকে নেতৃত্ব দেন। মোট ৩৯টি টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সিম্পসন।

টেস্ট ক্রিকেটে সিম্পসনের ১০টি সেঞ্চুরির সবগুলোই অধিনায়ক হিসেবে এসেছে। ১৯৬৪ সালে ম্যানচেস্টারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা তার ৩১১ রানের ইনিংস ছিল ক্যারিয়ারের সেরা। অধিনায়ক হিসেবে সিম্পসনের ব্যাটিং গড় ছিল ৫৪.০৭।

একজন খেলোয়াড় হিসেবে দারুণ সাফল্যের পর, কোচ হিসেবেও সিম্পসন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯৮৬ সালে কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং অধিনায়ক অ্যালান বোর্ডারের সঙ্গে মিলে তিনি নতুন একটি সংস্কৃতি তৈরি করেন। তার কোচিংয়ে ডেভিড বুন, ডিন জোন্স, স্টিভ ওয়াহ, ক্রেইগ ম্যাকডারমট, মার্ভ হিউজদের মতো খেলোয়াড়েরা উঠে আসেন। সিম্পসনের সময়েই শুরু হয় অস্ট্রেলিয়ার সোনালি যুগ।

১৯৮৭ সালে কোচ হিসেবে তার অধীনেই অস্ট্রেলিয়া প্রথম বিশ্বকাপ জেতে এবং পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে অ্যাশেজ ফিরে পায়। এছাড়া তার কোচিংয়েই ১৯৯৫ সালে টেস্টে বিশ্ব এক নম্বর দল হয়ে ওঠে অস্ট্রেলিয়া। শেন ওয়ার্ন, রিকি পন্টিংসহ অনেক তারকাই বলেছেন, সিম্পসনের অনেক বড় প্রভাব  ছিল তাদের ক্যারিয়ারে।

কোচ হিসেবে তার কর্মজীবন ১৯৯৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার কোচ হিসেবে শেষ হয়। এরপর তিনি ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেট, ভারতের রঞ্জি ট্রফিতে রাজস্থান দলের কোচ হিসেবে কাজ করেছেন, এমনকি নেদারল্যান্ডসের কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন। তার হাত ধরেই নেদারল্যান্ডস ২০০৭ বিশ্বকাপে অংশ নেয়। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের পরামর্শক ছিলেন সিম্পসন।

সিম্পসন ১৯৭৮ সালে অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়ার সদস্যপদ পান এবং ২০০৭ সালে সেটি উন্নীত হয়ে অফিসার অব দ্য অর্ডারে পরিণত হয়। ১৯৬৫ সালে তিনি উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন এবং আইসিসি ও অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট হল অব ফেমে স্থান পেয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category