ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের ঐতিহাসিক ও তীর্থশহর উজ্জয়িনীতে বর্তমানে নগর উন্নয়ন এবং প্রাচীন ঐতিহ্যের মধ্যে এক গভীর দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছে। আগামী ২০২৮ সালে অনুষ্ঠিতব্য হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় জমায়েত সিংহস্থ কুম্ভ মেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ব্যাপক উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা প্রশস্ত করার মেগা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি প্রাচীন ধর্মীয় স্থাপনার ওপর। উজ্জয়িনী মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন রাস্তা চওড়া করার জন্য ৬০০ বছরেরও বেশি পুরোনো ঐতিহাসিক শাহি মসজিদের একাংশ ভেঙে ফেলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায় এই প্রাচীন মসজিদটিকে রক্ষার জন্য একজোট হয়েছেন এবং তারা প্রশাসনের এই উচ্ছেদ অভিযানের বিরুদ্ধে তীব্র ও অহিংস প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।
পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে গত রোববার মধ্যরাতে। স্থানীয় প্রশাসন বিপুলসংখ্যক পুলিশ বাহিনী এবং বুলডোজার নিয়ে শাহি মসজিদ এলাকায় উপস্থিত হয়, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল মসজিদের নির্ধারিত অংশটি রাতের অন্ধকারেই গুঁড়িয়ে দেওয়া। কিন্তু প্রশাসনের এই আকস্মিক পদক্ষেপের খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ দলে দলে মসজিদের ভেতরে এবং আশপাশে জড়ো হতে শুরু করেন। তারা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে এই উচ্ছেদ অভিযান ঠেকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং স্থাপনাটি রক্ষার্থে আবালবৃদ্ধবনিতা অনেকেই সারা রাত মসজিদের ভেতরেই অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নেন। যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং প্রস্তাবিত উচ্ছেদ কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় পুলিশের বেশ কয়েকটি কোম্পানিকে ওই এলাকায় মোতায়েন করা হয়। ফলে পুরো এলাকায় এক থমথমে, স্নায়ুক্ষয়ী ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
উজ্জয়িনী মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী ২০২৮ সালের সিংহস্থ কুম্ভ মেলার সময় দেশ-বিদেশ থেকে কোটি কোটি ভক্ত ও পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটবে এই শহরে। এই বিশাল জনস্রোত সামলাতে এবং শাহি সওয়ারি ও পেশওয়াইয়ের মতো ধর্মীয় মেগা অনুষ্ঠানগুলোর সময় যানজটমুক্ত ও নির্বিঘ্ন চলাচলের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট রাস্তাটিকে অন্তত ১৫ মিটার পর্যন্ত প্রশস্ত করা অত্যন্ত জরুরি। প্রস্তাবিত এই ১৫ মিটার সীমানার মধ্যে ঐতিহাসিক শাহি মসজিদের একটি অংশ পড়ে যাওয়ায়, কর্পোরেশন বাধ্য হয়েই সেই অংশটুকু ভেঙে ফেলার নোটিশ দিয়েছে। প্রশাসনের যুক্তি হলো, বৃহত্তর জনস্বার্থ, উন্নত নাগরিক সুবিধা প্রদান এবং শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সার্বিক উন্নয়নের জন্যই এই কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য। বিশেষ করে মসজিদটি মহাকালেশ্বর মন্দিরের প্রায় মুখোমুখি এবং শিপ্রা নদীর কাছাকাছি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও যানজটপূর্ণ স্থানে অবস্থিত হওয়ায়, এই রাস্তাটির প্রশস্তকরণ প্রকল্প শহরের মেগা প্ল্যানের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
অন্যদিকে, স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায় এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যরা প্রশাসনের এই কাঠামোগত যুক্তির সঙ্গে সম্পূর্ণ ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তাদের দাবি, রাস্তা প্রশস্ত করার এই প্রক্রিয়ায় শহরের প্রাচীন ধর্মীয় স্থাপনাগুলোকে সম্পূর্ণভাবে বাদ রাখা উচিত। স্থানীয় বাসিন্দারা একটি অত্যন্ত যৌক্তিক প্রশ্ন তুলেছেন যে, রাস্তা চওড়া করার জন্য কেন কেবল মসজিদের অংশকেই বেছে নেওয়া হচ্ছে, যখন মসজিদের ঠিক উল্টো দিকে থাকা অন্যান্য সাধারণ ভবন বা স্থাপনাগুলো সরিয়েও এই রাস্তার সম্প্রসারণ কাজ অনায়াসেই সম্পন্ন করা যেতে পারে। শাহি মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ ইব্রাহিম এই প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, উজ্জয়িনী একটি পবিত্র ধর্মীয় শহর, আর তাই এখানকার কোনো ধর্মীয় স্থানই ভেঙে ফেলা বা ক্ষতিগ্রস্ত করা উচিত নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ধর্মীয় স্থানগুলোর পবিত্রতা ও অখণ্ডতা বজায় রেখেই নগর উন্নয়নের কাজ বা রাস্তা সম্প্রসারণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব এবং প্রশাসনকে সেই বিকল্প পথই বেছে নিতে হবে।
ইমাম মোহাম্মদ ইব্রাহিম মসজিদটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জানান যে, এটি কোনো সাধারণ বা নবনির্মিত স্থাপনা নয়, বরং এর নির্মাণকাল ১৩৯০ সাল, যার অর্থ মসজিদটির বয়স বর্তমানে ৬৩৬ বছর। তিনি উল্লেখ করেন যে, এর আগে বিভিন্ন সময়ে এই শহরে রাস্তা চওড়া করার কাজ হলেও অতীত প্রশাসনগুলো কখনোই কোনো প্রাচীন ধর্মীয় স্থাপনাগুলোতে হাত দেয়নি। ইমাম আরও জানান যে, নগর উন্নয়নের স্বার্থে তারা ইতিপূর্বে অনেক ছাড় দিয়েছেন। ইসলামী শরীয়তের বিধান মেনে তারা ইতোমধ্যে মসজিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু দোকানপাট এবং অন্যান্য জায়গা ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু এখন মূল মসজিদের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় তারা আর কোনোভাবেই পিছিয়ে আসতে রাজি নন। আবেদনকারীদের মতে, এই উচ্ছেদ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে মসজিদের মূল নামাজকক্ষের একটি বড় অংশ, ১২০ ফুট উঁচু একটি ঐতিহাসিক মিনার এবং মাযহার চক শাহি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যা তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হানবে।
মাঠপর্যায়ে স্থানীয়দের চরম বাধার সম্মুখীন হয়ে পুলিশ ও প্রশাসন আপাতত বলপ্রয়োগের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত রেখেছে এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজছে। উজ্জয়িনীর পুলিশ সুপার প্রদীপ শর্মা সংবাদমাধ্যম দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন যে, পুলিশ প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে মসজিদ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্নভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। শর্মা জানান, তারা মসজিদ কমিটিকে এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার আইনি দিকগুলো এবং আদালতের নির্দেশনার বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বোঝানোর চেষ্টা করছেন। প্রশাসনের বর্তমান লক্ষ্য হলো, বলপ্রয়োগ না করে আলোচনার মাধ্যমে স্থানীয়দের এমনভাবে রাজি করানো, যাতে তারা নিজেরাই স্বেচ্ছায় রাস্তার সীমানায় পড়া স্থাপনাটির অংশবিশেষ সরিয়ে নেন। পুলিশ ও প্রশাসন সব ধরনের সংঘাত এড়িয়ে একটি আইনি সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এই মসজিদ রক্ষার আন্দোলন কেবল রাজপথেই সীমাবদ্ধ নেই, এটি ইতোমধ্যে গড়িয়েছে উচ্চ আদালত পর্যন্ত। গত ৯ সেপ্টেম্বর মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট মসজিদটির উচ্ছেদ ঠেকাতে দায়ের করা দুটি পৃথক পিটিশন খারিজ করে দেয়, যা বর্তমান উত্তেজনার মূল সূত্রপাত ঘটায়। ওই পিটিশনগুলোতে আবেদনকারীরা অভিযোগ করেছিলেন যে, এই উচ্ছেদের ফলে ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪, ২৫ এবং ২৬ সরাসরি লঙ্ঘিত হবে, যা দেশের নাগরিকদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমতার অধিকার নিশ্চিত করে। এছাড়া অনুচ্ছেদ ৩০০এ-এর অধীনে তাদের বৈধ সম্পত্তির অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার বিষয়টিকেও আদালতে জোরালোভাবে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, এই শাহি মসজিদটি ওয়াকফ বোর্ডের একটি নিবন্ধিত সম্পত্তি হিসেবে সরকারিভাবে তালিকাভুক্ত। কিন্তু আদালত তার পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন তাদের আইনগত প্রক্রিয়া মেনেই কাজ করেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে তাদের আপত্তি জানানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় ও আইনি সুযোগ প্রদান করা হয়েছে।
মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট তার পূর্ববর্তী রায়ে রাস্তা সম্প্রসারণ প্রকল্পের বৃহত্তর উদ্দেশ্যটিকে গভীরভাবে বিবেচনায় নিয়েছিল। আদালত কর্পোরেশনের এই যুক্তির সঙ্গে একমত পোষণ করে যে, ২০২৮ সালের সিংহস্থ মেলার সময় কোটি কোটি মানুষের সমাগম হবে এবং সেই বিপুল ভিড়, জননিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বিশাল চাহিদার কথা মাথায় রেখে রাস্তা প্রশস্তকরণের কোনো বিকল্প নেই। বৃহত্তর জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনা করেই আদালত উচ্ছেদ কার্যক্রমের পক্ষে রায় দিয়েছিল। কিন্তু আদালতের সেই একক বেঞ্চের আদেশ মাঠপর্যায়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ প্রশমিত করতে বা বিরোধের চূড়ান্ত অবসান ঘটাতে পারেনি। এর ফলে মসজিদ কমিটি হাল না ছেড়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। তারা হাইকোর্টের একটি বৃহত্তর বা দ্বৈত বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়ে নতুন করে পিটিশন দায়ের করেছে। সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর এই পিটিশনের ওপর হাইকোর্টে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। স্থানীয় মুসলিম রিপ্রেজেন্টেটিভ কমিটির সদস্য মোহাম্মদ জাকির দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন যে, তারা এই মসজিদ রক্ষায় বদ্ধপরিকর এবং যদি হাইকোর্ট থেকে তারা কাঙ্ক্ষিত আইনি প্রতিকার না পান, তবে তারা ন্যায়বিচারের আশায় ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন।
এদিকে, ধর্মীয় স্থাপনা উচ্ছেদের এই স্পর্শকাতর ঘটনাটি জাতীয় রাজনীতিতেও ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম) দলের প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি এই ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের এই প্রতিরোধকে ‘গান্ধীবাদী উপায়ে’ অহিংস প্রতিবাদ হিসেবে আখ্যায়িত করে তাদের অবস্থানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। ওয়াইসি জোর দিয়ে বলেন যে, কোনো আইনি বা উন্নয়নমূলক অজুহাতে মসজিদ বা অন্য কোনো ধর্মের প্রাচীন সম্পত্তিকে এভাবে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তিনি আরও একটি গুরুতর রাজনৈতিক অভিযোগ উত্থাপন করে বলেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে ওয়াকফ আইন সংশোধন করে জেলা কালেক্টর ও রাজ্য সরকারগুলোকে যে অসীম ও নিরঙ্কুশ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, তার পেছনে একটি সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য কাজ করছে। তার মতে, এই ক্ষমতার অপব্যবহার করেই মূলত মুসলিম সম্প্রদায়ের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ওয়াকফ সম্পত্তি যেমন মসজিদ, দরগাহ, খানকাহ, কবরস্থান এবং ঈদগাহগুলোর ওপর থেকে সম্প্রদায়ের নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নিয়ে তা সরকারি কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার একটি পরিকল্পিত চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
পরিশেষে, উজ্জয়িনীর এই শাহি মসজিদ ইস্যুটি এখন কেবল একটি রাস্তা প্রশস্তকরণ প্রকল্পের মধ্যে আর সীমাবদ্ধ নেই; এটি একইসঙ্গে ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ, আধুনিক নগর উন্নয়ন, সাংবিধানিক অধিকার এবং বৃহত্তর জনস্বার্থের মতো অত্যন্ত জটিল বিষয়গুলোর একটি অভিকেন্দ্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। একদিকে প্রশাসন যেমন শহরের যানজট নিরসন এবং আগত কোটি কোটি পুণ্যার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাস্তা চওড়া করাকে নিজেদের অবশ্য পালনীয় প্রশাসনিক দায়িত্ব বলে মনে করছে, অন্যদিকে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায় শত শত বছরের প্রাচীন ধর্মীয় স্থাপনা এবং তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতীককে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করাকে নিজেদের পবিত্র কর্তব্য বলে বিশ্বাস করছে। এখন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের দৃষ্টি নিবদ্ধ রয়েছে উচ্চ আদালতের আসন্ন শুনানির দিকে, যার আইনি রায়ের ওপর ভিত্তি করেই হয়তো নির্ধারিত হবে উজ্জয়িনীর এই ৬০০ বছরের প্রাচীন ঐতিহাসিক শাহি মসজিদের চূড়ান্ত ভবিষ্যৎ।