• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
Headline
২০৩৪ সালের মধ্যে অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে হবে : ববি হাজ্জাজ ঢাকার সব ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক ধারাবাহিক চীন সফর দুদেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেবে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ১২ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা একা বহন করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়: আইনমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের কারণেই বর্তমানে বিদ্যুৎ সংকট: চিফ হুইপ নিউমুরিং টার্মিনাল চুক্তিকে দেশ বিক্রির সঙ্গে তুলনা ভিত্তিহীন: বাণিজ্যমন্ত্রী ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: অনিন্দ্য ইসলাম বিদেশি কোম্পানির হাতে টার্মিনাল ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্ন নতুন খেলাপি আতঙ্কে হাত গুটিয়ে ব্যাংক খাত নতুন আলোচনা রিকনসিলিয়েশন

ধারাবাহিক চীন সফর দুদেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেবে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

Reporter Name / ২ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও গভীর ও জনকল্যাণমুখী করতে পারস্পরিক যোগাযোগ, আস্থা ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি দলের এবারের চীন সফর দুদেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) চীনা দূতাবাস আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সফরপূর্ব সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এটি দ্বিতীয় প্রতিনিধি দলের চীন সফর। সফরটি শুধু আনুষ্ঠানিক বৈঠকের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে চীনের সরকারি কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে দেশটির উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বোঝার চেষ্টা করতে হবে।

তিনি বলেন, আপনারা ১৮ কোটি মানুষের প্রতিনিধি। চীনকে শুধু আনুষ্ঠানিক বৈঠকের মাধ্যমে দেখলে হবে না। তাদের সংস্কৃতি, প্রতিষ্ঠান ও মানুষের সঙ্গে পরিচিত গতে হবে। কীভাবে চীন এত বড় অর্থনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তর ঘটিয়েছে, তা বোঝার চেষ্টা করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, চীনের কাছ থেকে বাংলাদেশের শেখার বড় জায়গা হলো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন, প্রযুক্তির ব্যবহার, উদ্ভাবন এবং পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন। বর্তমানে বৈশ্বিক উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ চীনে হওয়ায় দেশটির উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হতে পারে।

মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সূচনা হয়। সময়ের সঙ্গে এ সম্পর্ক আরও বিস্তৃত ও গভীর হয়েছে এবং বর্তমানে তা সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বে উন্নীত হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশও বর্তমানে অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক রূপান্তরের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনা, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প গড়ে তোলা এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে চীনের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ উপকৃত হতে পারে।

দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ আরও সহজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য চীনের ই-ভিসা ব্যবস্থা চালু, দুই দেশের উদ্যোক্তাদের জন্য সালিশি সহায়তা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে আগ্রহী। দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা ভবিষ্যতে জনগণের জন্য আরও বেশি সুফল বয়ে আনবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

চীনা দূতাবাস আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category