• রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
Headline
প্রশাসনে বড় রদবদল: ১১ অধিদপ্তর-সংস্থায় নতুন ডিজি, ৩ কর্তৃপক্ষে চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের ১০ম বৈঠক অনুষ্ঠিত: ৭ হাজার কোটি টাকার ১৭ প্রকল্প উপস্থাপন স্বস্তির বৃষ্টি শুরু বিভিন্ন স্থানে: বিকেলে ঢাকায়ও বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপপ্রবাহ এপ্রিলের শেষ নাগাদ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১৯৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: স্বস্তির আশা প্রচণ্ড গরমে স্কুলগামী শিশুদের টিফিনে কী দেবেন? জেনে নিন পুষ্টিবিদের পরামর্শ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলনের ইন্তেকাল এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে সন্তুষ্ট সরকার: ডিসেম্বরের মধ্যেই সব পাবলিক পরীক্ষা শেষের পরিকল্পনা সাগর-রুনি হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে আরও ৬ মাস সময় দিল হাইকোর্ট মহান মুক্তিযুদ্ধের চিত্রধারক ও প্রখ্যাত আলোকচিত্রী রঘু রাই আর নেই সেমিফাইনালে শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ, নিশ্চিত হলো ব্রোঞ্জ পদক

গর্ভবতী মায়েরা রোজার সময় যা করবেন

Reporter Name / ১৭৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫

রমজান মাসে রোজা রাখা মুসলমানদের জন্য ফরজ। তবে অসুস্থ বা সফররত অবস্থায় রোজা না-রাখার ব্যাপারেও ইসলামে বলা আছে। এছাড়া ছুটে যাওয়া রোজাগুলো পরে রাখার বিধানও রয়েছে।

গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রেও এমন একটা নির্দেশনা আছে। রোজার সময় গর্ভবতী নারী না-খেয়ে থাকার কারণে পেটের সন্তান বা মায়ের ক্ষতি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে গর্ভবতী নারীরা রমজানে রোজা না-রেখে পরে রেখে নিতে পারবেন। তবে যারা সুস্থ আছেন তারা চাইলে রোজা রাখতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে রোজার সময় গর্ভবতী মায়েদের বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়।

এ বিষয়ে যুগান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন টিবি হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার।

ডা. আয়েশা আক্তার বলেন, যারা গর্ভবতী মা আছেন, তাদের ক্ষেত্রে বলব- রোজাটা পরেই রাখা ভালো। তবে যারা মোটামুটি সুস্থ আছেন তারা কিন্তু চাইলে রোজা রাখতে পারেন। ইসলামে বলাই আছে গর্ভবতী অবস্থায় কেউ যদি রোজা রাখতে না পারেন তাহলে সেটা পরে রাখলেও হবে। আর যারা রাখতে চাচ্ছেন তারা আলাদা করে প্রেগন্যান্সিকে ৩ মাস করে ভাগ করে নেবেন। প্রথম তিন মাস, মাঝখানে ও শেষের তিন মাস- এইভাবে ভাগ করে নেবেন। সেক্ষেত্রে শুরুতে অনেকেই আছেন যারা একদমই খেতে পারছেন না। অনেক বেশি বমি হচ্ছে তাহলে রোজা না রাখাটাই ভালো।

তিনি বলেন, যারা সুস্থ আছেন, এ ধরনের কোনো সমস্যা নেই তারা রোজা রাখতে পারেন। সেক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে, ইফতার থেকে সেহরির মধ্যের সময়টায় অবশ্যই প্রচুর পরিমাণ পানি ও প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন- দুধ, ডিম, টক দই, চিড়া, সামুদ্রিক মাছ এগুলো খাবার তালিকায় রাখতে হবে। এ সময় গর্ভবতী মায়েদের কায়িক পরিশ্রম একদমই করা যাবে। যেমন- যে কাজগুলো করলে ঘেমে যেতে হয়, ভারি কোনো কিছু ওঠানো বা নামানো; এমন কাজ করা যাবে না।

তিনি বলেন, কেননা, একটা বাচ্চার ওজন বৃদ্ধি বা শারীরিক গঠন নির্ভর করবে মায়ের ওপর। রোজা রাখা অবস্থায় গর্ভবতী মা যদি ইফতার বা সেহরিতে খেতে না পারেন তাহলে এই প্রভাবটা বাচ্চার ওপর পরবে। এক্ষেত্রে বাচ্চার ওজনটা কমে যাবে এবং অপরিণত বাচ্চার জন্ম হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category