• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন
Headline
প্রশাসনে রদবদল: (৪ অক্টোবর-২২ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত ) ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে মানুষ নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়ার কাছে খাদ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব সরকারের প্রস্তুতি আছে বলেই আইজিপি ক্রসফায়ারের কথা বলেছেন: আখতার ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ পাঁচজনকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ সাগর-রুনি হত্যা মামলায় জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সংশ্লিষ্টতার তথ্য সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২০ জানুয়ারি ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে ৩১ অক্টোবর

শরণার্থী-আশ্রয়হীনদের জন্য গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

Reporter Name / ২৪২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) জানিয়েছে, তারা কিছু শরণার্থী এবং আশ্রয়প্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য গ্রিন কার্ড আবেদন পর্যালোচনা স্থগিত করেছে।

মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস)-এর এই নির্দেশনা অনুমোদিত শরণার্থী এবং অভিবাসন আদালতে সুরক্ষার জন্য আবেদন করে আশ্রয়প্রাপ্তদের ওপর প্রভাব ফেলবে।

ডিএইচএস জানিয়েছে, ‘অতিরিক্ত স্ক্রিনিং’ এর জন্য যারা বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা হতে চান, তাদের আবেদনের প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করা হবে।

ডিএইচএস এক বিবৃতিতে বলেছে, প্রতারণা, জননিরাপত্তা বা জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত উদ্বেগ চিহ্নিত করতে ইউএসসিআইএস নির্দিষ্ট কিছু অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস (স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পরিবর্তন) আবেদন চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত স্ক্রিনিং ও যাচাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সাময়িক বিরতি দিচ্ছে, যা ট্রাম্পের দুটি নির্বাহী আদেশের দিকে ইঙ্গিত করে।

এই নির্বাহী আদেশগুলোর মধ্যে একটিতে প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যতদূর সম্ভব যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক, প্রবেশ করতে চাওয়া বা ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত সমস্ত বিদেশি নাগরিকদের সর্বোচ্চ মাত্রায় যাচাই ও স্ক্রিনিং করতে হবে। বিশেষ করে যেসব অঞ্চল বা দেশ নিরাপত্তা ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে।

এই নির্দেশনার ফলে বিপুল সংখ্যক অভিবাসী প্রভাবিত হতে পারেন, যার মধ্যে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ব্যক্তি থেকে শুরু করে সীমান্তে আশ্রয়ের আবেদন করা ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত।

শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের অবশ্যই প্রমাণ করতে হয় যে তারা জাতি, ধর্ম, বা রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। শরণার্থীরা কেবল কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পান, যখন তারা এখনো বিদেশে অবস্থান করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category