বিশ্বের বড় কোম্পানি (যেমন OpenAI, Google, Anthropic) ইতিমধ্যেই ভিত্তিগত AI মডেল (foundation models) তৈরিতে এগিয়ে গেছে। সেখানে বাংলাদেশের জন্য এআই-তে সুযোগ কোথায়। তবে আমাদের সামনে বড় সুযোগ রয়েছে AI অ্যাপ্লিকেশন ও ইন্টিগ্রেশন নিয়ে কাজ করার।
তিনটি ক্ষেত্রকে মূল ভরসা হিসেবে ধরা হয়েছে:
Software-as-a-Service (SaaS):
ভারত Freshworks-এর মতো কোম্পানি দিয়ে দেখিয়েছে কীভাবে SaaS আন্তর্জাতিকভাবে সফল হতে পারে।
বাংলাদেশ থেকেও EzyCourse-এর মতো স্টার্টআপ প্রমাণ করেছে—আমরাও বৈশ্বিক SaaS বাজারে জায়গা করতে পারি।
গার্মেন্টস, লিগ্যাল সার্ভিস, কাস্টমার সার্ভিস—এসব ডোমেইনে স্থানীয় সমস্যা সমাধানভিত্তিক AI SaaS বানানো সম্ভব।
AI-Integrated Hardware:
Xiaomi বা Tuya’র মতো কোম্পানি দেখিয়েছে কীভাবে স্মার্ট ডিভাইসে AI ব্যবহার করা যায়।
বাংলাদেশের RMG (গার্মেন্টস), কৃষি, হাসপাতাল, রিটেইল—এসব খাতেই AI-চালিত সেন্সর, কম্পিউটার ভিশন ও IoT ডিভাইস দিয়ে বিশাল পরিবর্তন আনা সম্ভব।
যেমন—সেলাইয়ের ভুল ধরা, মেশিন ভেঙে যাওয়ার আগে পূর্বাভাস, ঠান্ডা সংরক্ষণাগারে খাদ্য মান পর্যবেক্ষণ।
Enterprise Adoption:
ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাগুলো এখনো কাগজ নির্ভর। AI গ্রহণ করলে তাদের উৎপাদনশীলতা অনেক বাড়বে।
উদাহরণ: AI-ভিত্তিক ইনভেন্টরি সিস্টেমে স্টকআউট কমবে, সাপ্লাই চেইন ফোরকাস্টে ক্ষতি কমবে, কাস্টমার সার্ভিসে দক্ষতা বাড়বে।
সরকার ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সমন্বয়ে ব্যাপক প্রয়োগ সম্ভব।
মূল বার্তা:
বাংলাদেশকে এখনই একটি জাতীয় কৌশল নিতে হবে—যাতে সরকার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাত একসাথে SaaS, হার্ডওয়্যার ইন্টিগ্রেশন এবং এন্টারপ্রাইজ এআই এডপশন-এ কাজ করে। আমরা হয় এই ইন্টিগ্রেশন-ক্ষমতা এখন গড়ে তুলব, নইলে অন্যদের তৈরি সমাধান আমদানি করে নির্ভরশীল হয়ে পড়ব।