• সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জাতিসংঘের বৈশ্বিক এআই উপদেষ্টা পরিষদ গঠন বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ম্যাচ কবে, কখন, কোথায় নুরের ওপর হামলা: পুলিশের ভূমিকা তদন্তে কমিটি করছে ডিএমপি সংস্কার না হলে নূরের পরিণতি আমাদের জন্যও অপেক্ষা করছে: হাসনাত ফিলিস্তিনি নেতাদের জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদান আটকে দিলো যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে নুরকে বিদেশে পাঠানো হবে আট উপদেষ্টা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ভজঘট অথবা, আট উপদেষ্টা দুর্নীতির বিষয়টি থেকে গেল নিস্পত্তিহীন। ডাকসুতে সংসদ নির্বাচনের রিহার্সাল না অন্য কিছু অথবা দাবি আদায়ের নামে জনদুর্ভোগ। ‘মব ভায়োলেন্স’ থামাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় সেনাবাহিনী: আইএসপিআর এবার আটা-ময়দা-ডালের দামও বাড়লো

বাংলাদেশের জন্য এআই-তে সুযোগ কোথায়

Reporter Name / ১১ Time View
Update : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫

বিশ্বের বড় কোম্পানি (যেমন OpenAI, Google, Anthropic) ইতিমধ্যেই ভিত্তিগত AI মডেল (foundation models) তৈরিতে এগিয়ে গেছে। সেখানে বাংলাদেশের জন্য এআই-তে সুযোগ কোথায়। তবে আমাদের সামনে বড় সুযোগ রয়েছে AI অ্যাপ্লিকেশন ও ইন্টিগ্রেশন নিয়ে কাজ করার।

তিনটি ক্ষেত্রকে মূল ভরসা হিসেবে ধরা হয়েছে:

  1. Software-as-a-Service (SaaS):

    • ভারত Freshworks-এর মতো কোম্পানি দিয়ে দেখিয়েছে কীভাবে SaaS আন্তর্জাতিকভাবে সফল হতে পারে।

    • বাংলাদেশ থেকেও EzyCourse-এর মতো স্টার্টআপ প্রমাণ করেছে—আমরাও বৈশ্বিক SaaS বাজারে জায়গা করতে পারি।

    • গার্মেন্টস, লিগ্যাল সার্ভিস, কাস্টমার সার্ভিস—এসব ডোমেইনে স্থানীয় সমস্যা সমাধানভিত্তিক AI SaaS বানানো সম্ভব।

  2. AI-Integrated Hardware:

    • Xiaomi বা Tuya’র মতো কোম্পানি দেখিয়েছে কীভাবে স্মার্ট ডিভাইসে AI ব্যবহার করা যায়।

    • বাংলাদেশের RMG (গার্মেন্টস), কৃষি, হাসপাতাল, রিটেইল—এসব খাতেই AI-চালিত সেন্সর, কম্পিউটার ভিশন ও IoT ডিভাইস দিয়ে বিশাল পরিবর্তন আনা সম্ভব।

    • যেমন—সেলাইয়ের ভুল ধরা, মেশিন ভেঙে যাওয়ার আগে পূর্বাভাস, ঠান্ডা সংরক্ষণাগারে খাদ্য মান পর্যবেক্ষণ।

  3. Enterprise Adoption:

    • ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাগুলো এখনো কাগজ নির্ভর। AI গ্রহণ করলে তাদের উৎপাদনশীলতা অনেক বাড়বে।

    • উদাহরণ: AI-ভিত্তিক ইনভেন্টরি সিস্টেমে স্টকআউট কমবে, সাপ্লাই চেইন ফোরকাস্টে ক্ষতি কমবে, কাস্টমার সার্ভিসে দক্ষতা বাড়বে।

    • সরকার ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সমন্বয়ে ব্যাপক প্রয়োগ সম্ভব।

👉 মূল বার্তা:
বাংলাদেশকে এখনই একটি জাতীয় কৌশল নিতে হবে—যাতে সরকার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাত একসাথে SaaS, হার্ডওয়্যার ইন্টিগ্রেশন এবং এন্টারপ্রাইজ এআই এডপশন-এ কাজ করে। আমরা হয় এই ইন্টিগ্রেশন-ক্ষমতা এখন গড়ে তুলব, নইলে অন্যদের তৈরি সমাধান আমদানি করে নির্ভরশীল হয়ে পড়ব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category