• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন
/ মতামত
-রিন্টু আনোয়ার কিসের মধ্যে কী-এর মতো একটা অবস্থা গোটা রাজনীতির পথপরিক্রমায়। আল্লাহ ছাড়া কেউ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঠেকাতে পারে না বলে প্রত্যয় আছে সরকারের দিক থেকে। সমান্তরালে ব্যক্ত করা হয়েছে মহাগণ্ডগোলের read more
-রিন্টু আনোয়ার জেনজি তারুণ্যের আন্দোলনের তোড়ে তছনছ প্রতিবেশী দেশগুলোর  ফ্যাসিস্টরা। এখন পর্যন্ত মুক্ত কেবল ভারত। তবে শঙ্কামুক্ত নয়। ঘুরছে শনির চক্করের মতো প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আধুনিক সংযুক্তিতে বেড়ে ওঠা
-রিন্টু আনোয়ার কেবল তারিখ ঘোষণা ছাড়া নির্বাচনের যাবতীয় আয়োজন শেষ প্রায়। ফেব্রুয়ারিতেই নয়, মধ্য ফেব্রুয়ারিতেও নয়;ভোট হবে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে রোজার আগে। কথা একদম লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার। এ রকম একটা অবস্থায়ও
-রিন্টু আনোয়ার আট উপদেষ্টা বা বড়-ছোট যে কোনো দুর্নীতিতে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকও। প্রতিষ্ঠানটি কী করে, এর কর্তা ব্যক্তিরা কী বলেন- সেদিকে চোখ থাকে মানুষের। দুদক  চেয়ারম্যান ড. আব্দুল
-রিন্টু আনোয়ার জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর পেরোতে না পেরোতেই জন-আকাঙ্ক্ষা যখন মিইয়ে যাচ্ছে,  তখনই গণতন্ত্রের প্রথম পরীক্ষা হিসেবে হাজির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু নির্বাচন। কারো কারো কাছে এটি বাংলাদেশের
-রিন্টু আনোয়ার সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এআইর আগ্রাসনে আক্রান্ত দেশ-সমাজ । মূলধারার গণমাধ্যমকে নাস্তানাবুদ করে মারাত্মক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে উপরোক্ত প্রযুক্তিনির্ভর মাধ্যম দুটি। কিছু একটা বলে বা লিখে
নির্বাচন নিয়ে নানান শঙ্কা প্রকাশ ও দোদুল্যমানতা আর গুজব পেরিয়ে অবশেষে নির্বাচনের নির্ধারিত সময় ঘোষণা করলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার ভাষণ বলেছেন, জুলাই ঘোষণাপত্র এবং
– রিন্টু আনোয়ার অতি আলোচনা ও কচলানিতে  সংস্কার আর জুলাই সনদ ক্রমশই পানসে। ফয়সালা বা বন্দোবস্ত কিছু এটা হচ্ছে। আপাতত তা এড়ানোর সুযোগ নেই কারোই। কিন্তু, এরইমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণ