• রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এক দিকে প্রত্যাবর্তন, অন্য দিকে পতন… ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ, ছাড় পাবেন যারা ৫৯ ঋণখেলাপি ও ‘ব্যাংক ডাকাত’কে মনোনয়ন দিয়ে কীভাবে দুর্নীতি ঠেকাবে বিএনপি: জামায়াত আমির পাবনায় জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে জখম আজ রাত ১২টা থেকে বিকাশ-নগদে ১ হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না আইন ও বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ: এনবিআর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট নেটদুনিয়ায় ঝড় তুলেছে মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিকের ট্রেলার এক ক্লিকেই জেনে নিন ভোটার নম্বর ও কেন্দ্র, ইসির ৪ সহজ পদ্ধতি ইরানের সঙ্গে ‘খুবই ভালো’ আলোচনা হয়েছে, চুক্তি করতে তারা মরিয়া: ট্রাম্প কারাবন্দি অবস্থায় সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যু

ভোটারদের আস্থা ফেরাতে ১ লাখ সেনা মোতায়েন, টহল চলবে কেন্দ্রের আঙিনায়

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এবার নজিরবিহীন নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ভোটারদের আস্থা ফেরাতে এবং ভোটকেন্দ্রে যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবার মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত রয়েছেন প্রায় এক লাখ সেনাসদস্য। বিগত নির্বাচনগুলোর তুলনায় এই সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সেনাসদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন।

সংখ্যা বাড়ল কেন?

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনজুর হোসেন জানান, অতীতের নির্বাচনগুলোতে সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৪২ হাজার সেনাসদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন এবং তারা সাধারণত ভোটকেন্দ্র থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান করতেন। কিন্তু এবারের প্রেক্ষাপট ও কৌশল ভিন্ন। তিনি বলেন, “অনেকের প্রশ্ন, এবার এক লাখ সদস্য কেন মোতায়েন করা হয়েছে? এর মূল কারণ হলো, এবার আমরা ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি পেয়েছি, যা আগের নির্বাচনগুলোতে ছিল না। সাধারণ ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই বাড়তি সেনা মোতায়েন।”

ন্যূনতম সদস্য রেখে সবাই মাঠে

সেনাবাহিনী জানায়, সাধারণ ভোটাররা যেন ভীতিহীন পরিবেশে ভোট দিতে পারেন, সে বিষয়টিকেই এবার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সেনাসদরের এই কর্মকর্তা বলেন, “সেনাবাহিনী প্রধান ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সদস্য দপ্তরে রেখে বাকি সকল সেনাসদস্যকে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে মাঠে নিয়োগ করেছেন। দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে টহল পরিচালনা করা হচ্ছে শুধুমাত্র ভোটারদের আস্থার জায়গাটা ফিরিয়ে আনার জন্য।”

যানবাহন সংকট ও সমাধান

বিপুল সংখ্যক সেনাসদস্যের চলাচলের জন্য নিজস্ব যানবাহনের অপ্রতুলতা থাকলেও তা টহল কার্যক্রমে বাধা হতে দেননি তারা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা অসামরিক প্রশাসনের কাছে গাড়ি চেয়েছি। যখন সেটাও পাওয়া যাচ্ছে না, তখন গাড়ি ভাড়া করে হলেও সেনাসদস্যদের টহল নিশ্চিত করা হচ্ছে।”

উল্লেখ্য, ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় গত ২০ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে এই সেনা মোতায়েন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category