• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন
Headline
লোহিত সাগরের ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ কী বদলে যাচ্ছে? ভাইভায় বিশেষ নম্বরে কাউকে পাশ করানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের: পানিসম্পদমন্ত্রী লংমার্চে উৎসাহিত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ‘ফ্যাসিস্টরা’ মিছিল করছে: পাট প্রতিমন্ত্রী সরকারের ৬ মাসে খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ মেট্রিক টন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫১ শয্যায় উন্নীত হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট সরকারের দুর্নীতির কারণে মানুষ ঠিকমতো বিদ্যুৎ পাচ্ছে না: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাসব্যাপী ইসলামী বইমেলা শুরু আজ তিন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৫ কর্মকর্তাকে বদলি নারীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত ও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে: রুহুল কবির রিজভী কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মুসলিম তালাক আইনকে বৈধ ঘোষণা ভারতীয় আদালতের

Reporter Name / ৪ Time View
Update : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভারতে মুসলিম শরীয়া আইনের অধীনে বিবাহ বিচ্ছেদ পদ্ধতি ‘তালাক- এ-হাসান’ কে বৈধ বলে ঘোষণা দিয়েছে ভারতের একটি আদালত। এ আইন ভারতে নিষিদ্ধ নয় জানিয়ে আজ গতকাল (১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) রায় দিয়েছে আসামের গৌহাটি হাইকোর্ট।

বিচারপতি অরুণ দেব চৌধুরী একটি রিট মামলার শুনানিতে এই পর্যবেক্ষণের কথা জানান। ‘তালাক- এ-হাসান’ পদ্ধতিতে স্বামী পর পর তিন মাসে এক বার করে ‘তালাক’ উচ্চারণ করেন। এ ক্ষেত্রে তালাক দেওয়া ব্যক্তিই মামলায় আবেদনকারী।

মামলার আবেদনকারী জানান, ২০১৬ সালে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু দাম্পত্য কলহের কারণে ২০১৮ সালে স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে যান। সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের জন্য তিনি একাধিকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এরপর আবেদনকারী ২০২৬ সালের ২২ মার্চ, ২৬ এপ্রিল এবং ২৭ মে তিন দফায় ‘তালাক-এ-হাসান’ উচ্চারণ করেন এবং বিবাহ বিচ্ছেদটি নথিভুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানান।

কিন্তু তাতে বাদ সাধে আসাম রাজ্য কর্তৃপক্ষ। তারা আদালতকে জানায় যে, মুসলিম বিবাহ ও বিবাহ বিচ্ছেদ নথিভুক্ত করার ক্ষেত্রে ১৯৩৫ সালের পুরনো আইন ইতিমধ্যেই বাতিল হয়েছে। ফলে ওই আইনের অধীনে নিযুক্ত কর্তৃপক্ষের হাতে এখন আর বিবাহ বিচ্ছেদ নথিভুক্ত করার ক্ষমতা নেই। তবে, ওই বিচারপতি সব দিক বিবেচনা করে তার পর্যবেক্ষণে বলেন, আবেদনকারী যে পদ্ধতিতে ‘তালাক-এ-হাসান’ উচ্চারণ করেছেন, তা বৈধ তালাকের একটি রূপ এবং বর্তমানে দেশে তা নিষিদ্ধ নয়। তবে, ১৯৩৫ সালের আইন বাতিল হয়ে যাওয়া এবং ওই আইনের অধীনে তৈরি পদ বিলুপ্ত হওয়ায়, এর পরিবর্তে আবেদনকারীকে ‘অসম বাধ্যতামূলক মুসলিম বিবাহ ও বিবাহ বিচ্ছেদ নথিভুক্তকরণ আইন, ২০২৪’-এর অধীনে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিবাহ ও বিবাহ বিচ্ছেদ নিবন্ধকের কাছে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

নথিভুক্তির আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলে ১৭ নম্বর ধারার অধীনে আপিল করার সুযোগ থাকবে। আদালত আরও জানায়, নোটিস পাওয়া সত্ত্বেও শুনানিতে উপস্থিত না হওয়া আবেদনকারীর স্ত্রী উপযুক্ত আদালতে ‘তালাক-এ-হাসান’-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category