• বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন
Headline
খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠায় ইউনিয়ন থেকে উপজেলা পর্যন্ত মাঠ তৈরির উদ্যোগ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বাঁধনের ওপর আ.লীগ নেতাকর্মীদের হামলা ঘৃণ্য অপরাধ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আওয়ামী লীগের চ্যাপ্টার ক্লোজ: সারজিস আলম সালমান শাহ হত্যা: জিজ্ঞাসাবাদ কৌশলে জবাব দিচ্ছেন আসামি ডন, কারাগারে প্রেরণ বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চলবে না: হাইকোর্ট দুদক স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় অনুসন্ধান করলে সহযোগিতা করব: আসিফ মাহমুদ অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে কমিশন বদ্ধপরিকর: সিইসি তারেক রহমান বাংলাদেশে তৃণমূলের রাজনীতির সূচনা করেছেন: মঈন খান মাঠ প্রশাসনকে জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক করতে সংস্কার আনছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের ৫ বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ চালিত পানির পাম্প দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী

হাম উপসর্গে আরো ২ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৯৯৯

Reporter Name / ৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশে হামের উপসর্গে আরো দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৯৯। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৯৯ জন ও হামে আক্রান্ত হয়ে ১০০ জন মারা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫৭ জন এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৭৯ জনের। মোট ১ হাজার ২৩৬ জন হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৫৯ জন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৫০ জন হাসপাতাল ছেড়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬১ জনের। এ সময়ের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৯ হাজার ৮৩৫ জনের।

সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে টিকাদানে একসময় বাংলাদেশের সাফল্য বিশ্বজুড়ে ছিল আলোচিত। নিয়মিত টিকাদান, জাতীয় ক্যাম্পেইনের কারণে হামসহ এ ধরনের রোগের বড় প্রাদুর্ভাব এড়ানো যাচ্ছিল। এখন হামের মারাত্মক সংকট দেখা দেয়ার পেছনে মূল কারণ হিসেবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় টিকাদানের ঘাটতিকে চিহ্নিত করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্যে দেখা যায়, ২০০৬ সালের জাতীয় হাম টিকাদান কর্মসূচিতে ৯ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী ৩ কোটি ৪২ লাখ শিশুকে টিকা দেয়ার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছিল। লক্ষ্যমাত্রার ১০০ শতাংশ অর্জিত হয়েছিল। ২০১০ সালে ফলোআপ ক্যাম্পেইনে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী ১ কোটি ৮১ লাখ শিশুকে টিকা দেয়া। সেবারও কাভারেজ ছিল ১০০ শতাংশ। ২০১৪ সালে দেশব্যাপী হাম-রুবেলা কর্মসূচির মাধ্যমে ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী ৫ কোটি ২৭ লাখ শিশুকে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক হয়েছিল। সেবারও কাভারেজ ১০০ শতাংশ। ২০২০-২১ সালের পর বিশেষ ক্যাম্পেইন আর হয়নি। এর মধ্যে নিয়মিত টিকাদানের কাভারেজও কমতে থাকে। ২০২৫ সালে এ হার ৫৯ শতাংশে নেমে আসে। দেশের বিভিন্ন স্থানে টিকার স্বল্পতাও দেখা দেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category