একনজরে মূল বিষয়বস্তু:
শুরুর তারিখ: আগামী ৪ মে থেকে ১২টি দলের অংশগ্রহণে শুরু হচ্ছে দেশের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ লিস্ট ‘এ’ টুর্নামেন্ট ডিপিএল।
দলবদল প্রক্রিয়া: ক্লাবগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষে ১৮ ও ১৯ এপ্রিল দলবদলের তারিখ চূড়ান্ত করেছে বিসিবি।
খেলোয়াড়দের সুবিধা: তীব্র গরম ও বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে লাঞ্চ, মেডিকেল টিম এবং প্রতিটি ম্যাচে রিজার্ভ ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
মান উন্নয়ন: আম্পায়ারিং বিতর্ক এড়াতে কড়া নির্দেশ এবং আন্তর্জাতিক মানের ‘স্পোর্টিং উইকেট’ তৈরির নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও মর্যাদাপূর্ণ লিস্ট ‘এ’ টুর্নামেন্ট ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) মাঠে গড়াচ্ছে আগামী ৪ মে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের বাধা না এলে পূর্বনির্ধারিত এই তারিখেই ব্যাট-বলের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবে টুর্নামেন্টের ১২টি দল।
বিসিবির ঘোষণা ও দলবদল
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ চলাকালে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে টুর্নামেন্টের বিস্তারিত তথ্য জানান বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সদস্য এবং গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু।
এর আগেই ক্লাব কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে আজ (১৮ এপ্রিল) ও আগামীকাল ১৯ এপ্রিল খেলোয়াড়দের দলবদলের আনুষ্ঠানিক দিনক্ষণ চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দলবদল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরপরই শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে নিজেদের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করবে ক্লাবগুলো।
খেলোয়াড়দের সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা
এবারের আসরে ক্রিকেটারদের সুযোগ-সুবিধা ও মাঠের নিরাপত্তার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে বোর্ড। তীব্র গরমে খেলোয়াড়দের স্বস্তির কথা বিবেচনায় নিয়ে তাদের জন্য লাঞ্চের সুব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি, অনাকাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির বাগড়ায় যেন ম্যাচ পরিত্যক্ত না হয়, সে জন্য টুর্নামেন্টের প্রতিটি খেলার জন্যই একটি করে ‘রিজার্ভ ডে’ বা অতিরিক্ত দিন বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা বা চোট মোকাবিলায় মাঠে সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্সসহ একটি দক্ষ মেডিকেল টিম উপস্থিত রাখার পরিকল্পনাও চূড়ান্ত করা হয়েছে।
আম্পায়ারিংয়ে কড়াকড়ি ও স্পোর্টিং উইকেট
অতীতের আসরগুলোতে ঘরোয়া লিগের আম্পায়ারিং নিয়ে যেসব বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল, এবার তার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিসিবি। রফিকুল ইসলাম বাবু জানান, নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকার পরও আম্পায়ারিং থেকে শুরু করে মাঠের সার্বিক মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। মাঠে আম্পায়ারদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত থেকে দায়িত্ব পালনের কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি, ম্যাচে ব্যাটার ও বোলারদের মধ্যে যেন সমানে-সমান লড়াই হয়, সে জন্য অভিজ্ঞ কিউরেটরদের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক মানের ‘স্পোর্টিং উইকেট’ তৈরির কাজও পুরোদমে এগিয়ে চলছে বলে আশ্বস্ত করেন গ্রাউন্ডস কমিটির এই চেয়ারম্যান।