• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন
Headline
প্রশাসনে রদবদল: (৪ অক্টোবর-২২ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত ) ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে মানুষ নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়ার কাছে খাদ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব সরকারের প্রস্তুতি আছে বলেই আইজিপি ক্রসফায়ারের কথা বলেছেন: আখতার ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ পাঁচজনকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ সাগর-রুনি হত্যা মামলায় জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সংশ্লিষ্টতার তথ্য সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২০ জানুয়ারি ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে ৩১ অক্টোবর

৬৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

Reporter Name / ০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

ব্যাংক থেকে ৬৩ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, তাঁর স্ত্রীসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপসহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। দুদকের জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী ও অ্যারামিট সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুকমীলা জামান, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম এবং ইসলামী ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা। এ ছাড়া অ্যারামিট সিমেন্টের হিসাব বিভাগের একজন সহকারী মহাব্যবস্থাপকও আসামির তালিকায় রয়েছেন।

দুদকের এজাহার অনুযায়ী, ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অ্যারামিট সিমেন্ট লিমিটেডের নামে ভুয়া ও জাল নথিপত্র তৈরি করেন। সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মালিকানাধীন অ্যারামিট গ্রুপের কর্মচারী ও হিসাব বিভাগের এজিএম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারী হিসেবে দেখানো হয়। পাশাপাশি ‘ক্লাসিক ট্রেডিং’ নামের একটি অস্তিত্বহীন ও নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানকে কাঁচামাল সরবরাহকারী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এজাহারে বলা হয়, বাস্তবে কোনো কাঁচামাল সরবরাহ না করেই ভুয়া বিল ও জাল ইনভয়েস তৈরি করে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। এসব নথির ভিত্তিতে ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রামের জুবলী রোড শাখা থেকে ২৭টি মুরাবাহা ডিলের বিপরীতে মোট ৬৩ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। পরে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থ পাচার করা হয়েছে বলে দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা করা হয়েছে। সাইফুজ্জামান চৌধুরী ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের প্রাথমিক পর্যায়ে দুদক, সিআইডি ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সমন্বয়ে সাত সদস্যের একটি টাস্কফোর্স কাজ করে। পরে ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে নয় সদস্যের একটি দল অনুসন্ধান ও তদন্তের দায়িত্ব নেয়। এ তদন্তের অংশ হিসেবে এরই মধ্যে ৩০টির বেশি মামলা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category