• সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
Headline
রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি বৈধভাবে বছরে ১০ হাজার শ্রমিক ইতালিতে যাওয়ার সুযোগ আছে : মীর শাহে আলম উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল নিষিদ্ধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় নম্বর প্লেট ও কিউআর কোড আনার পরিকল্পনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও চার জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি হাজারের বেশি অর্থনীতির ভিত্তি গড়েছিলেন সাইফুর রহমান: রিজভী জামায়াত আমিরের হায়াতে তাইয়েবা, সবরে জামিল আতা ফরমান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের’ নাম পরিবর্তনের দাবি এমপি মারদিয়ার পাটওয়ারীর পর এবার আসিফ মাহমুদের ভোটার এলাকা পরিবর্তন

গর্ভবতী মায়েরা রোজার সময় যা করবেন

Reporter Name / ২২২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫

রমজান মাসে রোজা রাখা মুসলমানদের জন্য ফরজ। তবে অসুস্থ বা সফররত অবস্থায় রোজা না-রাখার ব্যাপারেও ইসলামে বলা আছে। এছাড়া ছুটে যাওয়া রোজাগুলো পরে রাখার বিধানও রয়েছে।

গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রেও এমন একটা নির্দেশনা আছে। রোজার সময় গর্ভবতী নারী না-খেয়ে থাকার কারণে পেটের সন্তান বা মায়ের ক্ষতি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে গর্ভবতী নারীরা রমজানে রোজা না-রেখে পরে রেখে নিতে পারবেন। তবে যারা সুস্থ আছেন তারা চাইলে রোজা রাখতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে রোজার সময় গর্ভবতী মায়েদের বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়।

এ বিষয়ে যুগান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন টিবি হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার।

ডা. আয়েশা আক্তার বলেন, যারা গর্ভবতী মা আছেন, তাদের ক্ষেত্রে বলব- রোজাটা পরেই রাখা ভালো। তবে যারা মোটামুটি সুস্থ আছেন তারা কিন্তু চাইলে রোজা রাখতে পারেন। ইসলামে বলাই আছে গর্ভবতী অবস্থায় কেউ যদি রোজা রাখতে না পারেন তাহলে সেটা পরে রাখলেও হবে। আর যারা রাখতে চাচ্ছেন তারা আলাদা করে প্রেগন্যান্সিকে ৩ মাস করে ভাগ করে নেবেন। প্রথম তিন মাস, মাঝখানে ও শেষের তিন মাস- এইভাবে ভাগ করে নেবেন। সেক্ষেত্রে শুরুতে অনেকেই আছেন যারা একদমই খেতে পারছেন না। অনেক বেশি বমি হচ্ছে তাহলে রোজা না রাখাটাই ভালো।

তিনি বলেন, যারা সুস্থ আছেন, এ ধরনের কোনো সমস্যা নেই তারা রোজা রাখতে পারেন। সেক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে, ইফতার থেকে সেহরির মধ্যের সময়টায় অবশ্যই প্রচুর পরিমাণ পানি ও প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন- দুধ, ডিম, টক দই, চিড়া, সামুদ্রিক মাছ এগুলো খাবার তালিকায় রাখতে হবে। এ সময় গর্ভবতী মায়েদের কায়িক পরিশ্রম একদমই করা যাবে। যেমন- যে কাজগুলো করলে ঘেমে যেতে হয়, ভারি কোনো কিছু ওঠানো বা নামানো; এমন কাজ করা যাবে না।

তিনি বলেন, কেননা, একটা বাচ্চার ওজন বৃদ্ধি বা শারীরিক গঠন নির্ভর করবে মায়ের ওপর। রোজা রাখা অবস্থায় গর্ভবতী মা যদি ইফতার বা সেহরিতে খেতে না পারেন তাহলে এই প্রভাবটা বাচ্চার ওপর পরবে। এক্ষেত্রে বাচ্চার ওজনটা কমে যাবে এবং অপরিণত বাচ্চার জন্ম হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category