• মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন
Headline
আমলাতান্ত্রিক গ্যাঁড়াকলে রাষ্ট্রায়ত্ত জাহাজ: দেশি ট্যাংকার ভাড়ায় বিদেশে, চড়া প্রদেয় মূল্যে বিদেশি জাহাজে আসছে জ্বালানি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসকদের রমরমা বাণিজ্য হাজব্যান্ড থিংস! অনাহার ও তোষণনীতি: রাজনৈতিক কাঠামোর কাছেই জিম্মি সাধারণ মানুষ আসন্ন বৈশ্বিক খাদ্যসংকটের পদধ্বনি: ফোর-এফ সংকটের মুখে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ? লোকসানের ফাঁদে আউশ: কেবল প্রণোদনা নয়, কৃষকের লাভ নিশ্চিত করা জরুরি দাঁড়িয়ে থাকার ফলে কোমর ব্যথা হলে কী করবেন? ১০১ শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা পদক প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রিজন ভ্যান খুলে দেন এসআই প্রদীপ, প্রাইভেট কারে পালান পিচ্চি রাজা শুধু মালদ্বীপ নয়, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বঙ্গোপসাগরজুড়ে: নাশিদ

চীনের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে বাংলাদেশকে থামাতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ টাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্যারল ক্রিস্টাইন ফেয়ার অভিমত প্রকাশ করেন, চীনের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে থামাতে পারবে না। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীতে ‘পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে’ এক সেশনে প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন। সংলাপের একটি সেশনে অংশ নিয়ে অধ্যাপক ক্যারল ক্রিস্টাইন ফেয়ার বলেন, বাংলাদেশ ঘিরে বড় শক্তিগুলোর স্বার্থের ভারসাম্যহীনতা রয়েছে। বাংলাদেশ নিয়ে চীন বা ভারতের যতটা আগ্রহ আছে, যুক্তরাষ্ট্রের ঠিক ততটা নেই। আর এর কারণ হলো তাদের নিজেদের মধ্যকার প্রতিযোগিতা। তিনি বলেন, দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার মতো চীনের কাছে যে পরিমাণ সম্পদ আছে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তা নেই।

তাই, আমার মনে হয় বিশেষ করে বাংলাদেশে এমন একটা ধারণা প্রচলিত আছে যে, বাংলাদেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। আমি আসলে সে ধরনের কোনো প্রতিযোগিতা দেখি না।
বরং এই প্রতিযোগিতায় (যুক্তরাষ্ট্রের) সম্পূর্ণভাবে হাল ছেড়ে দেওয়াটাই আমি দেখতে পাচ্ছি।
আপনি কি মনে করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক স্বার্থের কারণে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে চায়, নাকি এর মূল কারণ চীনকে দমিয়ে রাখা এবং চীনের সাথে বাংলাদেশের নতুন কোনো নিরাপত্তা চুক্তিতে জড়ানোকে প্রতিহত করা?

এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমার মনে হয় না যে চীনের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে থামাতে পারবে। কারণ আমরা ইতোমধ্যেই শুনেছি, বাংলাদেশ সেটাই করবে যা তার নিজের স্বার্থের জন্য সবচেয়ে ভালো। তবে অবশ্যই তাদের মধ্যে একটি মৌলিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এবং তা ভবিষ্যতেও টিকে থাকবে।

‘নতুন করে গড়ে ওঠা এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার পথচলা’ স্লোগানে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এই সম্মেলনের আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)। এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে শতাধিক দেশের প্রায় ২০০ জন বক্তা, ৩০০ জন প্রতিনিধি এবং এক হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী যোগ দিয়েছেন । এতে সাবেক রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, মন্ত্রী, কূটনীতিক, গবেষক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, উদ্ভাবক ও তরুণ নেতৃত্ব অংশ নিয়েছেন। তিন দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলন আগামী ৫ অক্টোবর শেষ হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category