• বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ন
Headline
দেড় লাখ কোটির খেলাপি ঋণের বোঝা: নেতৃত্বহীনতায় ধুঁকছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিশ্রুতি এখনও বাস্তবায়ন হয়নি ১২২ সরকারি সংস্থার দেনার বোঝা: ৮ লাখ কোটির ঝুঁকিতে রাষ্ট্রায়ত্ত খাত নিরাপত্তা ঝুঁকিতে দেশ: জেল পালানো ১৮২ কয়েদির তথ্য নেই কারাগারে লোডশেডিংয়ে ঝুঁকিতে চার লাখ টন আলু: তেল পুড়িয়েও মিলছে না স্বস্তি জাতীয় দলের ফুটবলার আল আমিনকে ১৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফা বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের ব্যাংক হিসাব খোলার নির্দেশনা জারি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন চার সদস্যের শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেনি কেউ, ভোট বৃহস্পতিবার: ইসি সচিব ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইমরান খানকে হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ

ফোন থেকে দূরে থাকার উপায়

Reporter Name / ৩০ Time View
Update : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রয়োজনের বাইরে অবসর সময়েও অনেকেই অকারণে ফোন হাতে তুলে নেন, একই নোটিফিকেশন বারবার দেখেন কিংবা উদ্দেশ্যহীনভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটান। এতে অজান্তেই নষ্ট হয় অনেক মূল্যবান সময়। তবে কিছু সহজ অভ্যাস গড়ে তুললে ফোনের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো সম্ভব।

ফোন ব্যবহারের সময় পর্যবেক্ষণ করুন

বর্তমানে এমন অনেক অ্যাপ রয়েছে, যা প্রতিদিন ফোনে মোট কত সময় ব্যয় হচ্ছে এবং কোন অ্যাপে কতক্ষণ কাটছে, তার বিস্তারিত তথ্য জানায়। এসব তথ্য নিজের ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন হতে এবং অপ্রয়োজনীয় স্ক্রিন টাইম কমাতে সাহায্য করে।

অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন

বারবার আসা মেসেজ, ই-মেইল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নোটিফিকেশন মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায়। তাই জরুরি নয় এমন অ্যালার্ট বন্ধ রাখলে অকারণে ফোন চেক করার প্রবণতা কমে এবং কাজে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।

অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করুন

অনেকেই ঘুম থেকে ওঠার জন্য ফোনের অ্যালার্ম ব্যবহার করেন। এতে দিনের শুরুতেই ফোনে বিভিন্ন অ্যাপ দেখার অভ্যাস তৈরি হতে পারে। তাই আলাদা অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করা বা রাতে ফোন অন্য কক্ষে চার্জে রেখে সকালে নির্দিষ্ট সময়ের আগে না দেখার অভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েক দিনের জন্য ফোনের ব্যবহার সীমিত করলে অপ্রয়োজনীয় নির্ভরতা কমে। শুরুতে শুধু প্রয়োজনীয় কল ও বার্তায় সীমাবদ্ধ থেকে পরে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ব্যবহারে ফিরে আসা যেতে পারে।

প্রতিদিন প্রযুক্তিমুক্ত সময় নির্ধারণ করুন

সারাদিন ফোন ছাড়া থাকা সম্ভব না হলেও প্রতিদিন কিছু সময় প্রযুক্তিমুক্ত রাখা যেতে পারে। রাতের খাবারের আগে বা পরে, কিংবা সপ্তাহের নির্দিষ্ট একটি সময়ে ফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে থেকে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো মানসিক স্বস্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

শখের কাজে মনোযোগ দিন

বই পড়া, শরীরচর্চা, হাঁটাহাঁটি, পোষা প্রাণীর সঙ্গে সময় কাটানো বা বন্ধুদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার মতো অভ্যাস ফোনের প্রতি আসক্তি কমাতে কার্যকর হতে পারে। বাস্তব জীবনের মুহূর্তগুলো উপভোগ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বেশিরভাগ স্মার্টফোনেই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কল ও নোটিফিকেশন সীমিত রাখার সুবিধা রয়েছে। কাজ, বিশ্রাম বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সময় এই ফিচার চালু রাখলে অপ্রয়োজনীয় বিঘ্ন এড়ানো যায়।

সচেতন ব্যবহারই হতে পারে সমাধান

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মার্টফোন আধুনিক জীবনের অপরিহার্য অংশ হলেও এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত হওয়া জরুরি। সচেতনভাবে কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলে ফোনের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরতা কমবে, সময়ের অপচয় হ্রাস পাবে এবং ব্যক্তিগত জীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category