• বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন

বাহরাইন-কুয়েতে ৮৫টি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি ইরানের

Reporter Name / ৪ Time View
Update : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে থাকা ৮৫টি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

বুধবার (৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়।

আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের নেভাল ও এয়ার ফোর্স যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেছে। সংস্থাটির দাবি, হামলায় বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু ছিল।

তবে হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে আইআরজিসি বিস্তারিত কিছু জানায়নি। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে এ দাবির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

আইআরজিসির ভাষ্য, এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার ‘প্রাথমিক জবাব’। অভিযোগ, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) স্থানীয় সময় রাতে ইরানের বন্দর নগরী সিরিক, বন্দর আব্বাস ও কেশম দ্বীপে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার জানাজা ও শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠান ধামাচাপা দিতেই যুক্তরাষ্ট্র এসব হামলা চালিয়েছে।

আইআরজিসির দাবি, ওয়াশিংটন এই ‘ঐতিহাসিক ঘটনাকে’ ছাপিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যেই সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

হামলার পর ওয়াশিংটনকে ‘বিধ্বংসী জবাব’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের মার্কিন হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ‘স্পষ্ট আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার জবাবে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী ‘চূর্ণবিচূর্ণ করে দেওয়ার মতো প্রতিক্রিয়া’ জানাবে। দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলা দেশটির সার্বভৌমত্বের সরাসরি লঙ্ঘন।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার এ ধারাবাহিকতায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, উভয় পক্ষের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত থাকলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category