আত্মহত্যার হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, আত্মহত্যা প্রতিরোধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বৃহস্পতিবার ঢাকার ধানমণ্ডির ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনে ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজএবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল এ সেমিনারের আয়োজন করে।
শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যাকে ‘না’ বলার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, জীবনে যত বড় বিপদই আসুক, প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। ব্যর্থতায় হতাশ না হয়ে সাফল্যের জন্য বারবার চেষ্টা করতে হবে। নিরন্তর প্রচেষ্টার মাধ্যমেই উন্নতির শিখরে পৌঁছানো সম্ভব।
তিনি বলেন, পিতা-মাতা ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। নিজেদের সমস্যা ও অনুভূতি তাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে হবে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বলা সম্ভব নয় এমন বিষয় বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করা যেতে পারে। এতে মানসিক চাপ ও হতাশা মোকাবিলায় সহায়তা পাওয়া সম্ভব।
আত্মহত্যা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গড্ডলিকা প্রবাহে সমাজ চললে বেশি দূর এগোতে পারবে না। প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে ইতিবাচক চিন্তা, পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সচেতনতার মাধ্যমে আত্মহত্যা প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
এডিপির চেয়ারম্যান রওশন আরা জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নাজমুল হোসেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনের অধ্যক্ষ আফরোজা শারমিন।