• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন
Headline
অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১৩ কর্মকর্তাকে বদলি জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক আহতদের চিকিৎসা ও শহীদ পরিবারের পুনর্বাসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : ইশরাক হোসেন চলতি মাসের শেষ দিকে চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’: প্রতিমন্ত্রী শ্রম সহযোগিতা নি‌য়ে কাতারের মন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক পর্যটন খাতে সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার বৈঠক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ব্যালট ‘ওপেন’, কে কাকে ভোট দেবেন সবই দেখা যাবে গণমাধ্যম বাংলাদেশে এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে : তথ্যমন্ত্রী কলকাতায় হোটেলে আগুনে নিহতদের মধ্যে ৫ জন বাংলাদেশি ডপলার রিসার্চের জরিপ: প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ

এআই ও সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার রোধে সচেতনতার বিকল্প নেই : তথ্যমন্ত্রী

Reporter Name / ৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রযুক্তি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি এর নেতিবাচক প্রভাব ও অপব্যবহার রোধে নীতি নির্ধারণ ও সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তির এই আশীর্বাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল ইকোসিস্টেমকে জনকল্যাণমুখী করতে না পারলে তা ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানবের মতো মানবসভ্যতার জন্যই মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।’

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘ইনফরমেশন ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড সোশ্যাল কোহেশন ইন বাংলাদেশ : পলিসি, প্ল্যাটফর্ম অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যান্ড কালেক্টিভ অ্যাকশন’ শীর্ষক সংলাপের আয়োজন করে নরওয়ে সরকার ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।

সেমিনারে ইউএনডিপি ও নরওয়ে সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘ইনফরমেশন ইন্টিগ্রিটি বা তথ্যের সততা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক সংহতি বজায় রাখার বিষয়টি এখন কেবল সফটওয়্যার প্রকৌশলী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের টেক জায়ান্টদের একার বিষয় নয়। এটি আমাদের সম্পূর্ণ একটি নতুন ইকোসিস্টেমের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কাঠামোগত জটিলতা তুলে ধরে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর অ্যালগরিদম ও প্ল্যাটফর্ম মূলত ব্যবসার উদ্দেশে পরিচালিত হয়, জনকল্যাণের জন্য নয়। সাধারণ মানুষের হাতের মুঠোয় থাকা ইন্টারনেট এবং সামাজিক মাধ্যমের এই ব্যবসায়িক স্বার্থ একত্রে এক জটিল বাস্তবতার জন্ম দিয়েছে। এই ইকোসিস্টেমের সুযোগ ও চ্যালেঞ্জগুলোকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আশীর্বাদকে সঙ্গে নিয়ে পথ চলার মাধ্যম আমাদেরই খুঁজে বের করতে হবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির অপব্যবহার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আজকাল অনেক পেশাজীবী বা তরুণ নিজস্ব উদ্ভাবনী ক্ষমতা ব্যবহারের চেয়ে এআই প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন, যা কাজের মৌলিকত্ব ও সততাকে ব্যাহত করছে। প্রযুক্তি আমাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও কাজের দক্ষতাকে বৃদ্ধি করবে ঠিকই, তবে তা যেন আমাদের চোরাবালির দিকে নিয়ে না যায়, সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। আইটি বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কান্ডজ্ঞান ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে নীতি নির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সংবাদপত্রের বর্তমান রূপান্তর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রচলিত গণমাধ্যমগুলো এখন তাদের মূল মেকানিজমের পাশাপাশি ডিজিটাল ও মাল্টিমিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে ভালো আয় করছে। এই রূপান্তরের যুগে গণমাধ্যম, রাষ্ট্র এবং অরাজনৈতিক অংশীদারদের একযোগে সঠিক তথ্যের অবাধ প্রবাহ ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে অপতথ্য প্রতিরোধ এবং ডিজিটাল ইকোসিস্টেমকে গণমুখী করার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ফোরাম ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর আরও সক্রিয় ভূমিকা আশা করেন তথ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এই প্রক্রিয়ায় সব ধরনের নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে বলেও আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী।

সেমিনারে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জাতিসংঘের প্রতিনিধিবৃন্দ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category