• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
Headline
মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা জাহরা এল নিনোর ঝুঁকিতে লাতিন আমেরিকার লাখ লাখ শিশু : ইউনিসেফ জ্বালানি খাতে আমদানিনির্ভরতা: এক বিপজ্জনক খাদের কিনারে অর্থনীতি ও জনজীবন দাদা-দাদি, নানা-নানিদের প্রতি গর্ভবতী অবস্থায় মায়েদের কোমর ব্যথায় করণীয় অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজির ঘাটতি নেই, আসছে ১৯ কার্গো: পেট্রোবাংলা প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরে বাংলাদেশের স্বার্থ ও বৈশ্বিক সম্ভাবনার বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে: মাহদী আমিন উন্নয়ন প্রকল্পে পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এল নিনোর ঝুঁকিতে লাতিন আমেরিকার লাখ লাখ শিশু : ইউনিসেফ

Reporter Name / ০ Time View
Update : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট তীব্র খরা ও বন্যায় লাতিন আমেরিকার লাখ লাখ শিশু ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

এল নিনো হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত পরিবর্তন। এ সময় নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। এর ফলে বিশ্বজুড়ে বাতাস ও বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন ঘটে।

এ বছর এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইউনিসেফ জানিয়েছে, লাতিন আমেরিকার প্রায় ২ কোটি ৫৮ লাখ শিশু, অর্থাৎ প্রতি সাত শিশুর একজন খরা ও বন্যার কারণে ‘ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির’ মুখে রয়েছে। দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন এলাকায় এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইতোমধ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করছে।

ইউনিসেফের লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক রবার্তো বেনেস এক বিবৃতিতে বলেন, এসব পরিস্থিতি আরও বেশি শিশুকে গভীর সংকটের মধ্যে ঠেলে দিতে পারে এবং বিদ্যমান বৈষম্য আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

অঞ্চলভেদে এর প্রভাব ভিন্ন

এল নিনোর প্রভাব লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্নভাবে পড়ছে। মধ্য আমেরিকার গুয়াতেমালা, এল সালভাদর, হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়ায় খরার কারণে ফসলের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে শিশুদের অপুষ্টির ঝুঁকি বাড়ছে। এসব দেশের অনেক শিশুই এরই মধ্যে পর্যাপ্ত খাবার ও নিরাপদ পানির সংকটে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ।

বলিভিয়া, কলম্বিয়া, চিলি ও ভেনেজুয়েলার কিছু এলাকায় দাবানলের ঝুঁকি বেড়েছে। অন্যদিকে, অ্যামাজন অববাহিকায় নদীর পানির স্তর কমে যাওয়ায় নদীতীরবর্তী অনেক জনপদ বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।

আরও দক্ষিণে, মেক্সিকো ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যার ঝুঁকি বাড়বে। এতে স্কুল ও স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইউনিসেফ জানিয়েছে, এল নিনোর প্রভাবে কিউবা ও হাইতিতেও মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে। এ বছরের অস্বাভাবিকভাবে শক্তিশালী প্রশান্ত মহাসাগরীয় ঘূর্ণিঝড় মৌসুমেও এল নিনোর প্রভাব দেখা যাচ্ছে।

ইউনিসেফের কর্মকর্তা বেনেস সতর্ক করে বলেন, একটি বড় ঘূর্ণিঝড়ই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে এবং লাখ লাখ শিশুর স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত করতে পারে।

লাতিন আমেরিকায় এল নিনো-সংক্রান্ত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৫ কোটি ৩৮ লাখ ডলার প্রয়োজন বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ। তবে ৩০ জুন পর্যন্ত সংস্থাটি এর মাত্র অর্ধেক অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর আবারও ক্ষমতায় ফেরার পর জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার মতো ইউনিসেফও বড় ধরনের অর্থসংকটের মুখে পড়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category