• রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন

ক্যাম্পেইন থেকে বাদ পড়া ৩৪ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Reporter Name / ৩ Time View
Update : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, হাম প্রতিরোধ ক্যাম্পেইন থেকে বাদ পড়া ৩৪ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে।

আজ রাজধানীর মহাখালীর কড়াইলে টিএন্ডটি খেলার মাঠে ‘দেশব্যাপী বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন৷

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ৫ এপ্রিল থেকে তিন ধাপে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। গত ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী কর্মসূচি জোরদার করা হয়। এর আওতায় এ পর্যন্ত প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ক্যাম্পেইন থেকে বাদ পড়া আরো ৩৪ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য বিশেষ এই টিকাদান কর্মসূচি আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য ১০ লাখ টিকা সংরক্ষিত রাখা হয়েছে এবং নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এসব টিকা প্রদান অব্যাহত থাকবে।

মন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি কার্যকরভাবে চালু না থাকা এবং ওপেন টেন্ডার ব্যবস্থার অজুহাতে বিদেশ থেকে ভ্যাকসিন আমদানিতে দীর্ঘসূত্রতা—পূর্ববর্তী সরকারের এসব গাফিলতির খেসারত জাতিকে দিতে হয়েছে। এর নির্মম পরিণতিতে অনেক মায়ের বুক খালি হয়েছে।

গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুর মধ্যে প্রায় এক হাজার শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। প্রতিটি শিশুর মৃত্যু সরকারের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং একই সঙ্গে লজ্জার বিষয়।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ও পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হামের টিকাদান কর্মসূচিতে দীর্ঘ চার বছর ধরে গাফিলতি ও বিলম্বের কারণে বহু শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে বলেও মন্তব্য করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে দেশব্যাপী বৃহৎ পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. আ.ন. ম. বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোঃ জাহিদ রায়হান, ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উপপ্রতিনিধি ডা. রাজেশ নারওয়াল প্রমুখ৷


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category