অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এসব প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিশেষ ধরনের থ্রি-হুইলার যানবাহন এবং মোটরসাইকেলে হোস পাইপ বহন করে অগ্নিনির্বাপণের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নতুন ফায়ার স্টেশন নির্মাণে ১৩০টি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উখিয়া ও কক্সবাজারের মতো পর্যটন এলাকাতেও অগ্নিনির্বাপণ সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
মহাপরিচালক বলেন, অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রিসোর্ট, হোটেল ও রেস্টুরেন্টে অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি দেখলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।