• বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
Headline

পরিবহনের সব ক্ষমতা যাচ্ছে এক কর্তৃপক্ষে

Reporter Name / ২ Time View
Update : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬

রাজধানীসহ দেশের প্রধান মহানগরীগুলোর গণপরিবহন খাতকে দীর্ঘদিনের চরম বিশৃঙ্খলা, সমন্বয়হীনতা এবং বহুধা বিভক্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার জট থেকে মুক্ত করতে এক যুগান্তকারী ও কাঠামোগত পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নগর পরিবহনের সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা বিদ্যমান ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ বা ডিটিসিএকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে ‘মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষ’ বা সংক্ষেপে এমটিএ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন এই কর্তৃপক্ষ কেবল আগের মতো একটি নামমাত্র সমন্বয়ক সংস্থা হিসেবে থাকবে না, বরং নগরীর গণপরিবহন ব্যবস্থার পরিকল্পনা গ্রহণ, প্রকল্প অনুমোদন, বাসের রুট পারমিট ও ভাড়া নির্ধারণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে সড়ক নিরাপত্তা এবং দুর্ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মতো যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের নিরঙ্কুশ ও একক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে যাচ্ছে।

সরকারের এই সুদূরপ্রসারী ও আমূল পরিবর্তনের ভিত্তি হিসেবে তৈরি করা হয়েছে ‘মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এর একটি পূর্ণাঙ্গ খসড়া। ২০১২ সালের পুরোনো ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ আইনকে প্রতিস্থাপন করে এই নতুন আইনটি কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিটিসিএর পক্ষ থেকে প্রস্তুতকৃত এই আইনের খসড়াটি ইতিমধ্যে পর্যালোচনার জন্য সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে যে খসড়াটি বর্তমানে নীতিগত যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় ধারা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এরপর সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক মতবিনিময় ও লিখিত মতামত গ্রহণের পর তা অনুমোদনের জন্য জাতীয় মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। আইনি সকল প্রক্রিয়া নিয়মতান্ত্রিকভাবে এগোলে আগামী প্রায় ছয় মাসের মধ্যে এই যুগান্তকারী আইনটি চূড়ান্ত রূপ নিতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত নতুন আইনের খসড়ার ১৮ ধারায় অত্যন্ত কঠোর ও স্পষ্ট বিধান সন্নিবেশিত করা হয়েছে, যা নগর উন্নয়ন ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি সংস্থার ক্ষমতাকে ব্যাপকভাবে সংকুচিত করে নতুন কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ করবে। এই বিধান অনুযায়ী, এমটিএর পূর্বানুমোদন বা ছাড়পত্র ছাড়া কোনো ব্যক্তি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এমনকি সরকারের কোনো মন্ত্রণালয়, স্বায়ত্তশাসিত অধিদপ্তর বা উন্নয়ন সংস্থা নগর পরিবহন সংশ্লিষ্ট কোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করতে পারবে না। এমনকি কোনো প্রকল্পের বিস্তারিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা বা ডিপিপি অনুমোদনের আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়ার আগেই নতুন এই কর্তৃপক্ষের বাধ্যতামূলক ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হবে। এর ফলে অতীতে বিভিন্ন সংস্থা নিজেদের মতো করে বিচ্ছিন্ন ও অসমন্বিত প্রকল্প নেওয়ার যে সুযোগ পেত, তার অবসান ঘটবে। যেকোনো পরিবহন অবকাঠামো প্রকল্পের চূড়ান্ত নকশা অনুমোদনের চূড়ান্ত চাবিকাঠি থাকবে এই একক কর্তৃপক্ষের হাতেই।

মহানগরীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে বাসের রুট বণ্টন এবং ভাড়া আদায়ের ওপর একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করাকে এই আইনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে দেখা হচ্ছে। খসড়া আইন অনুযায়ী, মহানগরীতে কোন রুটে কয়টি বাস চলবে, বাসের রুট পরিকল্পনা কেমন হবে, কাদের রুট পারমিট দেওয়া হবে, ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতির চুক্তি কেমন হবে এবং সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে ঠিক কত টাকা ভাড়া আদায় করা যাবে—তার সমস্ত এখতিয়ার দেওয়া হচ্ছে মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষকে। বর্তমানে রাজধানী ঢাকায় বিশৃঙ্খলা নিরসনে ধীরগতিতে চলা বাস রুট রেশনালাইজেশন বা বাস ফ্র্যাঞ্চাইজি কার্যক্রমটি মূলত ডিটিসিএর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। নতুন আইনটি পাশ হলে এই কার্যক্রম একটি স্থায়ী, শক্তিশালী এবং কঠোর আইনি কাঠামোর আওতায় চলে আসবে, যার ফলে বাস মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতা এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামার নৈরাজ্য বন্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হবে।

তবে এই একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের বিপরীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বা বিআরটিএর মতো বিদ্যমান সংস্থার সঙ্গে দায়িত্বের সীমারেখা নিয়ে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ ঐতিহাসিকভাবেই দেশে গণপরিবহনের রুট পারমিট দেওয়া, যানবাহনের ফিটনেস যাচাই এবং চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স তদারকির একক দায়িত্বে রয়েছে বিআরটিএ। এখন যদি রুট পরিকল্পনা ও অনুমোদন নতুন কর্তৃপক্ষের হাতে যায় এবং যানবাহন ও চালক নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা বিআরটিএর হাতেই থেকে যায়, তবে দুই সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতার ফাঁক দিয়ে নতুন আমলাতান্ত্রিক জটিলতার জন্ম হতে পারে। মাঠপর্যায়ে সুনির্দিষ্ট সীমারেখা চিহ্নিত করা না হলে পরিবহন মালিকেরা দুই সংস্থার প্রশাসনিক টানাপোড়েনের সুযোগ নিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকেরা।

নতুন আইনের একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর সংযোজন হলো সড়ক নিরাপত্তা অডিট এবং সড়ক দুর্ঘটনার স্বাধীন তদন্তের ক্ষমতা। প্রস্তাবিত খসড়া আইনে সড়ক নিরাপত্তা নিরীক্ষার পাশাপাশি যে কোনো সড়ক দুর্ঘটনার পেছনের মূল কারণ চিহ্নিত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে এই কর্তৃপক্ষকে। এর পাশাপাশি সড়কের ধরন অনুযায়ী ফুটপাত নির্মাণ, সড়কের প্রকৌশল মানদণ্ড নির্ধারণ, কোন সড়কে কোন ধরনের যানবাহন কী সংখ্যায় চলবে, সর্বোচ্চ গতিসীমা কত হবে, এলাকাভিত্তিক পার্কিং পরিকল্পনা কেমন হবে এবং ট্রাফিক সিগন্যাল ও ইন্টারসেকশনের পূর্ণাঙ্গ নকশা অনুমোদনের মতো মৌলিক দায়িত্বগুলোও এই নতুন কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্ঘটনার তদন্তের পর তার সুপারিশ বাস্তবায়ন করা এবং ত্রুটিপূর্ণ সড়কের কারণে সংশ্লিষ্ট সড়ক নির্মাণকারী সংস্থাকে আইনিভাবে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর প্রক্রিয়াটি কীভাবে সম্পন্ন হবে, তা নিশ্চিত করাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।

নগরীর অপরিকল্পিত নগরায়ণ রোধ এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে বহুতল বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবনের ওপর কড়া নজরদারি বসাতে যাচ্ছে নতুন এই আইন। খসড়ায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে কোনো এলাকায় বহুতল ভবন বা বড় কোনো আবাসন প্রকল্প নির্মাণের কারণে আশপাশের সড়কগুলোতে কী পরিমাণ যানবাহনের বাড়তি চাপ তৈরি হবে, ভবনে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ কতটা প্রশস্ত হবে এবং পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখে তবেই ট্রাফিক সার্কুলেশন পরিকল্পনার ছাড়পত্র দেবে নতুন কর্তৃপক্ষ। এই ছাড়পত্র ছাড়া কোনো বহুতল ভবনের নকশা অনুমোদন করা যাবে না। এর মাধ্যমে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা রাজউকের মতো নগর পরিকল্পনাকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে নতুন কর্তৃপক্ষের কাজের গভীর সংযোগ তৈরি হবে।

আইন অমান্যকারীদের দ্রুত শায়েস্তা করতে নতুন আইনে নিয়মিত আদালতের ফৌজদারি সাজার পাশাপাশি তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা প্রস্তাব করা হয়েছে। খসড়ার বিধান মতে, নির্ধারিত আইন বা শর্ত লঙ্ঘন করলে কর্তৃপক্ষ সরাসরি আর্থিক জরিমানা আরোপ করতে পারবে, সংশ্লিষ্ট গাড়ির বা রুটের লাইসেন্স সাময়িক স্থগিত কিংবা স্থায়ীভাবে বাতিল করতে পারবে এবং গুরুতর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখবে। এছাড়া কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র ছাড়া কোনো পরিবহন প্রকল্প গ্রহণ করা, ট্রাফিক সার্কুলেশন পরিকল্পনা ব্যতীত নির্দিষ্ট স্থাপনা নির্মাণ করা কিংবা অনুমোদন ছাড়া ডিজিটাল ই-টিকিটিং বা স্মার্ট কার্ডের মতো ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করে শাস্তির সুস্পষ্ট বিধান রাখা হয়েছে।

মাঠপর্যায়ে এই বিপুল ক্ষমতা প্রয়োগ ও নজরদারি নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিদর্শক নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে আইনের খসড়ায়। এসব পরিদর্শক যেকোনো পরিবহন অবকাঠামোর নকশা ও তথ্য-নথিপত্র যাচাই করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে সরেজমিন পরিদর্শন করে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। এমনকি কোনো অনিয়ম বা অপরাধের তদন্ত প্রক্রিয়ায় একজন পুলিশ উপপরিদর্শকের সমান আইনি ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ পাবেন এই পরিদর্শকরা। তবে ক্ষমতার যাতে কোনো প্রকার অপব্যবহার না ঘটে, সেজন্য এসব ক্ষমতা ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট শর্ত ও পরিধি বিধিমালা দ্বারা সুরক্ষিত রাখা হবে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ কিংবা সিটি করপোরেশনের মতো প্রভাবশালী সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নগর এলাকার ভেতরে বড় বড় ফ্লাইওভার, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কিংবা ওভারপাস নির্মাণ করে থাকে। নতুন খসড়ায় পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, এসব ভারী অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রেও অন্যান্য সংস্থাকে প্রকল্প গ্রহণের আগেই মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক অনুমোদন নিতে হবে। তবে কাজের সুবিধার্থে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার সংস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে সার্বিক প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা নেওয়ার পথ খোলা রাখা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনের ৫০ ধারায় ২০১২ সালের ডিটিসিএ আইনকে সম্পূর্ণভাবে রদ বা বিলুপ্ত করার আইনি ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ডিটিসিএর বর্তমান সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, আইনি অধিকার, আর্থিক দায়দেনা, চলমান প্রকল্প, অমীমাংসিত মামলা এবং কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে নবগঠিত মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষের অধীনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে। অর্থাৎ বিদ্যমান ডিটিসিএর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ভিত্তি ও অভিজ্ঞতার ওপর দাঁড়িয়েই কার্যত এক নতুন ও আরও শক্তিশালী মহীরুহ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে এমটিএ।

তবে পরিবহন খাতের প্রায় সমস্ত ক্ষমতা এক ছাতার নিচে আনার এই সরকারি উদ্যোগ নিয়ে নগর পরিকল্পনাবিদদের মধ্যে ইতিবাচক সম্ভাবনার পাশাপাশি গভীর সংশয়ও দেখা দিয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান এই বিষয়ে তাঁর সুস্পষ্ট পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে জানিয়েছেন যে, সমন্বয়হীনতার নামে পরিবহন কর্তৃপক্ষকে নগর পরিকল্পনার একমাত্র ও প্রধান অভিভাবক বানিয়ে ফেলার চিন্তাটি পুনর্বিবেচনা করা অত্যন্ত জরুরি। তাঁর মতে, কোনো মহানগরের ভূমি ব্যবহারের পরিকল্পনা এবং পরিবহন অবকাঠামোর পরিকল্পনা অবশ্যই সামগ্রিক ও ভারসাম্যপূর্ণ হতে হবে। পরিবহন কর্তৃপক্ষ যাতে নিজস্ব ক্ষমতা জাহির করতে গিয়ে অনুমোদিত নগর পরিকল্পনা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর এখতিয়ারকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা না করে, সে বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, অতীতে বিভিন্ন সংস্থার নিজস্ব মর্জিমতো বিচ্ছিন্ন প্রকল্প নেওয়ার ক্ষতিকর প্রবণতা বন্ধ হওয়া যেমন প্রয়োজন, তেমনি নতুন কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা ও অন্যান্য সেবা সংস্থার নিয়মিত দায়িত্বের মধ্যে একটি কার্যকর ভারসাম্য নিশ্চিত করা না গেলে হিতে বিপরীত হয়ে জটিলতা আরও বাড়তে পারে।

তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category