• সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
Headline
জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : হুমায়ুন ক‌বির দুদকের প্রেস ব্রিফিং চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আসিফ মাহমুদের রিট ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার : বাণিজ্য সচিব চুয়াডাঙ্গায় ভারতীয় মাদক ও প্রসাধনসামগ্রী উদ্ধার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত তালিকা প্রণয়ন করে প্রতিবেদন তৈরির সুপারিশ স্থায়ী কমিটির গুণী শিক্ষক সম্মাননা ১০০ জনে উন্নীত করা হচ্ছে: মাহ্দী আমিন আমিষের ঘাটতি পূরণে দেশের মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য চাষ গুরুত্বপূর্ণ : স্পিকার রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পুনর্ব্যক্ত আইরিন খানের দেশে কোনো বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফেনীতে প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্প উদ্বোধনের ভেন্যু পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

রেকর্ড বাজেট বাস্তবায়নে শুরুতেই হোঁচট

Reporter Name / ১ Time View
Update : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে এক অশনিসংকেত দেখা দিয়েছে| ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড আকারের মেগা বাজেট বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান দিতে গিয়ে শুরুতেই চরম চাপের মুখে পড়েছে সরকার| এই বিশাল বাজেটের বিপরীতে প্রায় ৭ লাখ কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব আদায়ের অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও, বাস্তব পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে| দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মারাত্মক ধীরগতি, বেসরকারি বিনিয়োগের খরা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের মন্দার কারণে কাঙ্ক্ষিত হারে রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে না| এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি আমদানির অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধি, সরকারি কর্মচারীদের নতুন করে বর্ধিত বেতন-ভাতার বিশাল বোঝা এবং বড় বড় মেগা প্রকল্পে সরকারি অর্থায়নের ক্রমবর্ধমান দায় সরকারের সার্বিক ব্যয়কে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে| একই সঙ্গে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যেও (বিওপি) দিন দিন চাপ বাড়ছে| ফলশ্রুতিতে, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকেই সরকারের বাজেট অর্থায়নে এক ধরনের তীব্র টানাপোড়েন ও আর্থিক সংকট দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে|

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সর্বশেষ অভ্যন্তরীণ তথ্য বিশ্লেষণ করলে রাজস্ব আদায়ের এই হতাশাজনক চিত্র স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে| পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে অর্থাৎ জুলাই ও আগস্টে সংস্থাটি সব মিলিয়ে সর্বমোট ৫১ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হয়েছে| অথচ এই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮১ হাজার ৫৩ কোটি টাকা| অর্থাৎ মাত্র দুই মাসের ব্যবধানেই রাজস্ব আদায়ের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৯ হাজার ১৬১ কোটি টাকায়| সবচেয়ে বেশি উদ্বেগের বিষয় হলো, বর্তমান অর্থবছরের এই আয় কেবল নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েই কম নয়, বরং তা বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ের আয়ের তুলনায়ও কম| গত বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে এনবিআর আদায় করেছিল ৫৪ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা| অর্থাৎ, রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে অর্থবছরের শুরুতেই একটি ঋণাত্মক বা নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত সতর্কবার্তা| উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে সরকার মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যার মধ্যে এককভাবে এনবিআরের মাধ্যমে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা|

এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. নাসিরউদ্দিন আহমেদ বর্তমান এই পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করে বলেন, দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে রাজস্ব আহরণের বিষয়টি একটি অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কযুক্ত| মানুষের ব্যক্তিগত আয় বাড়লে আয়কর বাড়ে, ব্যবসা-বাণিজ্যে মুনাফা বাড়লে করপোরেট কর আদায় বাড়ে এবং দেশে আমদানি-রপ্তানি বাড়লে কাস্টমস ও অন্যান্য পরোক্ষ রাজস্ব বৃদ্ধি পায়| অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য যতটা গতিশীল ও প্রাণবন্ত হবে, সরকারের রাজস্ব আহরণের সুযোগও ঠিক ততটাই প্রসারিত হবে| তিনি মনে করেন, আগামী দিনগুলোতে সরকার দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যকে কতটা নীতিগত সহায়তা প্রদান করে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো কতটা দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করে, তার ওপরই নির্ভর করছে আগামী দিনের রাজস্ব আদায়ের ভবিষ্যৎ|

বাজেটের অর্থায়ন পরিস্থিতিকে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চাপে ফেলছে দেশের বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ ও বিনিয়োগের চরম স্থবিরতা| ব্যাংকিং খাতে উচ্চ সুদহার, দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকট এবং বাজারে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও চাহিদা কমে যাওয়ায় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে এক ধরনের মন্দা তৈরি হয়েছে| এর প্রত্যক্ষ ও মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে শিল্পের সার্বিক উৎপাদন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবসায়িক মুনাফায়| অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ার পাশাপাশি সরকারের কর আদায়ের মূল ভিত্তি বা ট্যাক্স বেসও ক্রমশ সংকুচিত হয়ে আসছে| পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি বর্তমানে ইতিহাসের অন্যতম সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে এবং টানা পাঁচ মাস ধরে তা ৫ শতাংশের নিচেই আটকে আছে| বিশেষজ্ঞরা জোরালোভাবে সতর্ক করে বলছেন, এই ঋণাত্মক প্রবণতা যদি আরও প্রলম্বিত হয়, তবে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প খাত থেকে কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত হারে রাজস্ব আহরণ সম্ভব হবে না| এতে করে বিশাল বাজেটের ব্যয় মেটাতে সরকারকে শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে দেশি-বিদেশি ঋণের ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হতে হবে|

শুধুমাত্র বেসরকারি খাতই নয়, সরকারি খাতেও উন্নয়ন ও বিনিয়োগের চিত্র মোটেও আশাব্যঞ্জক নয়| রাজস্ব আয়ের একটি বিশাল অংশ পরিচালন বা অনুন্নয়ন খাতে ব্যয় হয়ে যাওয়ায় উন্নয়ন বা এডিপি খাতের ব্যয় মারাত্মকভাবে পিছিয়ে পড়েছে| বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রায় ২ লাখ ৯ হাজার কোটি টাকার বিশাল বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বিপরীতে বছর শেষে প্রকৃত ব্যয় হয়েছে মাত্র ১ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা| অর্থাৎ, মোট বরাদ্দের মাত্র ৬৭ দশমিক ৫২ শতাংশ অর্থ খরচ করা সম্ভব হয়েছে, যা গত ৫০ বছরের অর্থনৈতিক ইতিহাসে এডিপি বাস্তবায়নের সর্বনিম্ন হার| হতাশাজনকভাবে, বাস্তবায়নের এই চরম নিম্নমুখী ধারাটি চলতি অর্থবছরেও অব্যাহত রয়েছে| জুলাই-আগস্ট এই দুই মাসে এডিপি বাস্তবায়নের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ দশমিক ৮৫ শতাংশে| এর ফলে একদিকে যেমন সরকারের রুটিন রাজস্ব ব্যয় হু হু করে বাড়ছে, অন্যদিকে মূলধনি বা অবকাঠামোগত উন্নয়ন ব্যয়ের বাস্তবায়ন মারাত্মকভাবে পিছিয়ে থাকছে|

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ অর্থনীতির এই বাস্তব চিত্র তুলে ধরে বলেন, ক্রমাগতভাবে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে যাচ্ছে, অন্যদিকে অনুন্নয়নমূলক সরকারি খাতের ব্যয় তুলনামূলকভাবে বেড়েই চলেছে| তিনি আক্ষেপ করে বলেন, উচ্চ সুদহার ও তীব্র জ্বালানি সংকটের কারণে গ্রামগঞ্জের অসংখ্য ক্ষুদ্র, কুটির ও ছোট ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আজ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে| এমনকি দেশের বৃহৎ শিল্পকারখানাগুলোও এখন চরম চাপের মধ্যে রয়েছে| কোনো ব্যবসা বা কারখানা বন্ধ হলে শুধু যে উৎপাদন কমে তা নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িত বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান ও আয়ও চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়, যার চূড়ান্ত প্রভাব পড়ে সরকারের রাজস্ব আয়ে| তিনি আরও বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির লাগামহীন ব্যয় এবং ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহারের কারণে দেশে নতুন কোনো দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসছে না| বাজারে সাধারণ মানুষের চাহিদা কমে যাওয়ায় অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান এখন তাদের উৎপাদন সক্ষমতার অর্ধেকেরও কম ব্যবহার করে কোনোরকমে টিকে আছে| অর্থনীতির এই স্থবির চাকা পুনরায় না ঘোরাতে পারলে রাজস্ব আয় বাড়ানো সরকারের জন্য এক অসম্ভব চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে|

বর্তমান সরকারের ব্যয়চাপের অন্যতম প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে জ্বালানি খাত| মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতে সৃষ্ট চরম ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি দামেও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে| এতে সরকারকে দেশে জ্বালানি আমদানি করতে গিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে| সরকার নিজেই স্বীকার করেছে যে, দায়িত্ব নেওয়ার পর গত মাত্র সাড়ে ছয় মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকার বিশাল লোকসান হয়েছে| এই একই সময়ে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজির দাম বেড়ে প্রায় তিন গুণ হয়ে গেছে| পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবছরের শুরুর মাত্র আড়াই মাসেই এলএনজি খাতে সরকারকে বাধ্য হয়ে ১০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা নগদ ভর্তুকি দিতে হয়েছে, অথচ পুরো অর্থবছরের জন্য এই খাতে ভর্তুকি বাবদ বরাদ্দ রাখা ছিল মাত্র ৬ হাজার কোটি টাকা| জ্বালানির বর্তমান এই আকাশছোঁয়া দাম বজায় থাকলে চলতি অর্থবছরে এলএনজি আমদানির ব্যয় ৯০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে শঙ্কা করা হচ্ছে| সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতেও লোকসানের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াতে পারে ৬০ হাজার কোটি টাকায়| যদিও সরকার ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়িয়ে এই বিশাল বাড়তি ব্যয় সামাল দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা করছে, তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন যে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে পণ্য ও সেবার উৎপাদন খরচ বাড়বে এবং এতে মূল্যস্ফীতি আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে|

জ্বালানি খাতের এই বিশাল ব্যয়ের পাশাপাশি সরকারি কর্মচারীদের নতুন করে বর্ধিত বেতন-ভাতা প্রদানের বিষয়টিও সরকারের ব্যয়ের হিসাবে নতুন করে বিশাল চাপ তৈরি করেছে| বর্ধিত এই বেতন-ভাতার পুরোটা কার্যকর হলে সরকারের রুটিন ব্যয় এক লাফে ১ লাখ কোটি টাকারও বেশি বেড়ে যাবে| দেশের শিল্প খাতের স্থবিরতা ও জ্বালানি সংকটের প্রভাবে রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও এখন নিম্নমুখী, অন্যদিকে বিশ্ববাজারে পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে বাড়ছে আমদানি ব্যয়| কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই মাসে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি কমেছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ, অন্যদিকে আমদানি ব্যয় বেড়ে গেছে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ| একই সঙ্গে যোগ হয়েছে অতীতের সরকারের নেওয়া বিপুল পরিমাণ ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধের বিশাল দায়| বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন সতর্ক করে বলেছেন, শুধু কর বাড়িয়ে বা উন্নয়ন ব্যয় কমিয়ে এই বিশাল আর্থিক চাপ সামাল দেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব হবে না| বাজেট ঘাটতি পূরণে সরকারের মাত্রাতিরিক্ত ঋণনির্ভরতা বাড়লে তা শেষ পর্যন্ত দেশের বেসরকারি খাতকে সম্পূর্ণভাবে পঙ্গু করে দেবে এবং মুদ্রার মান ও ক্রেডিট রেটিংয়ের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে|

তথ্যসূত্র: বণিক বার্তা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category