• মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
Headline
গডফাদার রেখে বস্তিতে ‘ফাটাকেষ্ট’ অ্যাকশন: বিতর্কের মুখে পদ ছাড়লেন ইশরাক রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিতে পারছে না বলে ইশরাককে অস্ত্র হাতে নামতে হয়েছে: আখতার সালাহউদ্দিনের ব্যর্থতার দায় ইশরাকদের নিতে হবে কেন? প্রশ্ন হাসনাতের মন্ত্রিসভার যে কাউকে পদত্যাগ করতে বলার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে: অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করলেন ইশরাক ক্যান্সার হাসপাতালগুলোতে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দুর্গাপূজার বার্তা সর্বজনীন, সকল সম্প্রদায়ের: রিজভী সারাদেশে দিন-রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে সর্বজনীন পেনশনে সুখবর, লাভবান হবেন গ্রাহকরা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সারের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা

Reporter Name / ৯০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম পর্ব ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্ব ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন নিয়ে বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে ইজতেমা ময়দানে দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন করা হবে। প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ৮, ৯ ও ১০ জানুয়ারি। এরপর দ্বিতীয় পর্ব হবে ১৫, ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি।

তিনি জানান, বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে মুসল্লিদের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যাতায়াতসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রস্তুতি নেবে।

প্রতি বছর টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে বিশ্ব ইজতেমায় দেশ-বিদেশের বিপুলসংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন। মুসল্লিদের অংশগ্রহণ ও ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে সাধারণত তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের ব্যবস্থাপনায় ইজতেমা দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

আগামী বছরের ইজতেমাকে ঘিরে নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা আগেভাগেই নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, ইজতেমা’ আরবি শব্দ যার অর্থ সম্মেলন, সভা বা সমাবেশ। ‘বিশ্ব ইজতেমা’ শব্দটি বাংলা ও আরবি শব্দের সম্মিলনে সৃষ্ট। দিল্লীর নিজামুদ্দিন মসজিদের কাছে নূহ মাদ্রাসায় ১৯৪১ সালে সর্বপ্রথম তাবলিগ জামায়াতের ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে প্রায় ২৫ হাজার মুসল্লি অংশ নেন। ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দ থেকে প্রতি বছর এই সমাবেশ নিয়মিত আয়োজিত হয়ে আসছে।

বিশ্ব ইজতেমার মূল কাজ বা উদ্দেশ্য হলো মুসলমানদের ঈমান ও আমল ঠিক করা এবং আল্লাহর পথে মানুষকে দাওয়াত দেওয়া। দেশি-বিদেশি প্রখ্যাত ইসলামি গবেষক ও ওলামায়ে কেরাম কুরআন ও হাদিসের আলোকে ইসলামের মৌলিক বিধিবিধান ও জীবনপদ্ধতি সম্পর্কে বয়ান বা আলোচনা করেন। জাগতিক মোহ ও গোনাহের পথ ছেড়ে মানুষকে একমাত্র আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সা.) প্রদর্শিত পথে চলার উদ্বুদ্ধ করা হয়। এই ইজতেমা সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাশ্রমভিত্তিক একটি ধর্মীয় সমাবেশ।

বাংলাদেশে ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার রমনা পার্ক সংলগ্ন কাকরাইল মসজিদে তাবলিগ জামাতের বার্ষিক সম্মেলন বা ইজতেমা প্রথম অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রামে তৎকালীন হাজি ক্যাম্পে ইজতেমা হয়, ১৯৫৮ খ্রিষ্টাব্দে বর্তমান নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। তখন এটা কেবল ইজতেমা হিসেবে পরিচিত ছিল। প্রতিবছর ইজতেমায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দে রমনা ‍উদ্যানের স্থলে টঙ্গীর পাগার গ্রামের খোলা মাঠে ইজতেমার আয়োজন করা হয়। ওই বছর স্বাগতিক বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা অংশ নেওয়ায় ‘বিশ্ব ইজতেমা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বর্তমান অবধি ‘বিশ্ব ইজতেমা’ টঙ্গীর কহর দরিয়াখ্যাত তুরাগ নদের উত্তর-পূর্ব তীরসংলগ্ন ডোবা-নালা, উঁচু-নিচু মিলিয়ে রাজউকের হুকুমদখলকৃত ১৬০ একর জায়গার বিশাল খোলা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category