• শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
Headline
বিশ্বজুড়ে আবারও বাড়ছে মানুষের গড় আয়ু: ডব্লিউএইচও কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়াম চীনের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে বাংলাদেশকে থামাতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র ইলন মাস্কের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে যে বার্তা দিলেন জিলিস কোনো অন্যায়কে বিএনপি সরকার ছাড় দেবে না: প্রতিমন্ত্রী টুকু আখতারুজ্জামানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে মুক্তি দিতে হবে: গোলাম পরওয়ার মাল্টার কেজি ৫২০ টাকা, দাম নিয়ে ব্যবসায়ীদের জবাব চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৮ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১১২২ ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৬০৮ গাজীপুরে গার্মেন্টসে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৯ ইউনিট

এক বছরে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে ১০ শতাংশের বেশি

Reporter Name / ৫ Time View
Update : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

দেশের সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম এখন নিত্যপণ্যের বাজার। প্রতিদিন সকালে বাজারের থলে হাতে নিয়ে যখন একজন ক্রেতা বাজারে প্রবেশ করেন, তখন তার চোখেমুখে থাকে একরাশ হতাশা আর দীর্ঘশ্বাস। গত এক বছরের বাজার পরিস্থিতি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অতি প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যগুলোর দাম যেন কোনো এক অদৃশ্য রকেটের গতিতে ঊর্ধ্বমুখী হয়ে চলেছে। ডিম, ভোজ্যতেল এবং আটা-ময়দার মতো অপরিহার্য নিত্যপণ্যের এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধিতে রীতিমতো হাঁসফাঁস করছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের ক্রেতারা। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ বা টিসিবির নিজস্ব বাজারদরের তথ্য বিশ্লেষণ করেই এমন এক ভয়াবহ এবং উদ্বেগজনক চিত্র পাওয়া গেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এসব নিত্যপণ্যের দাম গড়ে দশ শতাংশেরও অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে গেলে এখন আর পকেটের টাকার সঙ্গে চাহিদার কোনো হিসাব মেলে না, বরং প্রতিটি পণ্য কিনতেই ক্রেতাকে নিজের প্রয়োজনীয় চাহিদার সঙ্গে আপস করে পিছু হটতে হচ্ছে।

টিসিবি-এর ওয়েবসাইটের তথ্যভাণ্ডার ঘেঁটে দেখা যায়, গত বছরের এক ও দুই অক্টোবরের ঢাকা মহানগরীর খুচরা বাজারদরের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া না গেলেও, ২০২৫ সালের তিন অক্টোবরের দরের সঙ্গে সদ্য সমাপ্ত গতকালের বাজারদরের একটি তুলনামূলক চিত্র তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। এই পরিসংখ্যানগত তুলনার ফলাফল সাধারণ ক্রেতার জন্য মোটেও স্বস্তিদায়ক নয়। তথ্য বলছে, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল গতকাল বাজারে বিক্রি হয়েছে ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা দরে। অথচ ঠিক এক বছর আগে, অর্থাৎ গত বছরের তিন অক্টোবর এই একই খোলা সয়াবিন তেলের দাম ছিল ১৭২ থেকে ১৭৮ টাকার মধ্যে। এই সাধারণ গাণিতিক হিসাব থেকে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বেরিয়ে আসে যে, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে দেশের বাজারে খোলা সয়াবিন তেলের সর্বনিম্ন দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ১৮ টাকা, যা শতকরা হিসাবে দশ দশমিক চার সাত শতাংশ। একটি সাধারণ পরিবারের রান্নাঘরে ভোজ্যতেলের এই পরিমাণ দাম বৃদ্ধি পুরো মাসের পারিবারিক বাজেটের ওপর কী পরিমাণ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, তা কেবল ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষই হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন।

একই সময়ে খোলা তেলের পাশাপাশি বোতলজাত সয়াবিন তেলের দামেও লেগেছে আগুন। টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তিন অক্টোবর এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৮৮ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হলেও, গতকাল তা কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হয়েছে ২০৪ টাকা। সর্বনিম্ন দরের হিসাব বিবেচনায় নিলে দেখা যায়, এক বছরের ব্যবধানে এক লিটারের বোতলে দাম বেড়েছে ১৬ টাকা বা আট দশমিক পাঁচ এক শতাংশ। দুই লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের ক্ষেত্রেও এই মূল্যবৃদ্ধির পাগলা ঘোড়া সমানে ছুটে চলেছে। গত বছরের অক্টোবরের শুরুতে যে দুই লিটারের বোতল ৩৭৫ থেকে ৩৮০ টাকায় অনায়াসে পাওয়া যেত, গতকাল তা এক লাফে বেড়ে ৪১০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। এক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দর বিবেচনায় এক বছরে দাম বেড়েছে ৩৫ টাকা বা নয় দশমিক তিন তিন শতাংশ। অন্যদিকে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষের রান্নাঘরের সবচেয়ে বড় ভরসা যে খোলা পাম অয়েল, সেখানেও এক ফোঁটা স্বস্তি অবশিষ্ট নেই। গত বছরের ঠিক একই সময়ে প্রতি লিটার পাম অয়েল যেখানে ১৫৩ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হতো, এখন তা কিনতে হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা দিয়ে। অর্থাৎ, সমাজের সবচেয়ে দরিদ্র মানুষটি যে তেল ব্যবহার করেন, তার দামও এক বছরে সর্বনিম্ন দর বিবেচনায় ১৭ টাকা বা ১১ দশমিক ১১ শতাংশ বেড়ে গেছে।

ভোজ্যতেলের এই ঊর্ধ্বমুখী দামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে আটা ও ময়দার দাম। দেশের অসংখ্য দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষের সকাল বা রাতের রুটির জোগান আসে এই আটা থেকে। কিন্তু গত বছরের তুলনায় খোলা আটার দামও এরই মধ্যে ১১ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে। গত বছর যে খোলা আটা সর্বনিম্ন ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, এবার তা কিনতে হচ্ছে ৫০ টাকা দিয়ে। তবে সবচেয়ে বড় এবং অবিশ্বাস্য উল্লম্ফন দেখা গেছে খোলা ময়দার দামের ক্ষেত্রে। এক বছরের ব্যবধানে খোলা ময়দার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে সর্বাধিক, যা শতকরা হিসাবে ২৭ শতাংশেরও বেশি। গত বছর সর্বনিম্ন ৫৫ টাকায় বিক্রি হওয়া এক কেজি খোলা ময়দা গতকাল বাজারে বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকায়। আটা ও ময়দার মতো এমন একটি বেসিক বা মৌলিক খাদ্যপণ্যের দাম এভাবে ২৭ শতাংশ বেড়ে যাওয়াটা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য এক অশনিসংকেত। এর ফলে বেকারির পণ্য থেকে শুরু করে ফুটপাতের সাধারণ চায়ের দোকানের পরোটা বা সিঙ্গাড়ার দামও জ্যামিতিক হারে বেড়ে যাচ্ছে, যার চূড়ান্ত মাশুল গুনতে হচ্ছে সেই সাধারণ ক্রেতাকেই।

বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের সাধারণ মানুষের প্রাণিজ আমিষ বা পুষ্টির চাহিদা পূরণে সবচেয়ে সহজলভ্য ও সস্তা উপাদান হলো ডিম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ডিমের বাজার এতটাই অস্থির হয়ে উঠেছে যে, সাধারণ মানুষের পাত থেকে ডিমও এখন উধাও হতে বসেছে। গত বছরের একই সময়ে প্রতি হালি ডিম ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হলেও, এবার তা বেড়ে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ডজনপ্রতি ডিমের দাম ১৩০ থেকে ১৪৫ টাকার ঘর পেরিয়ে এখন ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। রাজধানীর বড় বাজারগুলোর তুলনায় অলিগলির ছোট বাজার বা মুদি দোকানগুলোতে ফার্মের লাল ডিমের দাম আরও বেশি চড়া, সেখানে ডজনপ্রতি ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায়। আর যদি কোনো নিম্ন আয়ের মানুষ ছোট দোকান থেকে খুচরা হিসেবে একটি মাত্র ডিম কিনতে যান, তবে তাকে গুনতে হচ্ছে ১৪ থেকে ১৫ টাকা। আমিষের সবচেয়ে সস্তা উৎসের এই আকাশচুম্বী দাম সাধারণ মানুষের পুষ্টিহীনতার ঝুঁকিকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বাজারের এই বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মনের অবস্থা কতটা করুণ, তা বোঝা যায় কারওয়ান বাজারে বাজার করতে আসা তৌহিদ হোসেনের মতো সাধারণ ক্রেতাদের কথা শুনলে। তিনি অত্যন্ত আক্ষেপের সঙ্গে জানান যে, দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর থেকে এমন কোনো পণ্য নেই যার দাম বাড়েনি। মাছ, মাংস, সবজি থেকে শুরু করে চাল, ডাল, তেল—সবকিছুর দামই এখন সাধারণ মানুষের নাগালের সম্পূর্ণ বাইরে। একটি মাত্র ডিম কিনতে গিয়েও যখন ১৪ টাকা খরচ হয়ে যায়, তখন পরিবারের অন্য সদস্যদের পুষ্টির জোগান দেওয়াটা রীতিমতো অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। তিনি অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে একটি চরম বাস্তবতার কথা তুলে ধরে বলেন যে, খবরের কাগজে বা টেলিভিশনের পর্দায় দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বাড়ার বড় বড় গল্প শোনা গেলেও, বাস্তব জীবনে পকেটের অবস্থা বলছে সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় দিন দিন কমছে। আগে যে বাজার এক হাজার টাকায় খুব স্বাচ্ছন্দ্যে করা যেত, এখন ঠিক সেই একই বাজার করতে দেড় হাজার টাকা পকেটে নিয়েও হিসাব মেলানো যাচ্ছে না। এটি শুধু তৌহিদ হোসেনের একার গল্প নয়, এটি আজ বাংলাদেশের প্রতিটি নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রতিদিনের বেঁচে থাকার নিষ্ঠুর সংগ্রাম।

কারওয়ান বাজারের কাঁচাবাজার ঘুরে দেখলে এই হতাশার চিত্র আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বাজারের বেশির ভাগ সবজিই এখন কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। শুধুমাত্র মিষ্টি কুমড়া ও পেঁপের মতো দুই-একটি সবজির দাম ৫০ টাকার নিচে থাকলেও, কাঁচামরিচের দাম আবার সেঞ্চুরি পার করে কেজিপ্রতি ১৫০ টাকা ছুঁয়েছে। খুচরা বাজারে গিয়ে এক পোয়া বা ২৫০ গ্রাম কাঁচামরিচ কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ৪০ টাকা। তবে মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা সামান্য কমলেও, তা ক্রেতাদের মনে কোনো স্বস্তি ফেরাতে পারেনি। কারণ মাছ ও অন্যান্য মাংসের বাজার এখনো সাধারণ মানুষের জন্য এক অলীক স্বপ্ন হয়েই আছে। বাজার করতে আসা মানুষের ব্যাগের আকার দিন দিন ছোট হচ্ছে, আর তার বিপরীতে বাজারের খরচ বেড়েই চলেছে।

পণ্যের এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধির পেছনে খুচরা বিক্রেতারা অবশ্য বরাবরের মতোই নিজেদের একগুচ্ছ অজুহাত দাঁড় করিয়ে রেখেছেন। তারা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষেতে পানি জমে ফসল নষ্ট হওয়ার কারণে বাজারে বেশ কয়েকটি সবজির সরবরাহ মারাত্মকভাবে কমে গেছে, আর অর্থনীতির সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সরবরাহ কমলে দাম বেড়ে যায়। এর পাশাপাশি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে পরিবহন ব্যয় বা ট্রাক ভাড়া আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব এসে পড়ছে প্রতিটি পণ্যের চূড়ান্ত খুচরা মূল্যের ওপর। বিক্রেতাদের এই যুক্তিগুলো একেবারে ফেলে দেওয়ার মতো না হলেও, সাধারণ ক্রেতারা মনে করেন যে এই অজুহাতগুলোকে পুঁজি করে অসাধু সিন্ডিকেটগুলো কৃত্রিম সংকট তৈরি করে নিজেদের পকেট ভারী করছে।

নিত্যপণ্যের এই লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি নিয়ে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের বা ক্যাব-এর সভাপতি এএইচএম সফিকুজ্জামান অত্যন্ত কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি মনে করেন, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে নিত্যপণ্যের এতটা দাম বাড়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়, এটি অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক একটি ঘটনা। দেশে মূল্যস্ফীতির হার এতটাই অত্যধিক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপন এখন রীতিমতো কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। ব্যবসায়ীদের নৈতিকতার চরম অবক্ষয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন যে, এরা প্রায়ই বৃষ্টি, বন্যা, সরকারি ছুটির দিন বা অন্য যেকোনো ছোটখাটো কারণকে দাম বাড়ানোর প্রধান অজুহাত হিসেবে ঢাল করে ব্যবহার করেন। বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব সব খাতেই পড়েছে সত্য, কিন্তু পরিবহন মালিক, চালক ও ব্যবসায়ীরা এটিকে পুঁজি করে অযৌক্তিকভাবে প্রতিটি স্তরে দাম বাড়িয়ে চলেছেন। ক্যাব সভাপতির সবচেয়ে বড় আক্ষেপের জায়গা হলো, বাজারে সরকারের কোনো কার্যকর বা দৃশ্যমান নজরদারি নেই। উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং বাজার তদারকি করে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে সরকারের কাছে বাস্তবসম্মত ও টেকসই কোনো সমাধান আছে বলেও তিনি মনে করেন না। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে দেশের প্রান্তিক মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রায় এক নীরব দুর্ভিক্ষ নেমে আসবে, যা কোনোভাবেই একটি স্বাধীন ও উন্নয়নকামী রাষ্ট্রের কাম্য হতে পারে না।

তথ্যসূত্র: বণিক বার্তা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category