• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
Headline
এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা, সেই মামা ওবায়দুর কারাগারে সাবেক ৭ এমপির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা, ৩ জনকে সম্পদ বিবরণীর নোটিশ মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক পোশাক খাতের সমস্যা সমাধানে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ট্রাম্পের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কুশল বিনিময় তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক: বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সমুদ্রের তলদেশে আটকা ১,৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ মবের শিকার হাজার শিক্ষক কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না

তেল-গ্যাস নিশ্চিতে বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকছে সরকার

Reporter Name / ১২২ Time View
Update : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্য পরিবহন প্রায় থমকে যাওয়ায় জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে কাতার, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর দীর্ঘদিনের নির্ভরতা এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দ্রুত বিকল্প উৎস হিসেবে আটটি দেশের দিকে হাত বাড়িয়েছে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ভারত, অ্যাঙ্গোলা, থাইল্যান্ডের পাশাপাশি নতুন করে ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে জোরদার করা হচ্ছে যোগাযোগ।

বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, বিকল্প এসব উৎস থেকে জ্বালানি আনতে খরচ কিছুটা বেশি পড়লেও বড় সুবিধা হচ্ছে সময় সাশ্রয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই দেশগুলো থেকে পণ্য আনতে জাহাজগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে হয় না। ইতিমধ্যে এসব দেশ থেকে জ্বালানি তেল ও গ্যাস নিয়ে ২১টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। গতকাল বৃহস্পতিবারও ডিজেল ও জেট ফুয়েল বোঝাই একটি জাহাজ বন্দরে নোঙর করেছে। এছাড়া এই মাসেই ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে আরও দুটি এলএনজি ও এলপিজি বোঝাই জাহাজ আসার কথা রয়েছে।

জ্বালানি আমদানির এই পরিবর্তিত চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে ২৫ থেকে ৩০টি জাহাজ পণ্য খালাস করেছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার জাহাজের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা জাহাজের সংখ্যা খুবই নগণ্য, যার বেশিরভাগই যুদ্ধ শুরুর আগে রওনা দিয়েছিল। বিপিসি জানিয়েছে, অপরিশোধিত তেলের (ক্রুড অয়েল) ঘাটতি মেটাতে আগামী মাসে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে বিকল্প পথে এক লাখ টন তেল আনার বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সংকট নিরসনে বাংলাদেশ শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও দূরত্ব ও অতিরিক্ত জাহাজ ভাড়ার কারণে সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি। এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা গেছে। দেশে ব্যবহৃত এলএনজির প্রায় ৮০ শতাংশই আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে, যা বর্তমানে প্রায় বন্ধ। এমন অবস্থায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর ওপরই এখন ভরসা রাখছে সরকার। জরুরি চাহিদা মেটাতে সরকার এরই মধ্যে ৩ লাখ টন ডিজেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category