• বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন
Headline
ছাত্রদলের ক্যাম্পাস, ছাত্রদলের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে: জবি ভিসিকে শাসালেন ছাত্রদল নেতা ১০টি পর্যবেক্ষণ বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: তথ্য উপদেষ্টা শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন নিয়ে অবস্থান জানাল দিল্লি ৬ গিগাহার্জ ব্যান্ডের ৭০০ মেগাহার্জ ওয়াই-ফাইয় উন্মুক্তে আপত্তি বিটিআরসির ১৩ বছরের সর্বনিম্ন: বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতি ৩৭% হ্রাস নাগরিক সেবায় কোটা ব্যবস্থার অমীমাংসিত বিতর্ক: দুই বছর পরো সংস্কার নিয়ে স্থবিরতা রাজনৈতিক বিবেচনায় ২৬৫ ডিএজি-এএজি নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জে রিট

তেল-গ্যাস নিশ্চিতে বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকছে সরকার

Reporter Name / ১০৩ Time View
Update : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্য পরিবহন প্রায় থমকে যাওয়ায় জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে কাতার, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর দীর্ঘদিনের নির্ভরতা এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দ্রুত বিকল্প উৎস হিসেবে আটটি দেশের দিকে হাত বাড়িয়েছে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ভারত, অ্যাঙ্গোলা, থাইল্যান্ডের পাশাপাশি নতুন করে ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে জোরদার করা হচ্ছে যোগাযোগ।

বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, বিকল্প এসব উৎস থেকে জ্বালানি আনতে খরচ কিছুটা বেশি পড়লেও বড় সুবিধা হচ্ছে সময় সাশ্রয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই দেশগুলো থেকে পণ্য আনতে জাহাজগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে হয় না। ইতিমধ্যে এসব দেশ থেকে জ্বালানি তেল ও গ্যাস নিয়ে ২১টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। গতকাল বৃহস্পতিবারও ডিজেল ও জেট ফুয়েল বোঝাই একটি জাহাজ বন্দরে নোঙর করেছে। এছাড়া এই মাসেই ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে আরও দুটি এলএনজি ও এলপিজি বোঝাই জাহাজ আসার কথা রয়েছে।

জ্বালানি আমদানির এই পরিবর্তিত চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে ২৫ থেকে ৩০টি জাহাজ পণ্য খালাস করেছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার জাহাজের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা জাহাজের সংখ্যা খুবই নগণ্য, যার বেশিরভাগই যুদ্ধ শুরুর আগে রওনা দিয়েছিল। বিপিসি জানিয়েছে, অপরিশোধিত তেলের (ক্রুড অয়েল) ঘাটতি মেটাতে আগামী মাসে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে বিকল্প পথে এক লাখ টন তেল আনার বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সংকট নিরসনে বাংলাদেশ শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও দূরত্ব ও অতিরিক্ত জাহাজ ভাড়ার কারণে সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি। এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা গেছে। দেশে ব্যবহৃত এলএনজির প্রায় ৮০ শতাংশই আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে, যা বর্তমানে প্রায় বন্ধ। এমন অবস্থায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর ওপরই এখন ভরসা রাখছে সরকার। জরুরি চাহিদা মেটাতে সরকার এরই মধ্যে ৩ লাখ টন ডিজেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category