• শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
Headline
এনসিপির পালে নতুন হাওয়া: নাগরিক পার্টিতে নাম লেখালেন ইসহাক, রনি ও কাফি বিচার বিভাগের সংস্কার ও রাজনৈতিক ঐক্য নিয়ে আইনমন্ত্রীর কড়া বার্তা শিক্ষিকাকে জুতাপেটা ও বিএনপি নেতার বহিষ্কার: ভাইরাল ভিডিওর নেপথ্যের আসল ঘটনা কী? প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে কুষ্টিয়ায়: অনলাইনে পরিচয়, অতঃপর পরিণয় হামে ২৪ ঘণ্টায় ৭ শিশুর মৃত্যু, সন্দেহভাজন আক্রান্ত ১২১৫ তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণেই কৃত্রিম সংকট: মির্জা ফখরুল গণভোটের রায় ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে ১১ দলের প্যাকেজ কর্মসূচি জ্বালানি তেল আমদানির বাড়তি ব্যয় ভোক্তার ঘাড়ে পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী ‘যারা গুপ্ত বলে, ১৭ বছর তারাই বিদেশে লুকিয়ে ছিল’: গোলাম পরওয়ারের কড়া সমালোচনা টিকার খরা ও হামের কামড়: বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের অর্জন কি এখন হুমকির মুখে?

বিমানের বিশ্বযাত্রার নতুন ব্লু-প্রিন্ট

Reporter Name / ৩ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

বিশ্বায়নের এই যুগে একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাপকাঠি হলো তার নিজস্ব উড়োজাহাজ পরিবহন ব্যবস্থা বা ন্যাশনাল ক্যারিয়ারের শক্তিশালী অবস্থান। দীর্ঘদিন ধরে নানান সীমাবদ্ধতা ও কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে আন্তর্জাতিক এভিয়েশন বাজারে কাঙ্ক্ষিত শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারেনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। তবে এবার সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে আকাশপথে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে এক অভাবনীয় ও যুগান্তকারী মহাপরিকল্পনা বা মেগাপ্ল্যান হাতে নিয়েছে সংস্থাটি। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক রুটে বিমানের ডানা আরও প্রশস্ত করতে বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা বর্তমানের ১৯টি থেকে বাড়িয়ে ৪৭টিতে উন্নীত করার এক বিশাল লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সাথে, বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে নতুন রুট চালুর মাধ্যমে আকাশপথে যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি কার্গো বা পণ্য পরিবহনেও একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই মহাপরিকল্পনা কেবল বিমানের নিজস্ব ব্যবসায়ের সম্প্রসারণই নয়, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি, প্রবাসী কল্যাণ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা।

বিমানের এই মেগাপ্ল্যানের পেছনের সবচেয়ে বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে প্রতি বছর হজ মৌসুমে সৃষ্ট চরম শিডিউল বিপর্যয় এবং নিয়মিত রুটগুলোর স্থবিরতা। বিমানের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো থেকে এবং অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, প্রতি বছর হজের সময় হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ যাত্রীকে সৌদি আরবে পৌঁছে দিতে গিয়ে বিমানকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। নিজস্ব উড়োজাহাজের স্বল্পতার কারণে হজ ফ্লাইটের চাপ সামলাতে গিয়ে বাধ্য হয়েই অন্যান্য লাভজনক ও নিয়মিত আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে ফ্লাইটের সংখ্যা কমিয়ে আনতে হয় সংস্থাটিকে। অনেক সময় পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, উড়োজাহাজের অভাবে দু-একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট সাময়িকভাবে পুরোপুরি বন্ধও রাখতে হয়। এর ফলে নিয়মিত যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় এবং তারা বাধ্য হয়ে বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর দিকে ঝুঁকে পড়েন। এতে বিমানের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় হাতছাড়া হয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে এর সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়। মূলত এই দীর্ঘস্থায়ী সংকট থেকে চিরতরে উত্তরণ এবং হজ মৌসুমের পাশাপাশি সারা বছর নিয়মিত রুটগুলোতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই বহর সম্প্রসারণের এই মেগাপ্ল্যান চূড়ান্ত করেছে বিমান কর্তৃপক্ষ।

বহর সম্প্রসারণের এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উড়োজাহাজ কেনা ও লিজ নেওয়ার ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, ২০৩৪-৩৫ অর্থবছরের মধ্যে বিমানের বহরে মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াবে ৪৭টিতে। এর মধ্যে নতুন করে ১৪টি অত্যাধুনিক উড়োজাহাজ সরাসরি কেনা হবে এবং বাকি উড়োজাহাজগুলো বিভিন্ন মেয়াদে লিজ বা ভাড়ায় সংগ্রহ করা হবে। ইতিমধ্যে এই ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ ক্রয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বখ্যাত উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সাথে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে। সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও এভিয়েশন সূত্রগুলোর তথ্যমতে, বোয়িংয়ের সাথে এই চুক্তিতে বিশ্বমানের এবং জ্বালানি সাশ্রয়ী বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার, ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং মাঝারি দূরত্বের জন্য বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স মডেলের উড়োজাহাজগুলো যুক্ত করার বিষয়ে জোরালো আলোচনা চলছে। এই ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজগুলো দূরপাল্লার ফ্লাইটে যাত্রীদের সর্বোচ্চ আরামদায়ক ভ্রমণের নিশ্চয়তা দেওয়ার পাশাপাশি এয়ারলাইন্সের পরিচালন ব্যয় কমাতেও বিশাল ভূমিকা রাখবে।

বর্তমান সরকারের উচ্চপর্যায়েও বিমানের এই রুগ্‌ণ দশা কাটিয়ে ওঠার বিষয়ে ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সাথে বিমানের সার্বিক অবস্থা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং বহর সম্প্রসারণ নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকের পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, বিমানের বহর দ্রুত সম্প্রসারণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা অনুযায়ী লিজ প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই জোরকদমে শুরু হয়ে গেছে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই লিজ নেওয়া বেশ কয়েকটি উড়োজাহাজ বিমানের বহরে যুক্ত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে, যা বিমানের বর্তমান রুটগুলোর শিডিউল বিপর্যয় ঠেকাতে তাৎক্ষণিক সমাধান হিসেবে কাজ করবে। এর পাশাপাশি, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে বোয়িং ক্রয়ের বিষয়ে যে খসড়া চুক্তিটি তৈরি করা হয়েছিল, সেটি বর্তমানে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যেই বোয়িংয়ের এই চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত ও নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

নতুন উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হওয়ার সমান্তরালে বিমান তাদের রুট সম্প্রসারণের এক বিশাল জাল বিছানোর পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। এই রুট সম্প্রসারণ পরিকল্পনার প্রথম ধাপে, অর্থাৎ আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে মালদ্বীপের রাজধানী মালে, মিয়ানমারের প্রধান শহর ইয়াঙ্গুন এবং স্বপ্নের গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে নিউইয়র্ক রুটটি বিমানের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রতীক্ষিত এবং মর্যাদাপূর্ণ। ২০০৬ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে এই রুটে ফ্লাইট চালুর জন্য বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং বিমান অনেক দিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) ক্যাটাগরি-১ রেটিং অর্জনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মেগাপ্ল্যানের অংশ হিসেবে এই বাধা দূর করে নিউইয়র্কে ডানা মেলার বিষয়টি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক বিশাল সুখবর। এছাড়া, গত ২০২৫ সালের জুলাই মাস থেকে কোনো এক অজ্ঞাত কারণে বন্ধ থাকা অত্যন্ত লাভজনক ঢাকা-নারিতা (জাপান) রুটটিও এই ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই পুনরায় চালু করার বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।

রুট সম্প্রসারণের দ্বিতীয় ধাপে, অর্থাৎ ২০২৮ সালের মধ্যে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য চীনের কুনমিং এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইনে সরাসরি ফ্লাইট শুরু করবে বিমান। এরপরের ধাপে, ২০২৯ সালে বিমানের ডানা ছড়িয়ে পড়বে একেবারে সুদূর অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল রুটে। এই নতুন গন্তব্যগুলো নির্বাচনের ক্ষেত্রে কেবল খেয়ালখুশি নয়, বরং অত্যন্ত সুগভীর বাজার বিশ্লেষণ এবং ভিন্ন ভিন্ন যাত্রীদের সুনির্দিষ্ট চাহিদাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

গন্তব্যভিত্তিক বাজার বিশ্লেষণের দিকে তাকালে বিমানের এই পরিকল্পনার মুনশিয়ানা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যেমন, চীনের কুনমিং রুটে ফ্লাইট চালুর প্রধান লক্ষ্য হলো চীনের সাথে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক। এই রুটে মূলত ব্যবসায়ী, শিল্পপতি এবং আমদানিকারকদের নিরাপদ ও দ্রুত যাতায়াতের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ কার্গো বা পণ্য পরিবহনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, বাহরাইন রুটটি সম্পূর্ণভাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিশাল শ্রমবাজারকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হবে, যা দেশের রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করবে। আবার সিডনি, সিউল ও জাকার্তার মতো রুটগুলোতে নজর দেওয়া হয়েছে মূলত উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশগামী শিক্ষার্থী, বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত পেশাজীবী এবং উচ্চ আয়ের পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্য। এছাড়া, মালদ্বীপের মালে এবং মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন রুটে আঞ্চলিক পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াত বিমানের রাজস্ব আয়ের একটি বড় উৎস হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর নিউইয়র্ক রুটের কথা বলতে গেলে, সেখানে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি এবং শিক্ষার্থীদের শেকড়ের টানই হবে এই রুটের প্রধান চালিকাশক্তি।

বিমানের এই সুদূরপ্রসারী ও দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনার বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম অত্যন্ত আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমান তীব্র প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক এভিয়েশন বাজারে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হলে বহর সম্প্রসারণের কোনো বিকল্প নেই। তাই একটি সুনির্দিষ্ট ছক কষে ধাপে ধাপে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করে বিমানকে কাঠামোগতভাবে আরও শক্তিশালী করার এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে হজ মৌসুমের সেই পুরোনো ও ক্লান্তিকর বাড়তি চাপ অনায়াসেই সামলানো সম্ভব হবে এবং একই সাথে সারা বছর নিয়মিত রুটগুলোতেও স্থিতিশীলতা ও যাত্রীদের আস্থা ফিরে আসবে।

তিনি আরও বিশদভাবে ব্যাখ্যা করে জানান যে, প্রতিটি নতুন রুট চালুর আগেই সেটি বাণিজ্যিকভাবে কতটা লাভজনক হবে, তার চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। প্রবাসী, ব্যবসায়ী ও পর্যটন খাতের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের যাত্রীদের বহুমুখী চাহিদাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এই নতুন গন্তব্যগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সাথে নির্বাচন করা হচ্ছে। রুটভিত্তিক এই আয়-ব্যয় বিশ্লেষণ বা ফিজিবিলিটি স্টাডির মাধ্যমেই মূলত ধাপে ধাপে এই মহাপরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। এর ফলে একদিকে যেমন বিমানের অপারেশনাল বা পরিচালনগত দক্ষতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে, তেমনি অন্যদিকে অপচয় রোধ করে কঠোরভাবে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করাও সম্ভব হবে। সব মিলিয়ে, ৪৭টি উড়োজাহাজের এই বিশাল বহর এবং বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত নতুন রুটগুলোর এই মেগাপ্ল্যান যদি সফলভাবে আলোর মুখ দেখে, তবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স অচিরেই এশিয়ার আকাশে এক দাপুটে ও লাভজনক এভিয়েশন ব্র্যান্ড হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে, যা স্বাধীন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category