• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
Headline
রাতের ভ্রমণে ১০টি সতর্কতা মালয়েশিয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসকে দেখতে গেলেন গোলাম পরওয়ার দিল্লি ফেরালেই আইনি সুরক্ষা, তবে শাস্তি আদালতের হাতে: হাসিনার পরিণতি নিয়ে সরকারের স্পষ্ট বার্তা কোরবানির ঈদ নিয়ে ভিন্ন ভাবনায় পরীমনি পেলের রাজকীয় রেকর্ডে নেইমারের ছোঁয়া: ১০ নম্বর জার্সিতে সেলেসাওদের শেষ মহাকাব্যের অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব ফুটপাত পথচারীর, নাকি হকারের? জায়গা বরাদ্দ নীতিমালার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের কড়া রুল আগ্রাসনের কড়া জবাব: সীমান্তে প্রতিরোধের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ কওমি রাজনীতিতে ক্ষমতার নতুন মেরুকরণ: জামায়াত-হেফাজত স্নায়ুযুদ্ধে ভাঙনের মুখে ইসলামী ঐক্য ‘ভূমি সেবা জনগণের প্রতি করুণা নয়’: হয়রানিমুক্ত আধুনিক ব্যবস্থাপনার কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়ন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন রূপরেখা

‘ভূমি সেবা জনগণের প্রতি করুণা নয়’: হয়রানিমুক্ত আধুনিক ব্যবস্থাপনার কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

Reporter Name / ৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে ‘ভূমি অফিস’ শব্দটি দীর্ঘকাল ধরে এক চরম আতঙ্কের নাম। একটি সামান্য খতিয়ান তোলা, জমির নামজারি করা কিংবা খাজনা দেওয়ার জন্য দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ভূমি অফিসে জুতা ক্ষয়ের যে তিক্ত অভিজ্ঞতা এ দেশের মানুষের রয়েছে, তা রীতিমতো অমানবিক। পদে পদে দালালদের দৌরাত্ম্য, ঘুষ ছাড়া ফাইলের চাকা না ঘোরা এবং সরকারি কর্মকর্তাদের চরম অসহযোগিতামূলক আচরণের কারণে জমিজমা সংক্রান্ত সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষ যে সীমাহীন দুর্নীতির শিকার হয়েছেন, তা দেশের প্রশাসনিক কাঠামোর অন্যতম বড় এক কলঙ্ক। তবে এবার সেই কালো অধ্যায়ের চিরতরে অবসান ঘটাতে অত্যন্ত কঠোর এবং সুস্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, দেশের প্রতিটি নাগরিক এখন থেকে অত্যন্ত সহজে তাদের জমির আইনি সেবা পাবেন এবং এই সেবা নিতে গিয়ে কোনো মানুষকে আর এক টাকারও দুর্নীতির শিকার হতে হবে না। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নবনির্মিত ভূমি ভবনে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘ভূমি সেবা মেলা-২০২৬’-এর এক আড়ম্বরপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এই যুগান্তকারী ও জনবান্ধব ঘোষণা দেন। পুরো অনুষ্ঠানজুড়েই প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে ছিল সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ভোগান্তি লাঘবের দৃঢ় প্রত্যয় এবং সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি জবাবদিহিতার কঠোর হুঁশিয়ারি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া দীর্ঘ ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনার অতীত দূরবস্থা এবং বর্তমান সরকারের রূপকল্পের কথা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। সাধারণ মানুষের হয়রানির কথা স্মরণ করে তিনি সরাসরি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য এমন একটি ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা, যেখানে ভূমি সেবা গ্রহণের জন্য মানুষকে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না। আমরা এমন একটি পরিবেশ চাই যেখানে জনগণকে দুর্নীতি কিংবা হয়রানির শিকার হতে হবে না।” প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এটা সম্পূর্ণ পরিষ্কার যে, সরকার ভূমি প্রশাসনকে একটি সম্পূর্ণ দালালমুক্ত এবং জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে বদ্ধপরিকর। যুগের পর যুগ ধরে ভূমি অফিসের বারান্দায় অপেক্ষমাণ যে ক্লান্ত ও অসহায় মানুষের চিত্র আমরা দেখে আসছি, আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় সেই চিত্রের সম্পূর্ণ পরিবর্তন ঘটিয়ে সাধারণ মানুষকে ঘরে বসেই নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেওয়ার যে অঙ্গীকার, এটি তারই এক জোরালো প্রতিফলন।

দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজানো এবং আধুনিকীকরণ করার এই উদ্যোগ কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক অঙ্গীকারের একটি সফল বাস্তবায়ন। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে স্মরণ করিয়ে দেন যে, আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনার এই রূপরেখা তারা নির্বাচনের অনেক আগেই প্রণয়ন করেছিলেন। জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকীকরণ করে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে জনগণকে সহায়তার লক্ষ্যে সারা দেশে ভূমি সেবা মেলা আয়োজন এবং ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ ও আধুনিকীকরণ করার ব্যাপারে আমরা জাতীয় নির্বাচনের কয়েক বছর আগে প্রণীত ৩১ দফা এবং সর্বশেষ নির্বাচনী ইশতেহারেও বিষয়টি উল্লেখ করেছিলাম।” তিনি আরও জানান, সেই ইশতেহার এবং জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতাতেই আজ ভূমি প্রশাসনের প্রায় সব সেবাকে ম্যানুয়াল পদ্ধতি থেকে বের করে এনে সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ই-নামজারি, অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, ডিজিটাল রেকর্ড রুম এবং অনলাইনে খতিয়ান উত্তোলনের মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপগুলো নাগরিকদের জন্য ভূমি সেবা গ্রহণকে আগের চেয়ে বহুগুণ সহজ, দ্রুত এবং কার্যকর করে তুলেছে।

বাংলাদেশে দেওয়ানি বা সিভিল আদালতগুলোতে বর্তমানে যত মামলা ঝুলে আছে, পরিসংখ্যান ঘাটলে দেখা যায় তার প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই হলো জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ। একটি জমির ভুল রেকর্ড, খতিয়ানে নামের সামান্য ভুল কিংবা জাল দলিলের কারণে যুগের পর যুগ ধরে আদালতে ঘুরতে ঘুরতে অনেক পরিবারের সর্বস্বান্ত হওয়ার ইতিহাস এদেশে নতুন কিছু নয়। এই বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় যে প্রযুক্তির ব্যবহার, তা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে অনুধাবন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রযুক্তি নির্ভরতার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিয়ে তিনি বলেন, “ভূমি জমি ব্যবস্থাপনা যত বেশি আধুনিক এবং প্রযুক্তি নির্ভর করা যায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির পথও খুব সম্ভবত তত বেশি সহজ হয়ে যায়। জমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অনলাইন সুবিধা নিশ্চিত করায় জমিজমা সংক্রান্ত দুর্ভোগ অনেকাংশেই লাঘব হবে।” এর পাশাপাশি তিনি ভূমি অফিসের দালাল চক্রের প্রতি কড়া ইঙ্গিত করে বলেন, “একই সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ভূমি অফিসগুলোতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে। চলমান এই ভূমিসেবা মেলা আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিকদের নিজেদের দায়দায়িত্ব সম্পর্কেও আরও সচেতন করবে।” অর্থাৎ, নাগরিকরা যখন ঘরে বসেই নিজেদের জমির হালনাগাদ তথ্য জানতে পারবেন, তখন কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা দালাল তাদের আর ভুয়া তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করতে বা আর্থিকভাবে প্রতারিত করতে পারবে না।

জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাংলাদেশের মতো একটি ক্ষুদ্র আয়তনের দেশে ভূমির যে অর্থনৈতিক এবং সামাজিক গুরুত্ব তৈরি হয়েছে, সে বিষয়টিও অত্যন্ত গভীরভাবে উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। কৃষি জমি কমে যাওয়া এবং আবাসন সংকটের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, “দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মাথাপিছু জমির পরিমাণও কমে আসছে। ফলে জমির অর্থনৈতিক মূল্য যেমন বাড়ছে, তেমনি জমি নিয়ে বিরোধ, মামলা, মোকদ্দমা এবং জটিলতাও বাড়ছে।” এই জটিলতার সামাজিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, “একইসঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে এসব বিরোধ ব্যক্তি ও পরিবারের শান্তিও নষ্ট করার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন বাস্তবতায় ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার, নির্ভুল রেকর্ড সংরক্ষণ এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা বর্তমান সময়ের অপরিহার্য দাবি।” একটি সামান্য জমির টুকরো নিয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে সংঘাত কিংবা প্রতিবেশীর সাথে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের যে মর্মান্তিক খবরগুলো প্রায়শই গণমাধ্যমে আসে, একটি নিখুঁত ও ডিজিটাল ভূমি রেকর্ড ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমেই কেবল এই সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা সম্ভব। সরকার উন্নত স্যাটেলাইট প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল সার্ভে বা জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সারা দেশের প্রতিটি ইঞ্চির নির্ভুল ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত করতে যে বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছে, ভূমিসেবা মেলা তারই একটি দৃশ্যমান প্রমাণ।

বিগত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোতে যে চরম স্বৈরতান্ত্রিক এবং জবাবদিহিতাহীন পরিবেশ বিরাজ করছিল, তার অবসান ঘটিয়ে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও কল্যাণকামী রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বিষয়টি সামনে এনে তিনি বলেন, “শুধুমাত্র জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নয়, প্রতিটি ক্ষেত্রেই জনবান্ধব কর্মসূচি নিয়ে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে চায়। কারণ দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদ শাসন-শোষণের যাঁতাকলে পিষ্ট দেশের জনগণ বর্তমানে রাষ্ট্র এবং রাজনীতিতে তাদের অধিকারের প্রতিফলন দেখতে চান।” গণমানুষের এই আকাঙ্ক্ষা পূরণের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “এ কারণেই বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার প্রথম সপ্তাহ থেকে নির্বাচনী ইশতেহার এবং জুলাই সনদের প্রতিটি দফা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগ দিয়েছে।” এই ভূমিসেবা মেলার আয়োজনের মাধ্যমে সরকার মূলত জনগণের কাছে দেওয়া নির্বাচনী ইশতেহারের আরও একটি বড় দফার সফল বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে, যা জনগণের সাথে ওয়াদা পূরণের রাজনীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

একজন সাধারণ মানুষের কাছে এক খণ্ড জমি যে শুধু মাটি নয়, বরং তার আবেগ এবং অস্তিত্বের সমার্থক, সেই মানবিক দিকটিও স্পর্শ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি অত্যন্ত আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “জমি বা ভূমি শুধু এক টুকরো সম্পদই নয়, বরং মানুষের জীবনে এটি এক ধরনের নিরাপত্তা, নির্ভরতা, অর্থনৈতিক স্থিতি, জীবিকা এবং ভবিষ্যতের ভিত্তি।” সত্যিই তাই, গ্রামের একজন প্রান্তিক কৃষকের কাছে তার একখণ্ড জমিই তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। সেই জমি নিয়ে যখন কেউ ছিনিমিনি খেলে, তখন সেই কৃষকের পুরো পৃথিবী থমকে যায়। তাই জমি ব্যবস্থাপনাকে হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত করার অঙ্গীকার নিয়ে সাধারণ জনগণের দোরগোড়ায় সরাসরি রাষ্ট্রীয় সেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার যে বদ্ধপরিকর, তা প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি শব্দে অনুরণিত হয়েছে।

বক্তব্যের একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, তহসিলদার এবং সাধারণ কর্মচারীদের প্রতি এক অত্যন্ত কঠোর ও ঐতিহাসিক সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন। সরকারি চাকরিজীবীদের মাইন্ডসেট বা মানসিকতা পরিবর্তনের চূড়ান্ত তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, “ভূমি মন্ত্রণালয় মন্ত্রী থেকে শুরু করে এই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, সেবা প্রদান জনগণের প্রতি করুণা নয়, বরং জনগণের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটি হয়রানিমুক্ত, প্রযুক্তিনির্ভর এবং নাগরিকবান্ধব ভূমি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা, যা দেশের টেকসই উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে।” প্রধানমন্ত্রীর এই বজ্রকঠিন হুংকারের পর এটা আশা করাই যায় যে, ভূমি প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে এখন থেকে সাধারণ মানুষ তাদের প্রাপ্য সম্মান ও কাঙ্ক্ষিত আইনি সেবা পাবেন এবং দীর্ঘদিনের লালিত দুর্নীতির সেই বিষবৃক্ষ চিরতরে সমূলে উৎপাটন হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category