• শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
Headline
বিদেশ থেকে মহাখালীর হাসপাতাল পাড়া নিয়ন্ত্রণ করছে ‘রুবেল বাহিনী’ কতটুকু মাংস খাওয়া নিরাপদ? মাসিক ব্যবস্থাপনায় শৌচাগার সংকট ও সামাজিক সচেতনতার অভাব কলকাতায় কোরবানির ঈদ: রাজনৈতিক পালাবদলে চেনা উৎসবের নতুন রূপ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শনী ঘিরে হুমকি: উদ্বিগ্ন নির্মাতা ও সংস্কৃতিকর্মীরা আপনার হাতে থাকা টাকার মূল্য কতটা কমে গেছে জানেন? এটিএম বুথে নগদ টাকার সংকট, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ চামড়ার বাজারে চরম ধস হতাশায় ভুগছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে ঢুকলো ৪০ হাজার কাঁচা চামড়া যৌন সহিংসতার অভিযোগে জাতিসংঘ কর্তৃক ইসরাইল কালো তালিকাভুক্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশু জবাই করতে গিয়ে আহত দেড় শতাধিক

Reporter Name / ২ Time View
Update : শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহার উৎসবমুখর দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটতে গিয়ে অন্তত ১৫০ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আহত এই ব্যক্তিরা জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এসে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আহতদের বড় অংশই মাংস কাটতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ধারালো ছুরির আঘাতে হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছেন। এর পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন স্থানে অবাধ্য গরু ও মহিষের লাথির আঘাতেও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক অনিক দেব এই বিষয়ে জানান, ঈদের দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আনুমানিক দেড়শ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছেন। এদের প্রায় সবাই কোরবানির পশু জবাই ও আনুষঙ্গিক কাজ করতে গিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি জানান, আহতদের মধ্যে অনেকেরই হাত ও পায়ের জখম সারাতে একাধিক সেলাই দেওয়ার প্রয়োজন হয়েছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, আহতদের কারও অবস্থাই গুরুতর বা আশঙ্কাজনক ছিল না। প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেলাই শেষে তাদের সবাইকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

ঈদের ছুটির দিনে হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিস্থিতি নিয়ে জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালী জানান, অন্যান্য দিনের তুলনায় ঈদের দিনে জরুরি বিভাগে রোগীদের অতিরিক্ত চাপ ছিল। তবে এই আকস্মিক চাপ সামলাতে ও রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, বড় ধরনের যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি বা দুর্ঘটনা মোকাবিলার জন্য সার্জারি বিভাগের কনসালটেন্ট, সার্জন এবং হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category