• মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নিষেধাজ্ঞা মানা উচিত: জাহেদ উর রহমান

Reporter Name / ২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য দেশের গণমাধ্যমে প্রচার করার বিষয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এর পরও সম্প্রতি তার দেওয়া এনডিটিভিতে প্রচার করা সাক্ষাৎকার দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার হচ্ছে, যা ঠিক নয়। তাই গণমাধ্যমকে অনুরোধ করছি, তারা যেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি নিয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় আওয়ামী লীগের কর্মসূচি নিষিদ্ধ নিয়ে ডা. জাহেদ বলেন, যতদিন পর্যন্ত আদালতে আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে ততদিন তারা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।

তিনি বলেন, খুব দ্রুত তথ্য কমিশন গঠন করা হবে। আর গণমাধ্যম কমিশন নতুন করে আলোচনা করে গঠন করা হবে।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর খুব সফল একটা সফর ছিল। সরকার নিজস্ব নীতিতে অটল থেকে তার পররাষ্ট্রনীতি ঠিক করে।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকার ভূ-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নিজের দেশের স্বার্থের কথা চিন্তা করেই সিদ্ধান্ত নেবে। সে ক্ষেত্রে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে তা দেশের স্বার্থেই নেবে। এ ব্যাপারে অন্য কোনো দেশের শঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

তিনি বলেন, চীনের দক্ষ জনবল আছে, তাই তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে চীনের সাথে কাজ করলে ভারতের সাথে সম্পর্ক খারাপ হবে না।

পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখে সরকার ভূ-রাজনৈতিক সম্পর্ক ঠিক রাখতে চায়। তাই তিস্তার বিষয়ে সরকার কোন দেশের সাথে কাজ করবে, তা অন্য দেশের কনসার্নের বিষয় নয়।

ডা. জাহেদ বলেন, রাষ্ট্রের চাহিদার সাথে মিললে চায়না-মিয়ানমার-বাংলাদেশ সরাসরি যোগাযোগে সড়ক বা করিডর হতে পারে। এর সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। এর আগেও চায়না-মিয়ানমার-ভারত-বাংলাদেশ সরাসরি যোগাযোগের পরিকল্পনা ছিল। সেটা হয়নি।

বজ্রপাত কমানোতে সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি বলেন, বজ্রপাত কমাতে বজ্রপাত প্রবণ ১৫টি এলাকায় বজ্র নিরোধক যন্ত্র এবং ছাউনি প্রকল্প নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্যোগ মন্ত্রণালয়।

পুশইন নিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ভারত থেকে ১১৫ জন নাগরিককে পুশইন করতে দেয়নি বিজিবি। এ জন্য বিজিবিকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সরকার।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে টিআইবির প্রতিবেদন বলা হয়েছে। এটা তাদের রুটিন কাজ। তবে তাদের এই রিপোর্ট শুধু সেই সময়ের সরকারের জন্যই নয়, এটাতে একইসঙ্গে প্রশাসনের দুর্নীতির কথাও রয়েছে। তবে, সরকার অবশ্যই অন্তর্বর্তী সরকারের করা দুর্নীতির অভিযোগের বিষয় তদন্ত করবে।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এবং আওয়ামী লীগ সরকারের অভিজ্ঞতা থেকে বর্তমান সরকার দুর্নীতির ক্ষেত্রে সচেতন রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category