যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে নেওয়া হয়েছে। তার জানাজায় প্রায় ২ কোটি মানুষের উপস্থিতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এমনটি হলে এটি হবে ইরানের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জানাজার সমাবেশ।
শুক্রবার (৩ জুলাই) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জানাজা শেষে খামেনির মরদেহ তার জন্মস্থান মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিবারের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে তিনি নিহত হন।
এদিকে খামেনির ছেলে ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি তার বাবার জানাজার নামাজ পড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণে তাকে অনুমতি দেয়নি দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।
ভারতে নিযুক্ত সুপ্রিম লিডারের প্রতিনিধি হাকিম ইলাহী ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-কে জানান, হামলার পর এই প্রথম প্রকাশ্যে আসতে চেয়েছিলেন মোজতবা খামেনি। কিন্তু নিরাপত্তা সংস্থাগুলো মনে করেছে, এতে তার জীবনের বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে নতুন সর্বোচ্চ নেতাই জানাজার নামাজে ইমামতি করতেন। তবে বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া জানাজার নামাজ পরিচালনার জন্য মোজতবা খামেনি অন্য কাউকেও মনোনীত করেননি বলে জানান হাকিম ইলাহী।