• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন
Headline
লবণের রাজত্বে বিপন্ন জীবন: তৃষ্ণার্ত উপকূলে এক কলস পানির যুদ্ধ অলিগলি পেরিয়ে মূল সড়কে রাজত্ব: অনিয়ন্ত্রিত যন্ত্রযানের কবলে বিপন্ন জননিরাপত্তা ও অর্থনীতি পাম্পে হাহাকার, অথচ উপচে পড়ছে ডিপো: দেশীয় প্রতিষ্ঠানের অকটেন নিচ্ছে না সরকার মাঠে অরক্ষিত কৃষক: বজ্রপাত রোধের কোটি টাকার প্রকল্পগুলো গেল কোথায়? বাবার হাজার কোটি টাকায় মোহ নেই, লন্ডনে সাধারণ চাকরি করেন অক্ষয়-পুত্র প্রধানমন্ত্রী ও জাইমা রহমানকে বাফুফেতে আমন্ত্রণ জানালেন অধিনায়ক আফিদা হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে কাল থেকে সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু আ. লীগকেও পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত: রাশেদ খান জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফের শর্তের কোনো সম্পর্ক নেই: অর্থমন্ত্রী সংসদে সরকারি দলের এমপিদের অঙ্গভঙ্গি: তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জামায়াত আমিরের

কয়েক হাজার মার্কিন সেনা যুদ্ধজাহাজ নিয়ে লোহিত সাগরে অবস্থান!

Reporter Name / ৩৫২ Time View
Update : বুধবার, ৯ আগস্ট, ২০২৩

ইরানের হুমকি মোকাবিলায় দুটি যুদ্ধজাহাজে চড়ে লোহিত সাগরে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের ৩ হাজার সামরিক সদস্য।

পারস্য উপসাগর ও আশপাশের অঞ্চলে তেহরান তেলবাহী ট্যাংকার ও জাহাজ জব্দ করার পর সেখানে নিজেদের উপস্থিত বাড়ানোর ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক সুয়েজ খাল হয়ে লোহিত সাগরে প্রবেশ করেছে মার্কিন নাবিক ও মেরিনরা।

ওয়াশিংটন জানিয়েছে, গত ৫ জুলাই জুলাই ওমানের আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরান দুটি বাণিজ্যিক ট্যাংকার জব্দের চেষ্টা করে। এর প্রতিক্রিয়ায় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে গত এপ্রিল ও মে মাসে সপ্তাহের ব্যবধানে আঞ্চলিক জলসীমায় দুটি বড় তেলের ট্যাংকার জব্দ করে ইরান। এসব ঘটনায় উত্তেজনা বাড়ে অঞ্চলটিতে।

যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের মুখপাত্র কমান্ডার টিম হকিন্স বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, এই নৌপথে বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজকে হয়রানি ও আটক করে আসছে দেশটি। তাদের কর্মকাণ্ড রোধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর অংশ হিসেবে আমাদের অবস্থান।

তবে লোহিত সাগরে মার্কিন বাহিনী মোতায়েনে পাল্টা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে অস্থিতিশীলতা তৈরির অভিযোগ তুলেছে তেহরান। নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে অঞ্চলটিতে আধিপত্য বিস্তার করতে চায় বলে দেশটির দাবি।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানানি বলেছেন, ‘এই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতি কখনো নিরাপত্তা সৃষ্টি করেনি। এখানে তাদের হস্তক্ষেপ সবসময় অস্থিতিশীলতা ও অনিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category