• বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
Headline
হামের টিকা ঘাটতি, অপুষ্টি ও নিউমোনিয়া: ত্রিমুখী আক্রমণে বাড়ছে শিশুমৃত্যু দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে সরকার: ৩ মাস বিশেষ সহায়তার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর সয়াবিনের বাজারে ফের আগুন: বোতল ও খোলা তেল লিটারে বাড়ল ৪ টাকা প্লাবনের পদধ্বনি: বিপৎসীমা ছাড়াল ৪ নদী, ৫ জেলায় অকাল বন্যার শঙ্কা চেতনা বিক্রির পণ্য নয়: সংসদে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ সম্বোধনের প্রস্তাব শামা ওবায়েদের ‘জুলাই থেকেই বিনামূল্যে ড্রেস ও ব্যাগ পাবে শিক্ষার্থীরা’: শিক্ষামন্ত্রী সংসদের আঙিনায় নারীরা: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ৪৯, আটকে আছে একটির ভাগ্য শঙ্কামুক্ত মির্জা আব্বাস: শিগগিরই ফিরছেন চেনা রাজনৈতিক আঙিনায় খন্দকার মোশাররফের ১০৫ হিসাব অবরুদ্ধ কিউই বধের পুরস্কার: র‍্যাংকিংয়ে টাইগারদের বিশাল উল্লম্ফন

হাড়ের ক্ষয় রোগের ঝুঁকি কাদের বেশি, কী করবেন

Reporter Name / ২৩২ Time View
Update : বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৩

হাড়ের ঘনত্ব নির্দিষ্ট মাত্রায় কমে যাওয়ায় হাড় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। এতে হাড়ের ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কমে যায়, হাড়ের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হয়ে ক্রমেই হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। ফলে হাড় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়। একে বলা হয় অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগ।

হাড়ের ক্ষয় রোগের কারণ

হাড়ের গঠন ক্ষয়ে স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, নারীদের ক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরন হরমোনের অভাব, থাইরয়েড এবং প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থিজনিত সমস্যা, অপর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ গ্রহণ, জেনেটিক বা বংশানুক্রমিক রোগ যেমন- হাড়ের ক্যান্সার ইত্যাদি।

উপসর্গ ও লক্ষণ

অস্টিওপোরোসিসে হাড় নীরবে ক্ষয় হতে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে হাড় ভাঙার মাধ্যমে এর উপস্থিতি প্রথমে টের পাওয়া যায়। প্রধান প্রধান লক্ষণ: হাড় ও পেশিতে ব্যথা, ঘাড় ও পিঠে ব্যথা। খুব সহজে দেহের বিভিন্ন স্থানে হাড় (বিশেষ করে মেরুদণ্ড, কোমর বা কব্জির হাড়) ভেঙে যাওয়া, কুঁজো হয়ে যাওয়া।

ঝুঁকি কাদের বেশি

১. মেনোপজ বা ঋতু বন্ধ-পরবর্তী নারী।

২. অপর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ গ্রহণ করা।

৩. ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন করা।

৪. শরীরচর্চা না করা।

৫. রিউমেটয়েড আর্থ্রাইটিস বা গেঁটেবাত।

৬. এইডস, স্তন ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার ইত্যাদি রোগ এবং এসব রোগের ব্যবহৃত ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়।

৭. দীর্ঘ দিন ধরে কটিকোস্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবন করা।

প্রতিরোধ করণীয়

সুষম খাদ্য গ্রহণ করা, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া, নিয়মিত শরীরচর্চা করা  ও ধূমপান ও মদপান থেকে বিরত থাকা।

এমবিবিএস, এমএস (অর্থো) কনসালট্যান্ট অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগ লাবএইড, গুলশান, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category