• সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন
/ ফিচার
দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রে বাংলাদেশ এখন আর কেবল একটি বর্ধিষ্ণু অর্থনীতির দেশ নয়, বরং এটি এখন ওয়াশিংটন এবং বেইজিংয়ের প্রভাব বিস্তারের অন্যতম প্রধান রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সবার আগে read more
নতুন সংসার শুরু করার প্রথম মাসে যেমন হিসাব ছাড়া চাল, ডাল থেকে শুরু করে ফ্রিজ, টিভি কেনাকাটার হিড়িক পড়ে, ঠিক তেমনই এক পরিস্থিতির মুখোমুখি এখন বাংলাদেশের অর্থনীতি। নতুন সরকার ক্ষমতায়
ঈদের ছুটিতে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা বাঙালির এক চিরন্তন আবেগ। সারা বছরের কর্মব্যস্ততা ও শহরের যান্ত্রিক জীবন শেষে অন্তত কয়েকটি দিন পরিবার-পরিজনের সঙ্গে কাটানোর আশায় লাখ লাখ মানুষ এই সময়ে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যকার চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত কেবল যুদ্ধময়দানেই সীমাবদ্ধ নেই, এর উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে ডিজিটাল জগতেও। তবে এই যুদ্ধের খবরাখবর বা ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করাটা এখন
রাজধানী ঢাকায় মশার উপদ্রব আবারও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তিতে থাকতে পারছেন না নগরবাসী। সন্ধ্যার পর তো বটেই, দিনেও মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ মানুষ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতিতে ডেঙ্গুসহ
ভেনিজুয়েলা থেকে ইরান—বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের সুর যখন তীব্র, তখন প্রশ্ন উঠেছে ওয়াশিংটনের পরবর্তী টার্গেট কে? সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভূরাজনীতির পরবর্তী বড় রণাঙ্গন হতে পারে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মিয়ানমার। দেশটির
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর কোণঠাসা ও কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা আওয়ামী লীগ আবারও নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার কৌশল খুঁজছে। আপাতত জাতীয় নির্বাচনের চিন্তা থেকে সরে এসে সিটি করপোরেশন,
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ বা সংরক্ষণবাদী বাণিজ্য নীতির কবলে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ৬.১৫ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বাণিজ্য উদ্বৃত্ত থাকার কারণে এবার মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর)-এর তদন্তের