নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বমুখী দামে যখন দেশের সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম, ঠিক তখনই ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে এল বাসভাড়া বৃদ্ধির নতুন ঘোষণা। বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় এবং দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির read more
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে তিন অক্ষরের একটি শব্দ—‘গুপ্ত’। সোশ্যাল মিডিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে শব্দটি এখন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদের ফ্লোর পর্যন্ত উত্তাপ ছড়াচ্ছে। চব্বিশের
প্রবাদ আছে, অঢেল ধনেও অঢেল মন থাকে না, আর শূন্য থলেতে তো ধুলো বাজে না! বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতির হালচাল যেন ঠিক এই শূন্য থলেটির মতোই। বাইরে থেকে রাষ্ট্রের জৌলুস যতই
বিএনপির রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয়—মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অবসর ভাবনা এবং দলের আসন্ন কাউন্সিল। দীর্ঘ দেড় দশক ধরে দলের দুর্দিনে শক্ত হাতে হাল ধরা এই বর্ষীয়ান নেতা সম্প্রতি
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জাতীয় সংসদ সদস্যরা (এমপি) হলেন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। তাঁরা রাষ্ট্রের আইন প্রণয়ন, গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণ, জাতীয় বাজেট পাস এবং নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকার মানুষের অভাব-অভিযোগ ও
বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন এক গভীর সংকটের মুখে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই থেকে জানুয়ারি) সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা, যা
গ্যাস ও জ্বালানি তেলের দামের আগুনে এমনিতেই পুড়ছে সাধারণ মানুষ। এর মধ্যেই নতুন দুঃসংবাদ হয়ে আসছে বিদ্যুতের বাড়তি বিল। ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর
যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশও ঘুরে দাঁড়াতে পারে, জাপান ও জার্মানির ইতিহাস তার সাক্ষী। কিন্তু দুর্নীতিতে বিধ্বস্ত একটি দেশ? সেখানে উন্নয়ন যেন বালির ওপর তোলা বাড়ির মতো—দেখতে সুন্দর, কিন্তু ভেতরে একেবারে ফাঁপা। বাংলাদেশের