বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে কি শেষ পর্যন্ত ঢাকার হাতে তুলে দেবে দিল্লি? নাকি ভারত আইন, কূটনীতি আর সময়ের আড়ালে নিজস্ব কোনো কৌশলে হাঁটছে? read more
দেশের বিদ্যুৎ খাত এক নজিরবিহীন আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাওনা বকেয়া বিলের পরিমাণ এবার ৫০ হাজার কোটি টাকার মাইলফলক ছাড়িয়ে গেছে। এই বিপুল পরিমাণ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ‘জুলাই সনদ’ এখন বাংলাদেশের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। তবে এই সনদ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে যে মেরুকরণ তৈরি হয়েছে, তা সংসদ থেকে রাজপথ—সবখানেই স্পষ্ট।
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে যখন সাধারণ মানুষ দিশেহারা, তখন রাষ্ট্রায়ত্ত তিন তেল কোম্পানির কর্মকর্তাদের মদদে প্রায় পৌনে দুই লাখ টন জ্বালানি তেল কালোবাজারে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি
চলমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন ঘিরে সাধারণ মানুষের মনে এখন বড় প্রশ্ন—সংসদে কি সত্যিই গণমানুষের কথা হচ্ছে? গবেষণা বলছে, সংসদ সচল রাখতে প্রতি মিনিটে খরচ হয় প্রায় ১ লাখ ৭৫
দেশজুড়ে যখন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, ঠিক তখনই জাতীয় গ্রিডের বিশাল একটি অংশ ‘চুরি’ করে নিচ্ছে অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর তথ্যমতে, প্রতিদিন
২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের রাজপথ কাঁপানো জেন-জি প্রজন্মের আন্দোলন বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। সেই আন্দোলনের রেশ কাটতে না কাটতেই প্রতিবেশী দেশ নেপালে তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক উত্থান বাংলাদেশের আন্দোলনকারীদের মনে একইসাথে
রাজধানীর চিরচেনা যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হয় ব্যক্তিগত গাড়ি বা প্রাইভেট কারকে। তবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সেই চেনা দৃশ্যে ভিন্নতা দেখা দিচ্ছে। তীব্র জ্বালানি সংকট ও পাম্পগুলোতে দীর্ঘ