আমার গলা বেয়ে উঠে আসছে তীব্র হতাশা, “আমি তোমার সব মাইক্রোফিল্ম দেখেছি। আমার কাছে ওগুলো পড়ার জন্য রিডার আছে। রোহিঙ্গা নেতাদের সাথে তোমার একাকী মিটিংয়ে তাদের দেওয়া প্ল্যান এবং ম্যাপও read more
দেশহারা, ঘুমানোর সময় মায়ের মধুর কণ্ঠে ছেলে ভুলানো ছড়া যারা কোনোদিন শুনেনি, সেসব বাচ্চারা অতি পরিচিত এ গানের পরের লাইন জানে না। তাই আমিই হেঁড়ে গলায় চিৎকার করে উঠলাম “ইয়া
ডাইনিংয়ে গিয়ে অবাক হয়ে দেখি ও বিশাল এক মগ কফি নিয়ে বসে আছে। আমাকে দেখে বললো, “মর্নিং সৈয়দ।” আমি অবাক হয়ে বললাম, “তুমি কখন উঠেছো?” সে হাসতে হাসতে বললো, “সমুদ্রের
সব কাজ সেরে ফিরতে ফিরতে আমার প্রায় রাত নটা বেজে গেলো। বাংলোয় দেখি পলিন নেই। অবাক হয়ে কেয়ারটেকারকে জিজ্ঞেস করতেই উত্তর দিল, “মেমসাব, সাগরে ডুব দিতাছে।” আমি দ্রুত বিচে গিয়ে
পলিন যেন আমার বিস্মিতভাব উপভোগ করছে, “সৈয়দ, তোমাকে বলা হয়নি, জেফরির সাথে পরশু আমার এনগেজমেন্ট হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চয় ওর সাথে অ্যাফেয়ারের কথা জেনে গেছ। মিডিয়ার তো আর কাজ নেই,
পেছনে পাহাড়, সেখানে প্রাচীন জঙ্গল। বাড়িটি মাঝারি হলেও এলাকা বিশাল। প্রায় বিশ একর। মালিক খুব শখ করে বানিয়েছিলেন। এখন ভাড়া দিয়েছেন। চমৎকার বাগান, আবার বুনো অরণ্যও চারপাশ ঘিরে আছে। সবচে
সেদিন প্রবল উত্তেজনায় ঘুম ভাঙলো। মাত্র ভোরের আলো ফুটে উঠতে শুরু করেছে। আকাশ লাল মরিচের মতো। পাখিরা ডানা ঝাপটে বের হয়ে আসছে। কিন্তু কিছুই আকর্ষণ করছে না। বুকের ভেতর চাপা
২০০৪ সাল। আমার মেয়ে যখন মাতৃগর্ভে জানান দিলো, তখন আমি এবং তার মা ব্যাংককে। বিদেশে এ উপচে পড়া আনন্দের খবর আমরা পেলাম একা। দৌড়ে মায়ের কাছে ছুটে যাওয়া, বাবার জায়নামাজের