তিন বছর আগে আমির হোসেন ইউটিউবে স্ট্রবেরি চাষ দেখার পর এই চাষের প্রতি আগ্রহী হন। স্থানীয় এনজিওর সহায়তায় প্রথমবার স্ট্রবেরি চাষ শুরু করেন তিনি। পরে বড় ভাইয়ের সফলতা দেখে ২০২৪ বিস্তারিত...
বাংলাদেশের মানুষের কাছে অতি পরিচিত একটি ফলের নাম জলপাই। আচার, চাটনি, জ্যাম, জেলি এবং তেল তৈরিতে ব্যবহার হয় এই ফলটি। বর্তমানে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে বৃদ্ধি পেয়েছে জলপাইয়ের বাণিজ্যিক চাষাবাদ। জেলার
ড্রাগন চাষে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে ‘ড্রিপ ইরিগেশন পদ্ধতি’। কম খরচে মানসম্মত পণ্য উৎপাদনে জয়পুরহাটের কৃষকের আস্থা অর্জন করছে এ পদ্ধতি। শুধু ড্রাগন চাষেই নয়, ফুলের বাগান ও ফল
ঐতিহ্যগতভাবেই বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে খেজুর গাছ এবং এর রস ওতপ্রোতভাবে জড়িত। খেজুরের রসের গুড়ের জনপ্রিয়তা সবসময় থাকে তুঙ্গে। এই গাছের রস দিয়ে বানানো পিঠা-পায়েসের জুড়ি মেলাও ভার। একসময় প্রাচ্যের ডান্ডি
শহরের কোলাহল ছেড়ে পাহাড়ের আঁকা-বাঁকা মেঠোপথ পেরিয়ে সীমান্তঘেঁষা তাইন্দংয়ে স্থানীয় কৃষক আলী হোসেন শখের বশে গড়ে তুলেছেন চা বাগান। খাগাড়ছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে সীমান্তবর্তী তাইন্দংয়ের
পূর্বপুরুষের কাছ থেকে দেখে শিখেছেন ভাসমান চাষ পদ্ধতি, বলছিলেন পিরোজপুরের নাজিরপুরের মুগারঝোরের কৃষক ইব্রাহীম। তার বাবা-দাদারা এই চাষাবাদ করে তাদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করতেন। তিনিও ছোটবেলা থেকে এই চাষাবাদের সাথে জড়িত।
তীব্র খরা কিংবা অতিবৃষ্টিতে বীজতলা নষ্ট হয়েছে। এতে ব্যাহত হয়েছে চারা উৎপাদন। মৌসুমি সবজি ও ফল চাষ থেকে পিছিয়ে পড়েছেন চাষিরা। যে কারণে ঝামেলা এড়াতে এবার বিজ্ঞানভিত্তিক পলিনেট হাউজে চারা