সারাদেশের জ্বালানি তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। রাজধানীর পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সারি আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও মানুষ চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছে না। সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত মজুত ও read more
রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয়ের লাগামহীন বৃদ্ধি এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানিসহ নিত্যপণ্যের অব্যাহত ঊর্ধ্বগতিতে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) প্রথম আট মাসেই (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পণ্য বাণিজ্যে
ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ কেবল একটি অঞ্চলের সংঘাত নয়, বরং এটি পুরো বিশ্বের জ্বালানি ও পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে এক নজিরবিহীন সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। যুদ্ধের কৌশল হিসেবে ইরান
দেশের বিদ্যুৎ খাত এক নজিরবিহীন আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাওনা বকেয়া বিলের পরিমাণ এবার ৫০ হাজার কোটি টাকার মাইলফলক ছাড়িয়ে গেছে। এই বিপুল পরিমাণ
দীর্ঘ উত্তেজনার পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন ঘটেছে। এক রাতের ব্যবধানে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি গড়ে ১৫-১৬ শতাংশ পর্যন্ত
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে যখন সাধারণ মানুষ দিশেহারা, তখন রাষ্ট্রায়ত্ত তিন তেল কোম্পানির কর্মকর্তাদের মদদে প্রায় পৌনে দুই লাখ টন জ্বালানি তেল কালোবাজারে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মোট ৪৮৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদন করেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী এবং